গোবিন্দ ধরের কবিতা
গোবিন্দ ধরের কবিতা
নেপথ্য
চৈতন্য ফকির
নীলামে উঠে যাওয়া একটু বিশ্বাস চাই
আকাশ মুক্ত তার কোন সীমানা নেই।
নেই কাঁটা তার।
জানি খাঁচা বন্দি পাখির কাছে মুক্তিই সব।
সকল খাঁচা কবেই খুলে দিয়েছি
আকাশের কোন মানচিত্র আঁকিনি।
মুক্ত বিহঙ্গ তুমি সারাদিন সারাক্ষণ।
আমার নিজস্ব ভূগোল বলতে কিছু নেই।
পড়শির সীমানায় আমি হামলে পড়িনা
বাবার কাছ থেকে পেয়েছি শ্রীহট্টীয় শিক্ষা।
বাগান থেকে ফুল গুলো তুলে নেয় কেউ
দেখি,দেখতে দেখতে দেখি মলিন হয়ে যায়।
হাট করে খুলে রাখা দরজার ভেতরে ঘর
আমি তার মানচিত্র আঁকি না।
ঘরের বৃত্তের ভেতর আমি একা
চিত্র ও চরিত্র ছাড়া আর কোন নাটক নেই।
২৪:১১:২০১৭
রাত:১২:৪৫মি
মানিকভান্ডার।
[27/11/2019, 8:37 am] GOBINDA DHAR: খোলস
চৈতন্য ফকির
যে কোন দিন খোলস ছেড়ে গেলে
শরীর পড়ে থাকে কোথাও।
খোলসের ভেতর এক আমি আছি।
আমার ভেতর যেমন আমি থাকি।
খোলস পাল্টে গেলে পড়ে থাকে শরীর।
আমি উড়ে গেলে আমিত্ব শেষ।
থাকে শুধু নিজস্বী আমি।
[27/11/2019, 8:37 am] GOBINDA DHAR: হাট
চৈতন্য ফকির
যে যায় তাকে যেতে দাও।
হাট করে খুলে দাও খিড়কি।
যে কেউ আসুক যাক
উন্মুক্ত দোয়ার।
২৫:১১:২০১৭
সকাল:৭:২৫মি
মানিকভান্ডার।
[28/11/2019, 9:00 am] GOBINDA DHAR: স্নানঘর
চৈতন্য ফকির
গুন গুন করেও দুকলি আসেনি গান
গানের স্বরলিপি জাতীয় সঙ্গীত অব্দি।
তার বেশি ভাবি না।
অকস্মাৎ কেউ হারমোনিয়াম নিয়ে এলে
হাঁটু থরোথরো।
একদিন স্নানঘরে গেয়ে উঠবো,প্রার্থনা সঙ্গীত।
হারমোনিয়াম ইশারা দিলে,স্নানঘর থেকে
আলো ঠিকরে পড়বে সারা ঘরময়।
আমার পুরুষ গুলো গানের ধারেপিঠে নেই।
২৮:১১:২০১৭
দুপুর:১:১৫মি
কুমারঘাট।
[28/11/2019, 9:02 am] GOBINDA DHAR: অলৌকিক হাত থেকে স্বপ্ন হারানোর পাঠ
চৈতন্য ফকির
কেটেকুটে যা সমার্পিত হলো
সন্নিকটে ছিলো না অলৌকিক হাত।
প্রদক্ষিণরত স্বপ্নবীজ
সম্ভাবনার জমিন পায়নি।
দুতলার চিলে কোঠায় মরে গেলো
জীবনসঙ্গীত।
যাকে তর্জমা করি অহর্নিশ গহনে রেখেছি
তার সকাল আসে রবীন্দ্রকাননের আচরণ থেকে
পূর্বের সকল সংকট থেকে অকস্মাৎ এই বাঁক
নদীনির্ভর সকল ভাটিয়ালি স্তব্দ, দিকভ্রম আঁখিপাত।
অলৌকিক হাত থেকে জরুরী উপশম বদলে গেলে, থাকে শুধু ডুবু ডুবু জাহাজ।
২৮:১১:২০১৭
সকাল:৮টা
কুমারঘাট।
[28/11/2019, 9:04 am] GOBINDA DHAR: ভাতকে ভাতই বলি
গোবিন্দ ধর
নানা জায়গায় ভাত খেয়েছি
নানা জায়গায় পাত পেড়েছি।
কোথাও ভাত খেয়েছি তো
কোথাও খেয়েছি অন্ন।
কোথাও ভাত নয় ভাতের নাম
হয়েছে আনন্দবাজার।
কোথাও বা প্রসাদ।
আমি ভাতকে ভাতই বলি।
অন্ন বলার মতো সাহস হয়নি।
আমি ভাতকে ভাতই বলি
আনন্দবাজার বলার মতো হইনি।
আমি ভাতকে ভাতই বলি
প্রসাদ ভাবতে পারিনি।
ভাতকে শুধু ভাতই বলতে ইচ্ছে হয় আর কিচ্ছু না।
দিন আনি দিন খাই আমাদের ঘরে বহুদিন অরন্ধন নিত্যঘটনা।
[29/11/2019, 9:46 am] GOBINDA DHAR: নেপথ্যে:২
চৈতন্য ফকির
কতবার মরি কতবার মরতে মরতে
এই যে বেঁচে আছি বলে যা মনে হয়
তাও কি বেঁচে থাকা?
অজান্তে দিয়েছি ভ্রমণলিপি পাঠিয়েছি শিস
কামুকপুরুষের ঠোঁটের কাছে বিকিয়েছো
দিনমণিরোদ।
২৯:১১:২০১৭
রাত:৭:৪৫মি
কুমারঘাট।
[01/12/2019, 6:42 pm] GOBINDA DHAR: বুকেরপাখি
চৈতন্য ফকির
সারাক্ষণ খালি খালি লাগে বুকের ভেতর।
পোষ না মানা পাখিটি খাঁচায় ছিলো।
কখন উড়ে গেলো ভিনগ্রহে কেউ জানে না
পাখিটি একদিন বুকের মাঝে ছিলো।
ডানার উত্তাপ নিয়ে এই যে দৌড় জীবন
লালনে লালনে কোন খামতি ছিলো না।
তাকে সব বিলিয়েছি খাদ্যকণা জল
চাই মুক্ত আকাশ তার আর কিছু চাই না।
সে চলে গেলো আছে কিছু স্মৃতিকাল
বুকেরপাখিটি সাইবেরিয়াগামী হলো বহুকাল।
০১:১২:২০১৭
রাত:৯:১০মি
কুমারঘাট।
[01/12/2019, 6:43 pm] GOBINDA DHAR: কবিতাকাল
চৈতন্য ফকির
ভালোবাসতে বাসতে
জীবন এমনি কেটে যাবে।
জানি তো আসবে না ঘরে
আপাদত ছাড়বো না
তুমি যেতে চাও যাও চলে
গেলে যাও দূর কুহকজালে।
আপাদত তুমি ঠেলে দিলেও
আমি ঠিক পড়ে থাকবো
তুমি আসছো না বলে।
আমার সুখের জানলা পাশে
তুমি মেঘ রেখে যাওয়া নীলাচল।
০১:১২:২০১৭
বেলা:১টা
কুমারঘাট।
[01/12/2019, 6:44 pm] GOBINDA DHAR: কালখন্ড
চৈতন্য ফকির
দূরে কোথাও শিস শুনে ঘুড়ি উড়ছে।
ঘুড়ি উড়ানো বালক সূতো ছেড়ে যায়, ঘুড়ি ভূকাট্টা।বালকের হাতের সূতো হাতেই রইলো
ঘুড়ি ছুটছে লাগাম ছাড়া যেন বল্গাহীন হরিণী।
সীমিত আকাশ তার ভাললাগতো না,ঘুড়ি উড়ছে।
সূতো ছেড়ে দিই।দেখি ঘুড়ি উড়ছে তো উড়ছে।সে এখন দিকশূণ্য।তার সামনে পুরোটাই আকাশ।
০১:১২:২০১৭
সকাল:৮:৩০মি
কুমারঘাট।
[02/12/2019, 11:07 am] GOBINDA DHAR: ভূমণ্ডলীয়করণ
চৈতন্য ফকির
ট্রেন ছুটছে ভূগোল ভেদ করে ভূমণ্ডলীয়
অনন্তরেখায়-কৃষকের ভাতের থালা বরাবরই।
০২:১২:২০১৮
বেলা:১১:১৫মি
সুকান্ত একাডেমী
আগরতলা।
[02/12/2019, 11:07 am] GOBINDA DHAR: সুইসাইড
চৈতন্য ফকির
কঠিন কোন সাধনা নয় এরকম মোক্ষলাভ।
যে কেউ যে কোন রকম ঝুলে গেলেই
মোক্ষ অনিবার্য।
তথাপি এরকম সময় কালেও তীব্র সংযমে
শরীরের নিকট মায়াবন্দী ময়না
খাঁচাকে বাসা ভেবে আরো মায়াময় মরীচিকায়
সুইসাইড নোড লেখা আর হয় না।
০২:১২:২০১৮
ভোর:৪:৫৫মি
কুমারঘাট
[02/12/2019, 11:08 am] GOBINDA DHAR: বিজুপাখি
চৈতন্য ফকির
জুমেরধানের বিজুফুলে পাখি এসে গান ধরলে
কৃষকের ঘরে ঘরে ভাতের হাঁড়ি বসে।
০২-১২_২০১৮
বেলাঃ১২:২০মি
সুকান্ত একাডেমি
আগরতলা।
[03/12/2019, 7:48 am] GOBINDA DHAR: সংকেত
চৈতন্য ফকির
একা একা আনন্দ উপভোগ করা খুবই কঠিন।
একা একা দুঃখ যাপনও কি সহজ?
