সেপ্টেম্বর মাসের টুকরো টুকরো অনুভব || গোবিন্দ ধর
সেপ্টেম্বর মাসের টুকরো টুকরো অনুভব
★অন্তরে শূন্যতা মেখে
চারদিকে নেই। আমার অনেক কিছু নেই।
মাথার উপর ছাদ নেই। ছাতি নেই।
ছাতিম বৃক্ষ নেই।
মা নেই। বাবা নেই। বড় বোন নেই।
কাকা নেই। কাকি নেই।
নেই অনেক কিছু নেই।
★আব্দুল মতিন
এই যেমন বাল্যবন্ধু আব্দুল মতিন নেই। সে অনেক দূরে।তাকে পাঠ দিতাম একটু ডান দিক থেকে চলে আয়।চলে আসার কথা বলতে বলতে একদিন সে বাঁ দিকে এসেও গেলো।তারপর সে আর বামপথের নির্দেশিকা না মেনে পথে নেমে গেলো।সে হাঁটছিলো।সে হাঁপাচ্ছিলো।তার চোখেমুখে লেপ্টে ছিলো আদিমতম ক্ষুধা। বামপথ যখন পিচ্ছিল হয় সৈনিকদের অভিযানে ক্লান্তি নেমে আসে।ক্ষুধা বেড়ে যায়।আমার বন্ধু পথ বদলায়নি ঠিকই ।আমার বন্ধু পথেই আছে।আমার বন্ধু হাঁটছে।হাঁপাচ্ছে। নিজের ক্ষুধা তৃষ্ণায় সে কাতর।তার সামনে পথ।এই পথ অতিক্রমের ভাষা সে পড়েনি।সে ঝাঁপিয়েছিলো।তার নিষ্ঠ শ্রমের সাথে ছিলো না ট্রাফিক সিগন্যাল।
০৫:০৯:২০২২
মালদা,যুব আবাসন।
সকাল:০৬:১০মি
★হাপনরাজা
আর দূর কই আছি নিকটেই।
পায়ে পায়ে হেঁটে যেতে হয়।
হয়তো আরো কিছু দিন হাঁটব।
হয়তো আর হাঁটতে পারবো না।
যদি কখনো হাঁটতে হাঁটতে গন্তব্য ভুলে যাই।
ভুলে যাই আমার বাড়ি
তবুও আমি তোমাদেরই একজন।
আমি এই লংতরাই পাহাড়ের খাড়াই চড়াইয়েই আছি।
যদি দিকভ্রম না হয় নিশ্চিত দেখবে সূর্য উঠবেই।
তখন আমি হাপনরাজার মতো বসে আছি লংতরাই চুড়োয়।
০৭:০৯:২০২২
দুপুর:২টা:১০মি
মালদা।
★মনের সরোবরে শাপলাশালুক
স্মৃতির সিন্ধুকজুড়ে আপনি চিরকাল জাগ্রত বিগ্রহ।
য়েন খাজুরাহোর বুকে লেপ্টে থাকা অপূর্ব সকাল।
সোনালী রোদ্দুর মেখে এই যে প্রতিদিন
যথেষ্ট হেলে থাকে বিষন্ন আকাশ
তুমি তার মনের মাটিতে করো কৃষিচাষ।
তুমি তার হৃদমহলে শাপলাশালুক।
৮-৮-২০২২
সকাল:৬টা
কুমারঘাট।
★আগুনের আঁচ
আগুন আগুনের নিকট যায়
আগুনের আঁচে পুড়ে শরীর।
মন পুড়ে।ঘর পুড়ে।পুড়ে আদিমাঠ।
আগুন জ্বলছে শরীর জ্বলছে
পুড়ছে নাভিদেশ, পুড়ছে ভেতরবাড়ি।
যেন চিতায় কাঠ।
আগুন জ্বলছে পুড়ছে মন
মনের ভেতর সাদা পায়রা
পাখায় স্বাধীন পতাকা।