একাকিত্ব কঠিন অসুখ।
সকল সংকট মোচনে চাই প্রকৃত বন্ধুজন।
যার মন উদার।বিশাল।দুঃখের কথা বললে সহানুভূতিশীল হাত প্রলম্বিত করে এমন বন্ধুজন যাদের নাই তাদের জীবন দুর্বিষহ।বন্ধুর মনের ভেতর একজন সৎ মানুষ থাকা জরুরী।বন্ধুর জন্য যে যেকোন সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে।বন্ধুকে খুশি করতে তার থাকবে সদা সর্তক উদারতা।এক পক্ষে বন্ধুত্ব ধরে রাখা কঠিন।একজন গলাজলে এলে অন্যজনও আসবে এমন প্রত্যাশা তো আশা করা স্বাভাবিক।দিনের পর দিন বন্ধু শুধু বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে করেই যাবে।আর অন্যজন তোমায় ঠকেই যাবে,তাহলে বন্ধুত্ব টিকে থাকার কথা নয়।
৩:১২:২০১৭
রাত:৯:৪৫মি
কুমারঘাট
[03/12/2019, 7:52 am] GOBINDA DHAR: কবি
চৈতন্য ফকির
কলমে সুলেখা আছে,হৃদয়ে খরা।
তখন এক শব্দ একাধিক কবিতায়,
প্রায় এক ভাব ভাবনা
আর মুখে বাংলা পাঁচ লটকে
নিজেকে সম্রাট করে তুলেন
কবিতার পিতা।
[04/12/2019, 7:16 am] GOBINDA DHAR: তুমি
চৈতন্য ফকির
সারা শরীর ধানীজমিন।
তুমি এলেই চাষবাস।
দুপাতায় লাফিয়ে বাড়ে
কচি কচি ধানগাছ।
শরীরে শেখড়বাখড়
তাকে কেউ তুলে নিলে
মরে যাবে, পুঁতে রাখা
জমিনের চারাগাছ।
০৪:১১:২০১৭
ভোর:৫:৫মি
কুমারঘাট।
[04/12/2019, 7:17 am] GOBINDA DHAR: ভ্রমন
চৈতন্য ফকির
জমিনে পুঁতে রাখি সম্ভাবনাবীজ।
কচিকচি পাতায় বেড়ে উঠলে গাছ
চেয়ে থাকি অনন্তসময়।
০৪:১২:২০১৭
রাত:৭:১৫মি।
কুমারঘাট।
[05/12/2019, 7:48 am] GOBINDA DHAR: মনের ভেতর
চৈতন্য ফকির
মনের ভেতর গভীর বন।
তার ভেতর আলো।
তার ভেতর জঙ্গল।
লুঁকিয়ে থাকা বাঘটি কখন
ঘাপটি বসে থাকে।
ঝাপটি ধরে সু কুঁড়ে খায়।
কু কি এতই কুলক্ষণা?
৪:১২:২০১৭
রাত:১২:৩০মি
কুমারঘাট।
[05/12/2019, 8:29 am] GOBINDA DHAR: পদ্যাণু
চৈতন্য ফকির
সময় এরকমই হেজেমজে যায় বিকেলের দিকে।
বিকেলের রোদের নিকট অন্ধকারলিপি।
তাকে কেউ পাঠ জানে না।
রাত এসে গিলে খায় সকাল।
০৫:১২:২০১৯
সময়:সকাল-০৮:২৫মি
রাজেন্দ্রনগর।
[06/12/2019, 2:05 am] GOBINDA DHAR: পেঁয়াজবাবা
চৈতন্য ফকির
পেঁয়াজ এখন বাবা কিংবা মা
পেঁয়াজ বাবাজী
পেঁয়াজ খেখো দাদারা সব
পেঁয়াজ দাদাজী।
পেঁয়াজ তুমি খাও কেন ভাই
মানুষ পুড়ার দেশে।
হাট্টি মা টিম হাট্টি মা টিম
পেঁয়াজ হাঁকে কেশে।
পেঁয়াজ বাবার সবুজ পাতায়
টাকার গন্ধ ছড়ায়
পেঁয়াজ বাবা শেকড় খোঁজে
কান্ট জনসভায়।
পেঁয়াজ বাবার পেখম দেখে
গিন্নি চটে লাল।
পেঁয়াজ খেখো চাষীর ছেলে
চটে নিজের গাল।
পেঁয়াজ বাবা ভেলকি হাঁকে
এই নাসা টু ভাষা
জাতের নামে পাশা খেলে
গুডবয় হয় আশা।
পেঁয়াজগুলো পেখম তুলে
সবুজ পাতা,ছাড়ে
কৃষক কাঁদে ঝাঁজের ছুটে
হিন্দুস্তান হামারে।
পেঁয়াজ বাবার জয়ধ্বনি
দেশ ছেড়ে যায়
বিদেশ থেকেও কান্না আসে
কেমন জনরায়।
পেঁয়াজ বাবার ভেলকি ছুটে
তেপান্তরের মাঠ
হাট্টিমাটিম টিম ও ভাই
চলুন চাকমাঘাট।
০৫-১২-২০১৯
রাত:২টা
কুমারঘাট।
[06/12/2019, 8:10 am] GOBINDA DHAR: আঁকিবুঁকি
চৈতন্য ফকির
আত্মার ক্ষরণ দিয়ে লিখি জীবনের ধ্রুবপাঠ।
কবিতা লিখি না।লিখি আমাকেই আমি।
আমার লেখা আসলে আমারই মৃত্যুবাণ।
লিখি এক একটি আত্মার মেনোফেস্টো।
তুমি বলো এসবই নাটক।জানি না নাটক।
আমাকে আমিই হত্যা করি।মুক্ত আকাশ আঁকি।
তুমি লাল ভোর এনে দিতে পারো।কিংবা নাও বিষহরি।
৬:১২:২০১৭
সন্ধ্যা:৪:৫৮মি
কুমারঘাট।
[06/12/2019, 8:13 am] GOBINDA DHAR: জল আলাপ
চৈতন্য ফকির
খুচরো হতে হতে শূণ্য তোরঙ্গ।
ভেতরে শুধুই শূণ্যতা।
বৃক্ষের কাছে নতজানু জীবন বাঁচার বাতাস
না পেলে মৃত্যু কেবল ট্রামের মতো আসে।
এতবার করেছি সমর্পন এই শূণ্যতা নাও।
কলসের জল রেখে কে আর জল আনতে যাবে নদীর নাব্যতায়।
সকল প্রাপ্তিযোগ পেরিয়ে একদিন
সমস্তনদীই মিশে যায় সাগর সঙ্গমে।
বেদনার কোন পরিভাষা নাই
তুমি তাতে প্রলেপ না দিলে বাড়ে জলাতঙ্ক।
৬:১২:২০১৭
সকাল:১০:৫০মি
রাজেন্দ্রনগর
[07/12/2019, 11:24 am] GOBINDA DHAR: এনকাউন্টার ও সত্যিকারের ভালোবাসা
চৈতন্য ফকির
বলছি না কোন ধর্ষক পুরুষ নয়।
বলছি না সব পুরুষই ধর্ষক।
এমনও বলছি না যে পুরুষমাত্রই ধর্ষক।
বলছি না সকল ধর্ষককে এলোপাতাড়ি গুলি করলেই
অলিগলির সকল মা-বোন নিরাপদ।
বলছি না এন কাউন্টার হবে না।
বলছি না সকল ধর্ষককেই এনকাউন্টারে
দ্রিমি দ্রিমি ট্রা রা ট্রা রা দ্রিম করে দিলেই
কচি মেয়েটি ঈশ্বরীতলার বকুল তুলে আনবে
ভোর রাতে নিরাপদে।
মেধার কোথাও কিলবিল করতে থাকা
পুরুষকে পুড়ে ফেলি চলুন।
মেয়েদের মেয়েলিপনা পুড়ে ফেলি চলুন।
সকল লিঙ্গ নির্ভর সমাজ তুলে দিই।
সকলে পুরুষকে বলি তুমি পুরুষমানুষ হলেও মানুষ হও।
সকল মেয়ে বউ মা বোনদের বলি তুমি মেয়ে হলেও মানুষ।
সকল মানুষের কানে কানে মগজে একটি মন্ত্র পাঠাই
ভালোবাসো ভালোবাসা এবং ভালেবাসার অস্ত্রতেই
সমস্ত একাউন্টারমুক্ত অসুখ থেকে মানবতাময় বিশ্বগড়ি
এসো এই মন্ত্রই হোক বিশ্বজয় বিশ্বজয় মা মানুষ=পুরুষও মানুষ।
০৭:১২:২০১৯
বেলা:১০:৪০মি
রাজেন্দ্রনগর।
[08/12/2019, 1:22 pm] GOBINDA DHAR: আমিই শূণ্য
চৈতন্য ফকির
মানুষের জীবনটাই অগণিত ভুলের যোগফল। -হোমারক্রয়
Human life is the sum of countless mistakes. - Homeric
অসংখ্য ভুলের যোগফল নিয়ে
বাঁচিয়ে রাখা জীবন থেকে পাঠ নিই
একটিও মুখ নেই।
মুখোশগুলোও মুখ খুঁজে এখন কঠিন সময়।
যোগ করতে করতে বিয়োগ ভুলে যাই।
বিয়োগ করতে গেলে টুটি চেপে ধরে
লটকে থাকা মুখোশ।
অসংখ্য ঘাতকের আঁকা মানচিত্র
বগলে নিয়ে বগল বাজাই।
যোগফল শুধুই শূণ্য।
হারাতে হারাতে নিজেই হারিয়ে যাই
সব থেকেও খাতাভরা
মনে হয় আমিই শূণ্য।
০৮:১২:২০১৭
রাত:০৯:৪৫মি
কুমারঘাট।
[09/12/2019, 6:42 am] GOBINDA DHAR: সব কিছুই আপেক্ষিক।
যা আমার মনে হয় তা আসলেই আমার নয়।
সবই গোলক ধাঁ ধাঁ।
শীঘ্র টার্ন মানুষদেরে জীবন্ত যন্ত্র করে দেয়।মানুষ কেন এমন করেন!
[09/12/2019, 6:45 am] GOBINDA DHAR: ইউটার্ন
চৈতন্য ফকির
স্খলন থেকে চলে যাওয়া কিছুই
শীঘ্র হলে পচন্দ নয় কারো।
এই যে তুমি ইউটার্নে ঘুরে গেলে
রাজধানীমুখো কাম্য ছিলো না।
রাজধানী সব সময় আনন্দ নয়
তারও আছে অলিগলি খানাখন্দ।
ভেতরের অন্ধকারে লুঁকিয়ে থাকা
বেড়ালের থাবার ভেতর তুমি নাচছো।
একটু চকমকিই প্রদীপ নয় ভুলে গেলে
আমাদের সকল আলো খেকো হায়নারা
তীব্র নখদাঁত বের করে তেড়ে আসে
তুমি জানলেও বের হওয়া কঠিন।
০৯:১২:২০১৭
দুপুর:১২:৪৫মি
কুমারঘাট।
[10/12/2019, 11:10 am] GOBINDA DHAR: আজন্ম প্রেমিক আমি
চৈতন্য ফকির
আজন্ম প্রেমিক বলে তুমি তাৎচ্ছিলো করো।
অনুভূতিগুলো তুচ্ছার্থে নাও!
এই যে শীত শীত সকালগুলো গুড়িগুড়ি টুপটাপ পড়ছে
নির্লিপ্ত তুমি, সময় প্রবাহমান।
সারাক্ষণ রক্তঝরা হৃদপিন্ডের লাভডুব লাভডুব
ক্রমাগত অসুখের জানান দেয়।
তুমি ভাবো মস্করা।তুমি ভাবো নাট্যাৎসব।
শরীর কি শরীর চায় শুধু, তার যে মন আছে
মনোকষ্ট আছে তুমি বুঝো না!
চিরপ্রেমিকের প্রেম শুধু চাওয়া চেয়ে থাকা
বিষন্নদিন ঝরে পড়ে বর্ষার টুপটাপ।
১০:১২:২০১৭
দুপুর:২:২০মি
কুমারঘাট।
[10/12/2019, 11:11 am] GOBINDA DHAR: আমার ভারত
চৈতন্য ফকির
আমার ভারত
রবীন্দ্রনাথ
বিবেকানন্দ
রামকৃষ্ণ
কবীর নানক আর চৈতন্য পুরুষের।
আমার ভারত
সুফি
সাধু সন্ত আর সত্য
শিব ও সুন্দরের।
আমার ভারত
বুদ্ধ যিষু
জৈন
নবী আর
নরনারায়ণের।
আমার ভারত
মানুষ আর ঈশ্বর
আল্লা গড
ভগবান
এক হয়ে গান
মানবতার ভৈরবী।
আমার ভারত
একজন আরেক জনকে
বুকে জড়িয়ে বলে ওঠে
কেমন আছিস
ইয়াচিন।
আমার ভারত
মানুষকে মানুষ বলে
জড়িয়ে ধরে বলতে পারে
অমলকান্তি প্রকৃতই রুদ্ররূপ।
আমার ভারত
হজরত আর ভগবানে
এক পাতায় ভাগ করে খান
টেঁকিছাটা চালের বিন্নিভাত।
১০:১২:২০১৭
সকাল:০৬:৩৫মি
কুমারঘাট।
[15/12/2019, 7:04 am] GOBINDA DHAR: একটি স্বপ্নের দেশ
চৈতন্য ফকির
ভালোবাসা হারিয়ে গেলে সকল মানুষই যন্ত্র হয়ে যায়।
ভালোবাসাই পারে মানুষকে প্রকৃত মানুষ করতে।
মানুষের তাবৎ অসুখ থেকে ভালোবাসাই দিতে পারে
প্রকৃত যাপনের শৈল্পিক সুখ ও আনন্দ।
তিনটি দেশ এক হয়ে গেলো।ভারতবর্ষ যার নাম।ইউনাইটেড ভারত।তিন প্রদেশে তিনজন প্রধানমন্ত্রী। সকলেরই রাজনৈতিক ক্ষমতা সমান করা হলো।কেব এন আর সি নেই।শেকড় উপড়ে আসার যন্ত্রণা নেই। আর কেউ কাউকে উদ্বাস্তু শরনার্থী দেশদ্রোহী তকমা না দিয়ে লড়াই চলবে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে। সুস্বাস্থ্যের জন্যে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।সকল মানুষের বিদ্যালাভের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা করা হবে।জাতের নামে কেউ কাউকে আর হেনস্তা নয়।আসুন একটি স্বপ্নের দেশের স্বপ্ন দেখি। যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে নয় বরং সকল মানুষকে সমান দৃষ্টিতে মানুষ ভাবা হবে।নারী পুরুষ নয়।সকল মানুষ মানুষ হবেন।সকলের জাতি হবে ভারতীয় জাতী।আর তিন প্রদেশের যে কেউ যে-কোন প্রদেশ রাজ্য কিংবা অঞ্চলে বসবাস করার বৈধতা থাকবে।কোন জনজাতি জাতির কেউ কাউকে হেয় করা যাবে না।সকলে সকলের মর্যদা দিতে বদ্ধপরিকর হয়ে সকলের জীবনমান উন্নততর করার কাজে সহযোগিতা করবো।
দেশের যেকোনো প্রান্তে যেকেউ অবাদে চলতে পারবে।এমন স্বপ্ন হোক ভারত পাকিস্তান আজকের বাংলাদেশের শুভবুদ্ধি সম্পূর্ণ মানুষের নতুন স্বপ্ন। তবেই সুন্দর এক জাতি গঠন হবে। এশিয়ার মুক্তি সংগ্রামে এই স্বপ্ন হবে ভয় আর আতঙ্কের উর্দ্ধে।তবেই প্রকৃত পক্ষে আমরা মানুষ হবো।নয়তো এই সকল মানচিত্র একদিন আরো টুকরো টুকরো হয়ে যার যার বগলদাবা হতে হতে ভূগোলের বাইরে চলে যেতে হবে আমাদের।সেখানে শুধু হিং সিং থাকবে। মানবতা হবে কর্পূর।মানচিত্র তো চিবিয়ে খাওয়ার জিনিস নয় বরং সকলর আন্তরিক চেষ্টায় মানচিত্র আঁকা সম্ভব। যে মানচিত্রে আর কোন ঘাতকের রক্ত থাকবে না।এরকম এক স্বপ্ন হোক আগামীর বীজপত্র।
১৫:১২:২০১৯
সকাল:৫টা
কুমারঘাট।
[16/12/2019, 8:02 pm] GOBINDA DHAR: দিক্ ভ্রান্তের মায়াবী খোয়াব
চৈতন্য ফকির
ভীষণ অসুখের সময় কারো কথা মনে এলে
এই নাকে খৎ দেবো।
এমন অসুস্থ সময় থেকে পরিত্রাণ নেই?
সময় বড়ই সংকটের খাদে লটকে আছে।
তা থেকে উত্তরণের পথ অতিক্রম করতে
হাত পা কেউ বেঁধেছে নিয়মের পাঁচিলে।
সভ্য হতে হতে তাহলে থুড়ি মেরে গুটিয়ে দেবো
নিজস্ব মতাদর্শ?
বিপন্ন হয়ে যায় যাক সকাল?
বিপ্রতীপ থেকে উড়ন্ত অভয়মুদ্রা
এই আছে তো এই নেই।
কালখণ্ডে এসব বারবার ছিঁড়ে গেছে।
তাও কি দিকভ্রান্ত প্রাচীন উৎসব?
দেশ দেশ মায়াবী খোয়াব।
১৬:১২:২০১৯
রাত:৭:৪৫মি
তেলিয়ামুড়া।
[16/12/2019, 8:03 pm] GOBINDA DHAR: সহযোদ্ধা এবং গেরিলা কামুক
গোবিন্দ ধর
কিছুদিন পরেই রক্তশূন্যতা শরীরে ঢের পায়।
কাম কি চিরকাল ধর্ষনের সমগোত্রীয়?
সহযোদ্ধা ভেবে হাত বাড়িয়েছে অরণ্য।
অরণ্যে মায়া ও মোহ ভেদ করে প্রবেশ করেই
জানা গেলো কামমিশ্রিত এই প্রেমে আসলে
ভালোবাসা ছিলো না।ছিলো টান।আগাছা।
আগাছায় কখনোই বীজ হয় না হরিদাস জানে না।
সফল বগলামুখী তার অট্টহাসি দিকবিদিকশুন্য
বিশাল মাঠে ছড়িয়ে দিয়ে বলে মেপেছি মেপলসবুজ।
নিজের অরণ্যের নিকট অরণ্যের সবুজ হারিয়ে
পরিবেশ ভুলে গেলে এই গমক থেকে পরিত্রাণ নেই।
জীবনের পাঠশালা এক বিচিত্র বিদ্যালয়।
তার প্রতিটি ইটেই লেগে থাকে হাসি কান্না
আর সংকল্পের সমগ্র।উত্থান। পতনোন্মুখ
সকল সংগ্রামই আমাদের শিক্ষা নিকেতন।
সহযোদ্ধা ভেবে কামুকের নিকট সময় সমর্পন শেষে
উত্তরণের সিঁড়ি থেকে পড়ে যায় কবিতার পতাকা।
১৬:১২:২০১৯
বিকেল:০৪টা১০মি
বাঁধারঘাট রেল স্টেশন,আগরতলা।
[16/12/2019, 8:06 pm] GOBINDA DHAR: আত্মজীবনী :৪
চৈতন্য ফকির
নিজেই নিজেকে রক্তাক্ত করি জীবনের পাঠ নিই।
আমি তাকে আত্মক্ষরণ বলি।
আত্মার ভেতর পাঠাই ঘুণপোকা
অস্থি মজ্জা সব খা সর্বভোগ ওংকার।
১৫:১২:২০১৯
সকাল:০৬:৫৫মি
কুমারঘাট
[18/12/2019, 8:06 am] GOBINDA DHAR: লিটল ম্যাগাজিন একটি হর্স পাওয়ারের নাম
গোবিন্দ ধর
আমরা যে কেউ যে কাউকে যুক্ত বিযুক্ত করতে পারি।কিন্তু করার আগে ভেবে নেওয়া চাই কাকে যুক্ত আর কাকে বিযুক্ত।
১৮/১২/২০১৬
আগরতলা।
[19/12/2019, 10:39 am] GOBINDA DHAR: আত্মস্তব
চৈতন্য ফকির
একমাত্র ভালোবাসায় সারা বিশ্বকে জয় করা যায়।
কাম কিংবা যুদ্ধ দিয়ে কাপুরুষ নয়তো কামুক হওয়া যায়।
১৯/১২/২০১৬
[19/12/2019, 10:41 am] GOBINDA DHAR: তোমার শহরে
আমি সুপারমুন।
আলোকিত করি
রাজ্যপাট।কবি গোবিন্দ ধর।
[19/12/2019, 10:42 am] GOBINDA DHAR: খুকুমণি
গোবিন্দ ধর
হাই তুলে
গান গাই
বই পেলে
স্কুল যাই।
আমি খুকু
খুকু মণি।
আদরের
সোনা মণি।
১৯/১২/২০১৫
[19/12/2019, 10:40 pm] GOBINDA DHAR: ভালো থেকো
চৈতন্য ফকির
ভালো থেকো প্রিয় দেশ মানুষের পাশে।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ স্বদেশে -বিদেশে।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ পাশে থাক মানুষ
ভালো থেকো প্রিয় দেশ আশ্বাসে-বিশ্বাসে।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ সুখে-অসুখে
ভালো থেকো প্রিয় দেশ সম্পদ ভালোবেসে।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ সকলের পাশে
ভালো থেকো প্রিয় দেশ স্নেহের পরশে।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ উন্নত শিরে
ভালো থেকো প্রিয় দেশ জীবন জীবিকায়।
ভালো থেকো প্রিয় দেশ ভালো রেখো
ভালো থেকো প্রিয় দেশ কথায় কবিতায়।
১৯:১২:২০১৯
রাত:১০:২৫মি
কুমারঘাট।
[23/12/2019, 9:08 am] GOBINDA DHAR: আগুন চাই আগুন
চৈতন্য ফকির
তুমি আগুন দাও আগুনে জ্বলে যাক সকল সম্পর্ক।
আগুন চাই আগুনে পুড়ে ফেলো অন্তর্লীন অন্ধকার।
আমার পুরুষ পুড়ো।ক্রোধ কাম রিপু পুড়ে যাও।
সকল সহিষ্ণুতা সৃজনশীলতা সুন্দর পুড়ে দাও
প্রিয়জন।
জ্বলে যাক শরীরের ভেতরের পুরুষ শরীর।
এই যে জীবনের তাপ নিয়ে হেঁটে যাও নিজেকে আড়াল করে
আসলে কি ভারতবর্ষের আত্মা পুড়ে যাওয়া সহজ?