তোমার নিকট জলের কাছে
লুঁকিয়ে আছে আগুন
আগুন তুমি নেভাও আগুন, আকাঙ্খা।
১৫:০৯:২০২২
★অসুখ বিসুখ
মনের ভেতর অসুখ বিসুখ
ঠোঁটে চিলতে রোদ।
মনের ভেতর মেঘ বৃষ্টি
হৃদয় অবাধ্য সুবোধ।
গভীর রকম ছলাকলায়
একলা একলা বাঁচা।
সব আছে তাও একাই
সংসারে সং সাজা।
সৎ এবং অসৎ মিলেই
ভালোবাসার ঘর।
হঠাৎ হঠাৎ মেঘের ফাঁকে
সুতো ছিড়ে ইঁদুর।
মনের ভেতর টাপুরটুপুর
মেঘ রোদ্দুর।
জলের স্রোতে ভেসে বেড়াই
চলতে পারি যতদ্দূর।
২৯:০৯:২০২২
সকাল:৬টা১১মি
কুমারঘাট
★হৃদয় বিষয়ক
সবই হৃদয় বিষয়ক।
হৃদয়েই ভাব।
এই যে ভেবে শরীর জেগে আছে
তাও হৃদয়ের স্বভাব।
শরীর নদীর মতো
জলে জলে জলোচ্ছ্বাস।
সারাদিন জোয়ারভাটায়
এক গভীর উচ্ছাস।
তুমিও হৃদয়ে একলা কোথাও
আমিও সকলের মতোই।
সব আছে যাদের তারাও একলাই
সুখ যত থাক ততোই।
২৯:০৯:২০২২
সকাল:৬টা৩০মি
কুমারঘাট।
★নীল নীল
বেদনার নাম লিখি
নীল।
কবিতার নাম লিখি
নীল।
বিষে বিষে
বিষক্ষয়।
বিষে বিষে
আত্মক্ষয়।
কবিতার
ওপর নাম বিষ
যাপনের নীল
দেয় নৈশশিষ।
★আমরা প্রকাশনা মঞ্চ
আমরা শিশুদের আকাশ আঁকি
কবিদের কবিতা ছাপি।
আমরা আমাদের কথা বলি
মননের উৎকর্ষ মাপি।
আমরা শিল্প সাহিত্যের কাজে
নিজেদের শ্রম ঢালি।
আমরা শিল্প সাহিত্যে গল্পে
মানুষের কথা বলি।
মানুষে মানুষে হাতে হাত রেখে
গাই জীবনের গান।
জীবনে জীবনে সুরে সুর তুলে
গাই সাম্যের গান।
একসাথে এক ঝাঁক মুক্ত পাখি
আমরা প্রকাশনা মঞ্চ।
আমরা আমাদের গান লিখি
আমরা প্রকাশনা মঞ্চ।
১২:০৯:২০২২
সকাল:০৮টা৩৫মি
ডেমছড়া, লংতরাই।
★চলো অচিন্তপুর
যাওয়া যাক তবে,ঠিক গন্তব্যে।
যেখানে নিষেধ নেই, নিষিদ্ধ নয় প্রেম।
হাতে হত রেখে বসা যায় অনন্তকাল,
চোখে চোখ রেখে চাওয়া যায় অপলক।
চলো,হাত রাখো,ধরো,হাঁটি
অচিন্তপুর দিকশূন্য গ্রাম।
এখনো যেখানে জোনাকিই একমাত্র
পথ পরিক্রমণ বাতি।
১২:০৯:২০২২
ভোর:৬:৫৫ মি
কুমারঘাট।
★আগুনের আঁচ
আগুন আগুনের নিকট যায়
আগুনের আঁচে পুড়ে শরীর।
মন পুড়ে।ঘর পুড়ে।পুড়ে আদিমাঠ।
আগুন জ্বলছে শরীর জ্বলছে
পুড়ছে নাভিদেশ, পুড়ছে ভেতরবাড়ি।
যেন চিতায় কাঠ।
আগুন জ্বলছে পুড়ছে মন
মনের ভেতর সাদা পায়রা
পাখায় স্বাধীন পতাকা।
তোমার নিকট জলের কাছে
লুঁকিয়ে আছে আগুন
আগুন তুমি নেভাও আগুন, আকাঙ্খা।
১৫:০৯:২০২২
★ভালোবাসা,গভীর প্রত্যয়
ভালোবাসা মানে পাশাপাশি বসে
গল্পে মেতে থাকা।
ভালোবাসা মানে কাছাকাছি থেকে
হাতে হাত রাখা।
ভালোবাসা মানে আমার অসুখে
তুমি উপশম।
ভালোবাসা মানে তোমার অসুখে
আমি উপশম।
ভালোবাসা মানে পরস্পর পরস্পরকে
আঁকড়ে বেঁচে থাকা।
ভালোবাসা মানে পরস্পর পরস্পরকে
সমৃদ্ধ করে রাখা।
ভালোবাসা এক গভীর প্রত্যয়
গভীর অনুভব।
ভালোবাসা মানে সুখে থাকা সকালে
পাখির কলরব।
ভালোবাসা মানে জীবনের নিকট
আরো প্রত্যাশা।
ভালোবাসা মানে পরস্পর শুধুই
ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে আপত্যস্নেহ প্রেম
পাশাপাশি থাকা।
ভালোবাসা মানে জীবনের গল্পে
পরস্পর হাত রাখা।
১৬:০৯:২০২২
সকাল:০৮টা৫৫মি
ডেমছড়া।
★প্রিয় কবিতা
আমি যে তোমাকেই চাই,প্রিয় কবিতা
প্রিয় শব্দ প্রিয় বর্ণময়।
আমি যে তোমাকেই চাই,প্রিয় কবিতা
প্রিয়জন প্রিয় চিত্রময়।
আমি যে তোমাকেই চাই,প্রিয় কবিতা
শব্দময় তরঙ্গিনী নদী।
আমি যে তোমাকেই চাই,প্রিয় কবিতা
বাক্যময় ধরা দাও যদি।
১৬:০৯;২০২২
সকাল:১০টা৩৫মি
ডেমছড়া।
★চল রোদ্দুর হই
চল পাল তুলা নাও ভাসিয়ে দিয়ে
বাতাস মাড়িয়ে চল।
চল কোথাও হারিয়ে আবার
রোদ্দুর হই চল।
চুমু আঁকি অধর ঠোঁটে আর
শরীর জুড়াই জলে।
গত রাতের সাজ চুমুৎকারে
পড়ুক গলে গলে।
শরীর যদি জেগেই ওঠে
শরীর নেভাই চল।
পাল তুলে নাও ভাসিয়ে দিয়ে
হারিয়ে যাই চল।
শরীর যদি নৃত্য করে
শঙ্খলাগি চল।
হৃদপুকুরে ঢেউ তুলে দিই
শাপলা ফুটাই চল।
১৭:০৯:২০২২
ভোর:৪টা৫০মি
কুমারঘাট।
★জল উৎসব
আজ চলো চমকাবো মেঘে মেঘে
বিদ্যুৎ জ্বলবে।
আজ চলো কোথাও ভিজি বৃষ্টিতে
মন নাচবে।
বহুদিন মেঘ জমে জমে শিলা হয়ে
গেছে মেঘ।
বহুদিন মেঘে মেঘে ঘর্ষণ নেই
জমে আছে মেঘ।
আজ জল উৎসব হবে শূন্য কলসি
ভরে নেবো।
আজ জল উৎসব হবে হৃদিজলে
ভরে যাবো।
হৃদয়ে খা খা করে জল নেই
জল চাই।
হৃদয়ে ধু ধু মাঠ জমিন চৌচির
জল চাই।
জল উৎসব হবে শূন্য কলসি ভরে উঠবে।
জল উৎসব হবে শূন্য কলসি ভরে উঠবে।
১৮:০৯:২০২২
ভোর:০৬,টা
কুমারঘাট।
★তুমি, মেঘ এলোমেলো