আগুন খাবো আগুন। আমি দাবানল।আমি পুরুষ।
জেগে জেগে ঘুমাতে পারি না বলে সজাগ কেটে যায় রাত।
এরকমই শরীর পুড়ে যাবে, যাক।শরীরের ভেতর তবুও শরীর জেগে থাকে দ্রোহবীজ গেরিলা সৈনিক সেজে।
২২:১২:২০১৯
সময়:১১টা ৫৫মি
কুমারঘাট।
[23/12/2019, 9:19 am] GOBINDA DHAR: দ্রোহবীজ
তুলে দিলাম,নাজমা আক্তার চিত্রশিল্পী, বাংলাদেশ
বন্ধু আপনাকে।
আমি বিশ্বাস করি
আমাদের একটি দেশ শুধু আমাদের নয়
সকল দেশ-ই আমাদের দেশ।
মানচিত্র মানে গন্ডি।একদিন কাঁটাতার
আর থাকবে না।
সীমান্তের গন্ডি অতিক্রম করবে
আমাদের চেতনার মশাল।
২০/১১২/২০১৬
[23/12/2019, 9:19 am] GOBINDA DHAR: ২৫বছর
গোবিন্দ ধর
২৫বছর লেখালেখি রোগে আক্রন্ত।
২৫বছর লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহ করি।
২৫বছর বই সংগ্রহ করি।
২৫বছর স্রোত সাহিত্য ম্যাগাজিন করি।
২৫ বছর শিক্ষকতা করি।
২৫বছর প্রকাশনা করি।
২৫বছর আমি নি:স্ব।
২৫ বছর সব শিখছি।
২৫বছর কিছুই শিখিনি।
২৫বছর আমার চাই।
আমি অনাবাদী জমিন চাষ দেবো।
২১/১২/২০১৬
[23/12/2019, 9:25 am] GOBINDA DHAR: ভুল স্বরলিপি
চৈতন্য ফকির
ভুল এক মারাত্বক রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার।
২০:১২:২০১৭
বেলা:১৩:৫০মি
কুমারঘাট।
[23/12/2019, 11:38 am] GOBINDA DHAR: কথাবিশ্ব
গোবিন্দ ধর
প্রকৃত সাধনার সময় এখন।দীর্ঘ হোক।
দীর্ঘ হোক এই আক্রমণ।
আত্মার ঘুণপোকাকে ঝেড়ে ফেলো।
ওঠো, দাঁড়াও।একটু কিছু তো করো।
প্রজন্ম আপনাকে ক্ষমা করবে না,ভুলে যেও না।
সামনে তাকাও।পেছনেও।
কে আপন কে পর বুঝতে শেখা অপরাধ নয়।
আপনিও সময় সমাজের একজন।
সময়ের সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে।
অসুখ সারানো আপনারও দায়িত্ব।
সুস্থ সময় আসুক।
প্রজন্ম তা চায়।
২৩:১২:২০১৯
বেলা:১০:৩০মি
রাজেন্দ্রনগর।
[24/12/2019, 9:20 am] GOBINDA DHAR: দীর্ঘদিন এক তক্তোয় শুলে
কেউ কারো সাক্ষাৎকার
নিতে পারে না।
২৪:১২:২০১৫
[24/12/2019, 9:21 am] GOBINDA DHAR: সোনালীদিন
#
গোবিন্দ ধর
#
আমাদের ছোটবেলা ধুন্দুবুড়ি ছিল।
ছিল বালুর চাল কাঁঠালপাতার গরু
পুকুরে জলখেলা কানামাছি ভোঁ ভোঁ
মার্বেল মইন কাবাডি আর গোল্লাছুট
ছিল পূজোয় খেলনা বন্দুক।
এখন সোনালীদিন হারিয়ে গেছে
ধুন্দুবুড়িতে ভরেনা মন ছেলেদের
ফেইসবুক গুগুল নেটচ্যাট জলভাত
পানিভাত জানেনা ফাস্টফুট ভরসা।
আর চাই ঠিকঠিক ট্রিগার বন্দুক।
[24/12/2019, 9:21 am] GOBINDA DHAR: অসুখের পাঠশালা
চৈতন্য ফকির
ঝুলে গেলো পায়ের পেশি
ভূমিতে পা রেখে কোথায় হাঁটবো।
তুমি চলে যাও,যাও আনবাড়ি।
আমি না হয় জানবো খবর নেবো
কখন কোথায় কার কাছে আছো।
শ্রীমুখ এগিয়ে শীতের আদর মাখো
আমি তো জানি তুমি প্রতিদিন পাল্টে
পথ ও মত নিয়ে আরো হাতে হাতে
বিলিয়েছো,তাতে কি সব আছে?
সব পাওয়া যায় জীবনের সবুজ?
নিজেকে খুচরো করাই সব নয়
আরো এক অন্তর্গত ক্রোধ রাখি
পায়ের পেশির মতন ঝুলে রাখি
গোপন মানচিত্রে কিছু অসুখ রাখি
তবুও অপেক্ষায় দরজা তবু খোলা।
২৪:১২:২০১৭
বেলা:১২:৫৫মি
কুমারঘাট।
[24/12/2019, 9:21 am] GOBINDA DHAR: সম্রাট
চৈতন্য ফকির
বেচারা কবেই গঠনতন্ত্রে বিশ্বাস করে
সকলের সমানাধিকার দিয়েছে,পাখিকে
দিয়েছে উড়ার স্বাধীনতা, ইচ্ছে উড়াল
দিয়ে জাতিঙ্গারপাখি হও তাতেও তার
নীরব সম্মতি না হলে একটিও পাখি
খাঁচা ছেড়ে কোথাও যেতো না।
সম্রাট আপনি সম্রাট আপনি রাজা
আপনার চোখ থেকে কেন আলো
ঠিকরে বের হয় না?আগুন ঝরে না কেন?
ভেতরের সব লাভা কোথায় হারিয়ে
আপনি সম্রাট, আমাদের বিপন্ন সংকট।
২৪:১২:২০১৭
রাত:০৭:১৫মি
কাঞ্চনপুর।
কোথায় হারিয়ে গেলো রাজা
[24/12/2019, 6 pm] GOBINDA DHAR: ভালোবাসী তবুও ভালোবাসী মানুষ
গোবিন্দ ধর
মানুষকে মানুষ ভাবতে ভাবতে আমিই নিঃস্ব খুব।
খালি খালি লাগে পিত্ত পড়া সামন্য হৃদয়।
মানুষের কাছে যাই,মানুষকে বসাই মাথার উপর।
মানুষকে মানুষ ভাবি মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখি।
নিজের ছোট মানুষকে আর বড় মানুষ করতে শিখি বৃক্ষলিপি।
বৃক্ষের মতো ডালপালা ছড়াই আরো ছড়াই ছায়া।
ছায়া ছড়াতে ছড়াতে গাছ থেকে বৃক্ষলিপি শিখি।
নিজের কু থেকে পরিত্রাণে নতজানু হই বৃক্ষের নিকট।
বাড়াই ভালোবাসার মন্ত্র। ভালোবাসী মানুষ।
মানুষের প্রতি আগাত বিশ্বাস রাখি।
বিশ্বাস করি কোথাও ছিদ্র পথে নল এসে না ঢুকেন।
সকল সংকটে যাই মানুষের নিকট নিরাময় চাইতে।
নিরাময় চাই দুহাত তুলে নিরাময় চাই অসুস্থ সময়ের।
কাছেদূরের সকল মানুষের নিকট ভাইরাল করি ভালোবাসার যাদুমন্ত্র।
মন্ত্র তারা মেনে নিয়ে ভালো সাজেন।তারপর
দিন যায়।রাত যায়।গভীর হয় মানুষের প্রতি বিশ্বাস।
বিশ্বাস করতে করতে সব অন্ধকার মেলে দিলে,
মোক্ষম ছোবল আসে মানুষের নিকট থেকে।
যাপনের সকল শিক্ষা এসে থেমে যায়
মানুষের ছল আর বুদ্ধিদীপ্ত চরিত্রের দ্বৈত আনন্দের নিকট।হেরে যাই।নিঃস্ব হয়ে যাই।
ভালো মানুষের বিশ্বাসের মুদ্রাগুলো ক্রমশ
কেমন ফেকাসে কালো মরারক্তের মতো জমে যায়।
নিজের নিকট নিজেই লজ্জিত হই।
এরকম বির্মষ থাকতে থাকতে একদিন নিজেকে নিজেই সান্তনা দিই। প্রবোধ দিই।
শুয়ে থাকা শরীরকে কষ্টে সৃষ্টে দাঁড় করাই।
হাঁটতে শুরু করি।আবার হাঁটি।হাঁটি হাঁটি করি।
নিজেকে নিজের নিকট তরোয়ালের ধার দিই।
শিখতে থাকি মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখার গল্প।
বিশ্বাস করি। বিশ্বাস করি মানুষ।ভালোবাসী।
আমার জমানো উষ্ণতা পাঠাই মানুষের নিকট।
রিলিফ ক্যাম্প মনে করে কেউ কেউ ত্রাণ নেন।
শেষমেশ একই রকম ছায়া দিতে দিতে নিজেই প্রসারিত হই।
আমার সকল ছায়া প্রখর রোদ আগলে রাখে।
ছায়ায় ছায়ায় বাড়ে মানুষের ক্রমশ ভোগবিলাস।
তারপর যথারীতি আবারও পরাজিত হই।
মানুষকে বিশ্বাস করতে করতে বৃক্ষ হতে চেয়েছিলাম।
মানুষের অরন্যবিলাস খাবলে রক্তাক্ত করে সরলতা
মানুষই দূরে সরে যায় সকল আলোর বিপ্রতীপে।
২৪:১২:২০১৯
সন্ধ্যা:০৫:১০মি
কুমারঘাট।
[25/12/2019, 7:32 am] GOBINDA DHAR: নৌকাপথ
চৈতন্য ফকির
গঠনতন্ত্র মেনেই সব দিয়েছি
তুমি তাও অন্যস্রোতে সাঁতার কাটো!