মেঘ এলে খোলা চুল
বেঁধে কি লাভ খোঁপায়।
মেঘ পাঠালাম দেখো
সময় কিভাবে ঝাঁপায়।
এই আবার আগুন রঙা শাড়ি
কখনো নীল, মেঘাচ্ছন্ন তুমি।
আবার নীলাম্বরী প্রায়ান্ধকার শাড়ি
টুইটুম্বুর আমি।
শরীরে মেঘ প্রায়ান্ধকার তুমি
কখন নামবে মেঘ।
মেঘে মেঘে বাণ আসে আসুক
নামুক ঝপাৎ মেঘ।
তুমি,মেঘ এলোমেলো
তুমি নীল নীল নীলা।
সারাক্ষণ মেঘে মেঘে
রোদ ঝলমল খেলা।
১৯:০৯:২০২২
রাত:২টা৪৫মি
কুমারঘাট।
★ছড়ার বড়া
জলপাই জলপাই
গুড়িগুড়ি।
ডুয়ার্সে আসব খুব
তাড়াতাড়ি।
দুটি পাতা একটি কুড়ি
তুলবো
সবুজ ঘন অরণ্য মিলে-
মিশে যাবো।
সবুজ আর নীলে নীলে
কত সুখ
চা চারা মাড়িয়ে খুঁজে নেবো
প্রিয় মুখ।
২২:০৯:২০২২
ভোর:৩টা১২মি
কুমারঘাট।
★ছড়ার ঘড়া
ছড়ার ঘড়া গড়গড়িয়ে
ছুটছে এপাং ওপাং।
ডালের বড়া কড়মড়িয়ে
ডুবছে পেটে ঝপাং।
কড়ায় গন্ডায় হিসেব লিখে
মিশছে মানুষ ভীড়ে।
দিনের বেলার উড়াল পাখি
ফিরছে রাতের নীড়ে।
ছড়ার বড়া তালের বড়া
গিলছে গপাং গপাং।
মানুষ গুলো আসছে যাচ্ছে
এপাং ওপাং ঝপাং।
২২:০৯:২০২২
ভোর:০৩টা৪৪মি
কুমারঘাট।
★জল ছলছল
জল ডুব ডুব শাপলা শালুক
জলেই ফুটে।
জল ছুঁই ছুঁই একলা আলোক
সামনে ছুটে।
জল ডুব ডুব খেলবে নানক
জল পুকুরে।
জল ছলছল মেঘলা আকাশ
নামছে ঝাঁপুরে।
জল নিতে সই দূরের পাড়ায়
মাথায় ঘড়া
জল ছলছল মানুষ কেবল
জলোচ্ছ্বাসে গড়া।
২২:০৯:২০২২
ভোর:০৬:৩০মি
কুমারঘাট।
★এসো,নষ্ট হই
বন্ধু না হয় নষ্ট হলাম
তুমি নষ্টামি।
কে কার দোষে দুষ্ট
সে সব শুধুই পাগলামি।
বুকের ক্ষতে গভীর রকম
তুমিই কেবল বন্যা হয়ে ভাসো।
টিপিরটিপির বৃষ্টি নাচন
একটু ভালোবাসো।
কে কার দোষে দুষ্ট
কে কার কাবু প্রেমে
সে সব কথা থাক না,এসো
খেলি শরীর শরীর গেমে।
আকাশ ভরা মেঘ থাক
পড়ুক টিপিরটিির বৃষ্টি।
নতুনভাবে নদী আঁকি
জল ঝিরঝির সৃষ্টি।
২৬:০৯:২০২২
ভোর:৩টা২৩মি
কুমারঘাট।
★অগ্নিকন্যা
একটি দেশ গঠনে আপনি বারবার সজাগ ছিলেন
ঋণ পরিশোধে প্রতিজ্ঞা আপনার।
অসংখ্য নুড়ি পাথর আর ভাঙা সেতু পেরিয়ে
মানুষ ও সভ্যতাকে দিয়েছেন নিরাপত্তার চাদর।
দেশের সকল মানুষের নিকট সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য
আপনি মন প্রাণ সঁপে দিয়ে কাজ করেন রাত-দিন।
এ দেশের প্রতিজন আপনার হৃদয়ের সম্পদ
সকলের সুখে- দুঃখে আপনি মাতৃসমাজন।
এত পিচ্ছিল পথ পরিক্রমণ করতে করতে
শান্তির নীড় গড়ার স্বপ্ন আঁকেন আপনি।
পিতৃঋণ লেগে থাকা রক্তের বর্ণে, বুকের
ভেতর ভালোবাসার মানচিত্র এঁকেছেন আপনি।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
ভোর:৪টা
কুমারঘাট।
★অসুখ বিসুখ
মনের ভেতর অসুখ বিসুখ
ঠোঁটে চিলতে রোদ।
মনের ভেতর মেঘ বৃষ্টি
হৃদয় অবাধ্য সুবোধ।
গভীর রকম ছলাকলায়
একলা একলা বাঁচা।
সব আছে তাও একাই
সংসারে সং সাজা।
সৎ এবং অসৎ মিলেই
ভালোবাসার ঘর।
হঠাৎ হঠাৎ মেঘের ফাঁকে
সুতো ছিড়ে ইঁদুর।
মনের ভেতর টাপুরটুপুর
মেঘ রোদ্দুর।
জলের স্রোতে ভেসে বেড়াই
চলতে পারি যতদ্দূর।
২৯:০৯:২০২২
সকাল:৬টা১১মি
কুমারঘাট।
★হৃদয় বিষয়ক
সবই হৃদয় বিষয়ক।
হৃদয়েই ভাব।
এই যে ভেবে শরীর জেগে আছে
তাও হৃদয়ের স্বভাব।
শরীর নদীর মতো
জলে জলে জলোচ্ছ্বাস।
সারাদিন জোয়ারভাটায়
এক গভীর উচ্ছাস।
তুমিও হৃদয়ে একলা কোথাও
আমিও সকলের মতোই।
সব আছে যাদের তারাও একলাই
সুখ যত থাক ততোই।
২৯:০৯:২০২২
সকাল:৬টা৩০মি
কুমারঘাট।
★সৃষ্টিলোক
একটি মেয়ে বছর পাঁচে
পড়ছে।
একটি মেয়ে ডাগর চোখে
চাইছে।
একটি মেয়ে নামটি তার
সৃষ্টি।
একটি মেয়ে হাসলে পড়ে
বৃষ্টি।
একটি মেয়ে শুধুই নয়
মেয়ে।
একটি মেয়ে মায়ের মতো
সে-যে।
একটি মেয়ে হাসলে ঝরে
মুক্ত।
মেয়েটি সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
থাক যুক্ত।
৩০:০৯:২০২২
সকাল:০৮:৫৫মি
নিমহান্স, ব্যাঙ্গালুর,কর্ণাটক।
★নখ, মলয় ও অন্যান্য
নখে নেল কাঁটার চালিয়ে দিতে পারেন
নীলাক্ষীরাই।
আপনি মলয় হলে নখ কাঁটতে লাইন পড়বে।
আপনি সুনীল হলে নীলাদের লাইন পড়বে।
আপনি জয় হলে লাইন পড়বে।
আপনি সুবোধ হলে লাইন পড়বে।
আপনি শক্তি হলেও লাইন পড়বে।
বিনয় হলে আপনার কোন লাইন পড়বে না।
আপনি জীবনানন্দ হলেও না।
আপনি রবীন্দ্রনাথ হলেও কেউ একজন
নেল কাঁটার চালিয়ে দেবে
বাড়তি নখে।
কবিদের নখ ও কবিতাই প্রকৃতপক্ষে
কবিকে কবি করে দেয়।
৩০:০৯:২০২২
সকাল:০৯টা
নিমহান্স ,ব্যাঙ্গালুর।
0 Comments