২৫:১২:২০১৭
ভোর:৪:৫৫মি
কাঞ্চনপুর।
[25/12/2019, 7:15 pm] GOBINDA DHAR: শব্দবিশারদ,শ্রী অভীককুমার
চৈতন্য ফকির
এখনও শব্দ হয় মাটির।
মাটি তো চিরকাল শব্দ করে।
মাটি বাজে।
বাজায়।মাটির বাজনাকেই
প্রকৃত আওয়াজ বলে।
তুমি তার আওয়াজ শুনো।
আওয়াজ থেকে গান হয়।
আওয়াজ হলো শব্দ।
শব্দ ব্রহ্ম।সুরেলা অসুখ লেগে
মাটিও বেজে উঠলে ফসলের গানে
চরাচর জেগে থাকে।
তখন মাটির খুব কাছাকাছি
কোন এক বিদ্যুৎ নেই
গ্রামের নাম চড়কবাই-এর
এক কবির কথা মনে পড়ে।
সে জাতক শ্রী অভীককুমার ।
এ গ্রামের মুক্তিপুরুষ।
২৫:১২:২০১৯
ছবি সম্পাদক :চৈতন্য ফকির।
[25/12/2019, 11:59 pm] GOBINDA DHAR: যুগশঙ্খের জন্যে পাঠালাম
গোবিন্দ ধরের এগুচ্ছ অনু-পরমাণু
(১)
একলাইনার
মন খারাপ হলে আকাশ একমাত্র ভরসা।
১২:১০:২০১৬
(২)
রাই
ছুঁয়ে দিলেই আমি কৃষ্ণতরল।
১২/১০/১৬
দেওপাড়
সময়:৫টা।
(৩)
ডাক দিলে দূরে যাও
রাই রাই বলে ডাকি।
মুখ ঘুরিয়ে হাঁটো?
ব্যয়াকরণ মানি না,
গ্রামারেই ফাঁকি?
১২/১০/১৬#দেওপাড়#
সকাল:১০:২৫মি।
(৪)
রক্তঝরার পাঠ(২)
সন্তানের মুখের হাসি কমে গেলে
অসহায় পিতার বুক
ভাঙা নৌকোর মৃতকাঠ।
২৬:০৭:২০১৯
সন্ধ্যা :০৬:৪৫মি
ব্যাঙ্গালুর
(৫)
উপলব্ধি
সম্পর্কে প্রাণ থাকলে, টান থাকে ;
সময়-দূরত্ব-ব্যস্ততা হার মানে ...
(৬)
পূর্বজ
প্রেম অপরাধ নয়।
পূর্ব নিধার্রিত শাস্তি।
১৮/১০/২০১৬
সময়:৪:১০মি।
(৭)
কৃষ্ণপক্ষ
বিদায়ের সময় বিয়োগ চাওনি
হৃদয়ে গেঁথে রাখলাম
চাঁদেরগুড়ো।
কুমারঘাট
১৯/১০/২০১৬
সকাল:৬:৪৫মি।
(৮)
খন্ড
ভাগ করতে করতে নিজেই ফতুর,রয়েছি
খন্ডবালক
কালখন্ডে লিখি শুধু পাললিক মেঘ।
২২/১০/২০১৬
সময়:৯:৩০মি।
কুমারঘাট।
(৯)
দেহতত্ত্ব
শরীরের আছে দেহ
দেহেরও শরীর।
দেহও ফু্ঁসে উঠে
শরীরও ব্যতিক্রম নয়
জং ধরা বারুদ থেকে চাই একটু বারুদ।
২২/১০/২০১৬
সময়:১১:২৫মি।
রাতাছড়া।
(১০)
সাতটি তারার আলো
(১)
পদ্যলেখা
নিজেকে হত্যা করার আনন্দই আলাদা।
(২)প্রেম
ছলনার কী আছে,মেখেছি চাঁদেরকণা।
(৩)অক্ষর ক্ষরণ
রক্তাক্ত করে জীবন তুলে দিই রাতের কাছে। রাতেও ক্ষরণ বুঝে না তুমি এমন ভ্যামপেয়ার!আরো ঝরুক,আরো...তুমি তখন থাকো বিপদসীমায়।
(৪)পূর্বরাগ
খুব করে যে শ্রাবণ চাও
এখন আশ্বিন জানলে না তাও?
চলেই এলো কাত্তিক মাস।
সব মাসেতেই সর্বনাস!
(৫)মন্ত্রলেখা
কবিতা আসলেই হত্যাপ্রবণ ভূস্বর্গ।
(৬)প্রেম
প্রতিটি মুহূর্তই কৌটোয় রেখো দেওয়া চাঁদের ভগ্নাংশ।
(৭)পূর্বরাগ
আমিও আমার নয়,জানি।
তবু কী মায়া
সবই তুমি ময়।
২০১৬-১৮
(১১)
ওয়েটিং লিষ্ট
কোন আইডেন্টি চাইনি
ওয়েটিং লিষ্ট মানি না।
যদি আসতেই চাও,তো
একটি পথ বানিয়ে নাও।
২৬:১০:২০১৭
বেলা:১:৪৫মি
রাজেন্দ্রনগর।
(১২)
বাবা
বাবা আর আমার মাঝে একটি সেতু
বাবা কোনদিন আর্থিক সচ্ছল ছিলেন না
আমিও নয়।
অন্য সব বিষয়ে বাবা ও আমি ভিন্ন স্টেশনের যাত্রী।
৩১:১০:২০১৮
রাত:০৯:৪৩মি
কুমারঘাট।
(১৩)
স্রোতস্বী
নদির মতোই আপনি একটি কবিতা।
৩১/১০/২০১৬#সকাল:৮:৩০মি।
কুমারঘাট
(১৪)
আত্মরতি
চ
লো
নি
জে
কে
দে
খি।
আ
র
প্রে
মে
প
ড়ি।
(১৫)
বুকের পশম
পশম গুলো পোষ মানে না বাতাস লেগেছে।
বিলিকাটা দুপুর গড়িয়ে সময় হিসহিস
খোঁজে একলা দ্বাপর।
কুমারঘাট
০২:১১:১৬
সময়:৫:১৫মি।
(১৬)
ব্রা
হুগ খুলতে রক্তাক্ত করে
অসতর্ক সেপ্টিপিন।
০৪/১১/১৬
দেওহাট
সময়:৬:৩৫মি।
(১৭)
সাপলুডো
জীবন শুধু সাপলুডো খেলা।
১২:১১:২০১৭
সকাল:৯:৩০মি
বাঁধারঘাট।
(১৮)
লুডো
মই চড়ে উপরে উঠবে ভেবো না
সাপের মুখ পেরিয়ে ওঠা
এত সহজ নয়।
(১৯)
ভাত
ভাতের স্বপ্নে দিনগুলো যায়
ভাতের নেশা সারাক্ষণই
সবুজ থেকে হলদে দেহ
ভাতের জন্য একলাটি হই।
১৩:১১:২০১৮
বেলা:১টা
রাজেন্দ্রনগর।
(২০)
ভাষা
ঠিকঠাক অনুবাদ করে রাত্রির গভীরে যাওয়া খুব খুব কঠিন।তবু আমরা চিরকাল প্রয়াস চালিয়ে যাই।রাত্রির ভাষা বুঝি না।এ এক অরণ্যসুন্দর।ভালো লাগা কেবল ভালা লাগা বেদনাবোধ।
১৪/১১/২০১৫
(২১)
পদ্য
পাখিটি খাঁচায় রাখিনি।
রেখেছি বুকে।
বুকের উষ্ণতায় সে ছট ফট করে।
ফুড়ুৎ দিলো উড়াল।
উড়ে যাওয়া পাখির দিকে চেয়ে থাকি।
১৪/১১/২০১৭
(২২)
পদ্যরাগ
যে শহর তোমার জীবন।
সে শহর থেকে ঝরে পড়ে নকল ইট।
১৯:১১:২০১৭
রাত:১১:০৭মি
(২৩)
পাখি
হারমোনিয়াম থেকে পাখিটি গান শেখাবার কথা ছিলো সে নিজেই গান হয়ে গেলো।
রিড থেকে ঝরে পড়ে নুনজল।
১৯:১১:২০১৭
রাত:১০:৫৯মি
(২৪)
মধ্যরাতের পদ্যাণু
রাত গভীর হলে হৃদডুবাতে মাছের খলবল।
তখন ধীবর জাল নিয়ে এলে পায়কি ডুবার তল?
২০:১১:২০১৮
রাত:০৭:২০মি
কুমারঘাট।
(২৫)
একলাইনার
এক.
আনন্দবিন্দুতে যে ফসল থাকে তারই চাষ বারোমাস।
দুই.
জীবনের শহর থেকে ঝরে পড়ে নকল ইট।
তিন.
পাখিটি গান শেখাতে গিয়ে গান হয়ে গেলো।
চার.
হারমোনিয়াম-রিড থেকে ঝরে পড়ে নুনজল।
পাঁচ.
ছবিমুড়ায় মায়াকীয়া মায়াপাহাড়।
ছয়.
নিদ্রাকাতর নির্ঘুম সময়ের চোখ।
সাত.
সুরের মুর্ছায় অনন্তশায়নে যায় প্রিয়ফুল।
আট.
এক একটি রিডের ভেতর ঘুমপরি অচেতন।
নয়.
গানের শ্রাবণ তুমি মায়ামেঘ।
দশ.
শ্রাবণ জুড়ে পদ্মার মনসামঙ্গল।
অসুস্থ মানুষের শহর কৃষ্ণনগর।
২০১১:২০১৮
রাত:০৭:৪০মি
কুমারঘাট।
(২৬)
হাট
যে যায় তাকে যেত দাও
হাট করে খুলে দাও খিড়কি।
যে কেউ আসুক যাক
উন্মুক্ত দোয়ার।
২৫:১১:২০১৭
সকাল:৭:২৫মি
মানিকভান্ডার।
[27/12/2019, 9:44 am] GOBINDA DHAR: অসুখ থেকে বাঁচার পাটীগণিত
গোবিন্দ ধর
কারো জীবনের সাথে যুক্ত হওয়ার আগে শতবার ভেবে নেওয়া প্রয়োজন আপনি তার জন্য সত্যি যুক্ত হতে চাইছেন তো?
যদি কোথাও এমন দূরাভিলাষীতা উড্ডয়নশীলতায় আপনি যুক্ত হয়ে থাকেন তারপর তার জীবনকে খুবলে খাবলে কতদিন নিজের আনন্দ লুটেপুটে নিতে চান, যখন বাকল হয়ে গেলো লোকটা তখন তাকে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করে দিতে চান,আর আপনি চৈতন্যবাণী দিতে দিতে আপনার চরিত্র প্রকাশ করতে চান তাহলে তো বুঝেশুনেই ভালোবাসা উচিত?
আপনি হয়তো নতুন কাউকে আবার আবার আপনার জীবনে গ্রহণ করে দিব্বি ভালোমানুষ সেজে যাবেন কিন্ত যে লোকটির সাথে আপনি একাত্ম হয়েছিলেন।রণেবনে বগল দাবা হয়ে ছবি হয়েছিলেন কিংবা আরো কত কি ঘনিষ্ঠ হয়ে গেলেন তাকে ছোবড়া করার মানে টা কি?
তারপর আপনার রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের সকল উদারতার কথা মনে পড়ে গেলে কি করা যাবে?
কোন মানুষকে ভালোবাসতেই হবে এমন কোন শর্ত কেউ কাউকে দিচ্ছে না।কিন্তু ভালোবেসে তাকে আবার ত্যাগ করার কোন কারণ ছাড়াই ত্যাগ করে তাকে আপনি নীতি আদর্শ শেখানোর এত দায়িত্ব নিচ্ছেন এ থেকে কি প্রমাণ হয়?আপনি এতই নীতিবাগীশ, ধার্মিক কিংবা আদর্শবাণ?
আপনার যদি এত নীতিমালা নীতিগত পরিবর্তন থেকেই থাকে তাহলে কেনই বা কোন এক লোকের সাথে ভালোবাসার অভিনয় করে তার মনের গভীর অতলে প্রবেশ করবেন?কেনই বা একজন মানুষের মনের দরজায় আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করবেন বেঁচে থাকার নিজস্ব ধারাপাত?
কোন মানুষ কোন মানুষের কাছাকাছি আসার প্রস্তাব দিতে পারে।মানুষ তো চিরকাল অতিবৈবাহিক।সমাজের চোখে আইনের চোখে যতই এক স্ত্রী ময় স্বামীর আস্ফালন সমাজে-রাষ্ট্রে দেখা যায় তবুও বলি স্ত্রী পুরুষ প্রায় সকলেই মনে মনে অসংখ্য বিবাহে আবদ্ধ। তা লোকের চোখকে ফাঁকি দিতে পারলেও নিজস্ব বিচার ভাবনাকে তো ফাঁকি দেওয়ার জু নেই।
সুতরাং আপনি হয়তো এসব আইনি বেড়াজাল টপকে কাউকে নিকট করে নিলেন।তারপর আপনার নিকট আত্মীয়ের নিকট ধরা পড়লেন, কিংবা আপনি লোকটি থেকে আরো দায়িত্বশীল কাউকে জীবনের উৎসবে কাছে পেলেন ঠিক তখন থেকেই আপনার আচার আচরণ চরিত্র এমন কি জীবনচক্রের পরিবর্তন শুরু করলেন। ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। আপনি বললেন এসব ঠিক নয়।আপনি নিজেও আর এসবে নেই। লোকটাকেও পরামর্শ দিলেন পরম ক্রীয়া থেকে জীবনকে অন্য দিশায় নিয়ে যেতে।অথচ আপনি ঠিক আরো উন্নত দায়িত্বশীল কাউকে নির্বাচন করে জীবনকে আনন্দময় করে খাচ্ছেন দাচ্ছেন ঘুমোচ্ছেন অফিশ যাচ্ছেন। সব ঠিক আপনার।অথচ যে লোকটিকে কদিন ভালোবাসার অভিনয় করে কাছে নিয়ে ওর জীবনকে তচনচ করে লোকটাকে ছিবড়া করে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করলেন তাকে উপদেশ আর কাঁচকলা দিচ্ছেন এতে তো লোকটি বেঁচে বেঁচে মরে গেলো।তার কিন্তু আত্মদহন পর্বে আপনি আরো ঘৃতযোগে মত্তহাতির তচচন চালাচ্ছেন জেনে-বুঝে।
এইসব ঘটার আগেই কি একজন মানুষ বুঝে নেওয়া উচিত নয় জীবন হয়তো কারো জন্য আটকে থাকে না কিন্তু ঝড়ে লণ্ডভণ্ড জীবনকে গুচিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা এক কঠিন বেদনাদায়ক পর্ব।
এই রকম কারো জীবনকে তচনচ করার বৈধতা তো কেউ কাউকে দিচ্ছে না। তাও যদি নিজের সুখই সব মনে করে আপাতদৃষ্টিতে নিজের সুখকেই কেউ গুরুত্ব দিয়ে চলে তার নিকট মানুষের মনের গভীরতার অসুখ থেকে বাঁচানোর কোন মেডিসিন থাকে না।
কবি হিমাদ্রি দেব তাই বলেন:
"ভালোবাসার কোন মন্ত্রে তাবৎ অসুখ সেরে যায়।"
যদি কেউ কাউকে ভালোবাসতে চায় তো স্বার্থহীনভাবেই ভালেবাসা উচিত। কোন রকম দোষত্রুটি ছাড়া কেউ কাউকে যেমন ভালোবাসার দরকার নেই তেমনি বর্জনেরই কি দরকার বরং গ্রহণ করার আগেই যদি ভাবা যায়।এতে হয়তো কেউ কারো জীবন তচনচ করার আর দরকার হবে না।
আমি আমার মতো থাকার,অধিকার যেমন আছে তুমিও তোমার মতো থাকার অধিকার নিশ্চিত আছে।কিন্ত কেউ কারো জীবনে রোলার চালানো ভারতীয় শাসনব্যবস্থায় নিশ্চিত বৈধ্য নয়।
২৭:১২:২০১৯
বেলা:০৯৩০মি
কুমারঘাট।
[29/12/2019, 2:47 pm] GOBINDA DHAR: পদ্যাণু
চৈতন্য ফকির
সেন্ডেরেলা আজও জুতো রেখে যায়।
২৯:১২:২০১৭
বিকেল:৪:৩০মি
কুমারঘাট।
[30/12/2019, 7:31 am] GOBINDA DHAR: বিশ্বাস বিষয়ক
চৈতন্য ফকির
মানুষের বিশ্বাস থেকে বঞ্চিত হলে কিংবা বিশ্বাস ভঙ্গ করলে আপনি যতবড়ই হোন, কবি কিংবা আরো বড় কিছু আসলে আপনার কিছুই হয়নি।আপনি বড় হবার প্রথম শর্ত অন্যের কাছে বিশ্বাসী করে তুলা।বিশ্বাস আপনার শত্রু নয়।কিন্তু বন্ধুও নয়।তাকে বন্ধু করা যায় আবার শত্রুর আসনেও বসানো যায়।আপনি কোথায় বসাবেন তা আপনার নিজস্ব বিষয়।শুধু নিজেকে যতটা পারা যায় পরিচ্ছন্ন রাখা জীবনেরই একটি পার্ট।
ছবি:চৈতন্য ফকির।
৩০/১২/২০১৬
[30/12/2019, 8:04 am] GOBINDA DHAR: বিশ্বপ্রেমিক
গোবিন্দ ধর
সকল সুন্দর্যই আমার প্রিয়
আর সকল প্রিয়ই আমার
প্রেমিকা।
[30/12/2019, 8:05 am] GOBINDA DHAR: পাঠ
গোবিন্দ ধর
স্ক্যা্ণ্ডেল পিছু ছাড়ছে কই
ক্যাণ্ডেল জ্বালিয়েও আলো
পাইনি।
[30/12/2019, 8:06 am] GOBINDA DHAR: পদ্যাণু
চৈতন্য ফকির
সম্পর্কের তুলো এত হালকা হয়।
উড়ে গেলে হাওয়ায় ভেসে যায়।
৩০:১২:২০১৭
রাত:১০:০৯মি
কুমারঘাট।
[30/12/2019, 8:06 am] GOBINDA DHAR: সময়
চৈতন্য ফকির
চুপ
লুট হচ্ছে
মানবতা
একতার!
চুপ
লুট হচ্ছে
এখন সময়
নীরবতার!
৩০:১২:২০১৮
[30/12/2019, 8:07 am] GOBINDA DHAR: সংগীতদিদিমনি-১২
চৈতন্য ফকির
রোদছায়ায় ছায়াশরীরি তুমি সংগীত দিদিমনি।
মুখে রোদ ছবিতে তোমায় অপরূপা লাগছে।
গলায় নজরুল ভাটিয়ালি রবীন্দ্রনাথ বসে আছেন
গায়কীতে মাতিয়েছো ভূবন,তুমি ভূবনমোহিনী।
একদিন আসবো তোমার ভূবনে,শুনবো বসে
আমার প্রিয় কণ্ঠে নজরুল রবীন্দ্রনাথ।
বৈঠকী আড্ডায় একদিন সারাদিন যায় যাক
সময় তো বয়েই যায় বসে থাকি কিংবা শুয়ে থাকি।
সেদিন ঝরে পড়া রবীন্দ্রনাথ ঝরে পড়া নজরুল
ফুল কুঁড়ানোর মতো গেঁথে নেবো হৃদমাঝারে।
দিদিমনি দিদিমনি তুমি শুনিও সেদিন সুরের ঝর্ণা
আমার না সাধা সময় যেন এমনি চলে ঠুমকি তালে।
৩০:১২ঃ২০১৮
বেলা:২ঃ৫০মি
মশাউলি,কাঞ্চনবাড়ি।
[31/12/2019, 8:34 am] GOBINDA DHAR: দেওবাহিত বিকেল
চৈতন্য ফকির
বছরের শেষ বিকেলের আলোর মতো
পুরানো সব চাওয়াকে
দেওনদীর জলে বিসর্জন দিলাম।
আলো ডুবে যাওয়া সূর্যের কাছে
কোন প্রত্যাশা নাই।
সব কিছু জলের কাছে তুলে দিলাম
যাও আশা
যাও স্বপ্ন
যাও জলে মিশে যাও।
দেওবাহিত জলের কাছে চাওয়ার
আর কিছু নাই।
স্বপ্নের বীজে এঁকেছি স্বপ্ন হীনতার সূর্য।
৩১:১২:২০১৭
সন্ধ্যা:৫:৪৫মি
দেওপাড়া
[31/12/2019, 6:35 pm] GOBINDA DHAR: সংগীতদিদিমনি-১২
চৈতন্য ফকির
রোদছায়ায় ছায়াশরীরি তুমি সংগীত দিদিমনি।
মুখে রোদ ছবিতে তোমায় অপরূপা লাগছে।
গলায় নজরুল ভাটিয়ালি রবীন্দ্রনাথ বসে আছেন
গায়কীতে মাতিয়েছো ভূবন,তুমি ভূবনমোহিনী।
একদিন আসবো তোমার ভূবনে,শুনবো বসে
আমার প্রিয় কণ্ঠে নজরুল রবীন্দ্রনাথ।
বৈঠকী আড্ডায় একদিন সারাদিন যায় যাক
সময় তো বয়েই যায় বসে থাকি কিংবা শুয়ে থাকি।
সেদিন ঝরে পড়া রবীন্দ্রনাথ ঝরে পড়া নজরুল
ফুল কুঁড়ানোর মতো গেঁথে নেবো হৃদমাঝারে।
দিদিমনি দিদিমনি তুমি শুনিও সেদিন সুরের ঝর্ণা
আমার না সাধা সময় যেন এমনি চলে ঠুমকি তালে।
৩০:১২ঃ২০১৮
বেলা:২ঃ৫০মি
মশাউলি,কাঞ্চনবাড়ি।
[01/01/2020, 11:19 am] GOBINDA DHAR: সঞ্জীব দে
চৈতন্য ফকির
কোথাও অদৃশ্য আঙুল তুলে কেউ
লালস্রোত দমাতে কার্যত নির্দেশ দিলে
তুমি গেরিলা যুদ্ধের গল্প বলে দিও।
কার্যত আমাদের পথই ভরসা।
পথ থেকে পা পিছলে গেলে দিকভ্রম
মরুমায়ায় থমকে যাবে জীবনের গান।
জীবন গরিফাক্যাম্প,তুমি আমি সৈনিক
এই থেকেই যুদ্ধ হোক শুরু,সহযোদ্ধা।
০১লা জানুয়ারি :২০২০
সময়:০৯:৩০মি
রাজেন্দ্রনগর।
[01/01/2020, 11:26 am] GOBINDA DHAR: কবি নির্মল দত্তের বাবার আত্মার শান্তি কামনা
আমাদের চির চাওয়া
নির্মলদা
বছরের শুরুতেই এই বিষাদ,মনটা খারাপ করে দিলো।
আমরা খুবই মর্মাহত।এমন সংবাদ এই সকালেই মনটা বেদনায় ভার করে দিলো।পরে ফোন করবো।আমি সত্যি ভারাক্রান্ত।
[01/01/2020, 12:21 pm] GOBINDA DHAR: সংগীতদিদিমনি-১২
চৈতন্য ফকির
রোদছায়ায় ছায়াশরীরি তুমি সংগীত দিদিমনি।
মুখে রোদ ছবিতে তোমায় অপরূপা লাগছে।
গলায় নজরুল ভাটিয়ালি রবীন্দ্রনাথ বসে আছেন
গায়কীতে মাতিয়েছো ভূবন,তুমি ভূবনমোহিনী।
একদিন আসবো তোমার ভূবনে,শুনবো বসে
আমার প্রিয় কণ্ঠে নজরুল রবীন্দ্রনাথ।
বৈঠকী আড্ডায় একদিন সারাদিন যায় যাক
সময় তো বয়েই যায় বসে থাকি কিংবা শুয়ে থাকি।
সেদিন ঝরে পড়া রবীন্দ্রনাথ ঝরে পড়া নজরুল
ফুল কুঁড়ানোর মতো গেঁথে নেবো হৃদমাঝারে।
দিদিমনি দিদিমনি তুমি শুনিও সেদিন সুরের ঝর্ণা
আমার না সাধা সময় যেন এমনি চলে ঠুমকি তালে।
৩০:১২ঃ২০১৮
বেলা:২ঃ৫০মি
মশাউলি,কাঞ্চনবাড়ি।
[02/01/2020, 12:00 am] GOBINDA DHAR: প্রেক্ষিত
গোবিন্দ ধর
সৃজনকর্তা কামুক হলে প্রকৃত বনলতা হারিয়ে যায়।
০১-০১-২০২০
রাতঃ১১:৫৮মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 3:55 am] GOBINDA DHAR: শেখ রাসেল
গোবিন্দ ধর
আমি মায়ের কাছে যাবো
রাসেল বলেছিলো,
হাসু আপার কাছে যাবো
রাসেল বলেছিলো।
রাসেল একটি কুড়ি, ফুল
টগবগিয়ে ফুটে,
বাংলা জুড়ে হাজার মুজিব
সেদিন পথে ছুটে।
আওয়াজ ওরা থামিয়ে দিলে
লক্ষ আওয়াজ ঠোঁটে,
আওয়াজ ওরা থামিয়ে দিলে
রাসেল জেগে উঠে।
ঠিকানা
গোবিন্দ ধর
হালাইমুড়া
কুমারঘাট
ঊনকোটি
ত্রিপুরা,ভারতঃ৭৯৯২৬৪
ফোন:+৯১৯৪৩৬১৬৭২৩১
[02/01/2020, 8:49 am] GOBINDA DHAR: উজ্জ্বয়ন্ত প্রাসাদ
চৈতন্য ফকির
হাঁটতে হাঁটতে ইতিহাস লেগে যায় পায়ে।
প্রাচীরের ইটের ভেতর কথা বলে জনগন।
রাণী দাসদাসী কর্তা ঠাকুরকর্তা সকলের শলা
পাঠ করতে করতে প্রতিটি কোঠরের ভেতর
কান পাতি।শুনি ইতিহাস।রাজার রাজধানী বদল।
শত্রুজয়।পরাজয়।ভাইয়ের হিংসার কাছে ভাই
রাজপাট তুলে দিয়ে কেমন চলে যেতে পারেন
উজ্জ্বয়ন্তের শরীর সে ইতিহাস বলে দেয়।
রাজা কেমন মিশে যান হসম ভোজে
রক্তের দাগ স্রোত হয়ে নামে গোমতীর জলে।
সেই জলও ফুঁসে লাল ঢেউয়ে ঢেউয়ে।
ধীরে ধীরে সকল রাজার পোশাক আমার শরীরে
লেগে আমিই রাজা হই।মনে হয় আমি রাজা।
রাজার সকল সু আমি গ্রহণ করি।রাজার
সকল শুভ সময় নিমিষে আমি দেখি।
আর হাঁটতে হাঁটতে সারা প্রাসাদের গুপ্ত গৃহের
ভেতর কান্না শুনি অসহায় প্রজার।
আমি ফিরে আসি গুপ্ত ঘর থেকে।
রাজার পোশাক খুলে ফেলি। চিৎকার করি
আমি রাজা নয়।আমি রাজা নয়।
আমি একজন মানুষ।আমি মানুষ।
পাঁচশ বছর পরেও ইটে লেগে থাকা
ঘাম থেকে যে ঘ্রাণ নাকে লাগে
আমি সেই মানুষ।আমি ত্রিপুরী।
২:১:২০১৮
রাত:৭:৫৫মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:50 am] GOBINDA DHAR: গান(বিরহ)
কথা:চৈতন্য ফকির
সুর:শামসুল আলম সেলিম
একবার আসো বন্ধু দেওনদী শহরে
মনের বাঁশি বাজে কেবল কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে।
তুমি বন্ধু থাকো অনেক দূরে
আমার মন কান্দে যাই যমুনার জলে।
আমার মন বলে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কোথায় পাই বন্ধু বলো না আমারে।
জলের কলসী ঢেলে আমি আবার ভরতে
যমুনা যাই শূন্য কলসী ফেলে ঘরের মাঝারে।
আমার মনের বান্ধব কৃষ্ণ কানাই
একবার আসো বন্ধু দেওনদী শহরে।
এবার পেলে রাখবো ধরে
কৃষ্ণ কালা বুকের পিঞ্জরে।
০২:০১ঃ২০১৯
বেলাঃ০১ঃ৫৫মি
রাজেন্দ্রনগর।
[02/01/2020, 8:51 am] GOBINDA DHAR: পদ্যাণু
চৈতন্য ফকির
অন্ধকারে সময় এসে চাঁদ লেগে যায়।
২:১:২০১৮
রাত:৯:৪৫মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:51 am] GOBINDA DHAR: ভাষাতত্ত্ব
চৈতন্য ফকির
তোমার বাক্যের ভেতর অস্ত্র লুকানো আছে।
কোনদিকে হেলে আছো দেওনদী বলে দেয়।
২:১:২০১৮
রাত:৮:২০মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:52 am] GOBINDA DHAR: পদ্যাণু
চৈতন্য ফকির
রাতের চাঁদ তুমি সাম্যবাদী।
২:১:২০১৮
রাত:৭:১৫
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:52 am] GOBINDA DHAR: একশ % vs একশ %
চৈতন্য ফকির
মেয়ে মেয়েই।সকল স্ত্রী বাচক স্ত্রীই।
পুরুষ পুরুষই।পুরুষ বাচক পুরুষই।
প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গায় সুন্দর।প্রত্যেকেই একা-ই একশ।মেয়েরা মেয়েদের জায়গায় একশ ভাগ।পুরুষররা পুরুষের জায়গায় একশ।কেউ কারো কেন্দ্র নয়।কেউ কারো নিয়ন্ত্রক নয়।পুরুষ পুরুষের জায়গায় ১০০%।মেয়েরা মেয়েরাও ১০০%।সুতরাং আমি পুরুষ বলে বাড়তি সমিহ পাওয়ার ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করা কিংবা শারীরিক শক্তি প্রয়োগ বাঞ্চিত নয়।মহিলাদের বেলাও সমান ভাবে চলা প্রয়োজন।সময়ের সাথে সাথে আজকের পুরুষরাও একটু সমিহ আদায় করার চেষ্টা করেন না এমন নয়।আবার মহিলারাও সমিহ আদায়ের বাড়তি চেষ্টা চরিত করেন না এমনও নয়।আমি পুরুষববাদী কিংবা আমি স্ত্রী বাদী এরকম সমাজ ভাবনা ডিঙ্গিয়ে বরং আমরা মানবতাবাদী হওয়া দরকার।কিন্তু সমাজ সংকটময় সংকীর্ণতার জালে আবদ্ধ এখনো।এই সংকট থেকে আমাদের উত্তরণের চেষ্টা করা দরকার।হ্যাঁ নিশ্চয়ই কেউ কেউ বেশি সচেতন পুরুষ আবার কেউ কেউ বেশি সচেতন মেয়ে।এই বাড়তি কিছুর মোহ আমাদের কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে একটু ভাবনার প্রয়োজন বৈকি।কারন বাড়তি কিছু পাওয়ার মোহ থেকেই সেচ্ছাচারিতার বীজ অঙ্কুরোদগম হয় বলেই অধিকাংশ সমাজ বিজ্ঞানীর ধারণা।
২:১:২০১৮
সকাল:১০:৫৫মি।
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:53 am] GOBINDA DHAR: আনন্দবালিকা
চৈতন্য ফকির
বিষন্নরাত তুমি নেবে না জানি
তুমি আনন্দ কুড়ানো বালিকা।
সাতচল্লিশ বছর পেরিয়েও কেউ
কথা রাখতে আসেনি।না তুমিও না।
রেডিমেট সভ্যতার চাই আনন্দনগর
নগর সভ্যতার কাছে সামন্য ধনেপাতার ঘ্রাণ
এমন কিছু নয় তার চাই ফ্রিসফাই।
পাতাকপি চিংড়ি কিংবা কাঁটাডাটার চচ্চড়ি
হতে পারে শ্রীহট্টীয় শুটকীর ঘ্রাণসহযোগে
রসনার স্বাদ।সবই হয়।হয় না
বিষন্নতার চুলের ভেতর তোমার নরম
আঙ্গুল চালনা আর কার্নিশে বসে
আগামীর স্বপ্ন দেখা।তবুও জীবন
মৃতনদীর মতো জল নাই অপেক্ষা।
অপেক্ষার রাত বড় দীর্ঘ হয়।দীখল তার সময়।
উপর উপর মন হাওয়ায় ভেসে গেলে
যে চড়ুই দানা খুঁজতে ঝড়ের দুপুরকে উপেক্ষা করে
তুমি তার খবর রাখো না
তোমার চাই আগুন।দেশলাই জ্বালিয়ে
অন্ধকার পেরনো সময় ফুরিয়েছে এখন।
এখন আনন্দনগর থেকে কিছু আনন্দ নিয়ে
আনন্দবালিকা তুমি।
০১:০১:২০১৮
রাত:১১:৫০মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 8:56 am] GOBINDA DHAR: বন্ধু ভালো থেকো
চৈতন্য ফকির
আমি তোমার ভালোবাসায় সিক্ত বন্ধু।এতটা আদর আর ভালোবাসো কেন।আমি কি তার উপযুক্ত।আমি নগন্য।তোমার ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ।
আমি কি বলে তোমার ভালোবাসার প্রতিদান ফেরত দেবো খুঁজে পাই না।
আমি জানি ভালোবাসা আদর আর প্রেমের বন্ধুত্বের কোন প্রতিদান হয় না।
তবু এতটা ঋৃণ রেখে যাই, যদি চলে যাই।যদি মরে যাই।তাতেও আবার তোমার ভালোবাসার জন্য তোমার কাছেই আসতে হবে।
তুমি ভালো থাকো।
অনেক অনেক অনেক ভালো থাকো।আর এগিয়ে যাও।
আমার যা আছে তা দিয়েও এই কামনা করি।
বিশ্বাস করি তুমি শিল্প জগতের চরম উচ্চতায় উন্নীত হবে।এ আমার বিশ্বাস।
সকাল সকাল তোমার কথা খুব মনে পড়লো বন্ধু।
আমার প্রাণ ঢালা আদর ভালোবাসা আর, আর আর সব দিলাম।
শুভসকাল বন্ধু।
২/০১/২০১৭
[02/01/2020, 5:57 pm] GOBINDA DHAR: কাঁটা
চৈতন্য ফকির
কাঁটাময় শরীর থেকে রক্ত ঝরুক,রক্তাক্ত
হতে হতেই মৃত্যু আসন্ন হোক।
কণ্টকময় সময় পেরিয়ে মুক্ত হওয়া খুব
কঠিন খুব কঠিন।
তুমিও চেয়েছো রক্তাক্ত হতে,হচ্ছি।
বেশ কাঁটার মালা পরে সামনে হাঁটছি।
সারাক্ষণ শরীর মনন থেকে টুপটাপ
ঝরছে শোনিত।
আর তুমি গাধার মতো হাসছো,হাসো খিলখিল হাসো হাসতে হাসতে রক্তাক্ত করতে পারছো,বেশ।
লালন করি এরকমই এক বিপন্ন বিস্ময়।
যার লালন থেকে শরীর জর্জরিত হবে।
ক্রমশ আমি পাথর হয়ে উঠবো,দেখো।
০২:০১:২০২০
সন্ধ্যা:০৫টা ৪০ মি
কুমারঘাট।
[02/01/2020, 6:09 pm] GOBINDA DHAR: রাত চারটে
গোবিন্দ ধর
রাত চারটে এখন।রাত চারটা বাজলো
এই কিছুক্ষণ।
এই সময়কে রাত বলে?
নাকি নিশুতিরাত,নাকি সকাল?
চারদিকে ঝিঁঝির ডাক।
থেকে থেকে কুকুর চিৎকার করছে।
রাতপাখি ডাকছে।
একটানা কিরকম শব্দ কানে ভুভু করছে।
কান কি তাহলে ঝালাপালা হয়ে যাবে?
এই শব্দপুরাণ থেকে আপাতত কোন নিরাপদ জায়গা নেই।
আমার ঘুমের দিন দিন বারোটা বেজে আছে।
রাতে ভালো ঘুম না হলে নির্ঘাৎ নিশিপেঁচা
ডেকে উঠবে একদিন।
বহুদিন আমি ঠিকঠাক রাতে ঘুমাই না।
ঘুম আসে না।
ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে যায় কোন এক নিশিরাত।
এরকম অন্ধকারে সজাগ, দীর্ঘদিন।
কখনো সারারাত।
কখন মাঝ রাতে বিছানায় এদিকওদিক
পাশফিরি।রাত বাড়ে।রাত আরো বাড়ে।
গভীর হয়।ঘনঅন্ধকার রাত
আর ভুভু শব্দ কানে লাগে।
মাঝে মাঝে নিশিপেঁচা ডাকে।
কখনো পাড়ায় গাড়ি হর্ণবাজিয়ে চলে যায় বেপাড়ায়।
অন্ধকারে আমিই এক প্রাগৈতিহাসিক দেওনদী।
দেওনদীর জলের কল্লোল শুনি রাত গভীর হলে
দেও আসে আমার খাটের নিকট।
আসলে জলের কল্লোল বিছানার নিরাপদ। খানখান করে
সাংঘাতিক বিকট শব্দে কলকল বাহিত
আর আমি দেওনদীর শেওলা জীবন কাটাই।
আমার মাথামুণ্ডু অআকখ জীবন
এরকমই বারোটা বাজিয়ে চলে প্রতিরার।
আমার পাড়ার নাম হালাইমুড়া।
গ্রামীণ শহর কুমারঘাটের হালাইমুড়া
দীর্ঘ দিন রাত আছি।
তাও বারবার জুরী আসে
মনু আসে।
কানে কানে কালো মেয়েটি ডাকে।
কানে কানে সেই মেয়েটি ডাকে।
কানেকানে আমার মেয়েটি ডাকে।
মেয়ে একবার ডেকেই বেপাড়ায় চলে যায়।
এই দেওনদীশহরে এখনো মেয়েটি ডেকে গেলো
অন্য পাড়ার বকাটের বাইকে।
আমি আর বলি না কিছুই।
আমি আর বলি না 'কি কথা তাহার সাথে।'
আমার রাতদিন একা একা সহস্র নিজেকে
নিজের নিকট থেকে পালাতে দিই
রাত হলে নিকট কুণ্ডলী পাকিয়ে
শুয়ে-বসে থাকে।
আমি দূরদূর করি।
হাজার আমি আমার নিকট কেমন শুয়ে থাকে।
রাত বাড়ে।
রাত কখন সকাল হয়ে আসে।
প্রাগৈতিহাসিক রাত থেকে অন্ধকার অসুখ
সারিয়ে তুলার স্বপ্ন দেখি।
সারারাত বুকে পাথর এসে বসে থাকে,গভীর অন্ধকার।
০১:০১:২০২০
রাত:৪টা
কুমারঘাট।
[03/01/2020, 7:08 am] GOBINDA DHAR: প্রত্যয়
(শ্রদ্ধেয় মানিক সরকার করকমলেষু)
চৈতন্য ফকির
চোখ ঠিকরে বেরিয়ে পড়ছে গভীর প্রত্যয়।
শরীর থেকে মুখ থেকে ঝরছে গণমানুষেরসুর।
সকালের রঙ মেখে পড়শির ঘরে আসবে
সংযম স্নেহ আর মানবিক মূল্যবোধের ভোর।
৩:১:২০১৮
সজাল:৮:৫০মি
কুমারঘাট।
[03/01/2020, 10:36 am] GOBINDA DHAR: দেওবাহিত বিকেল
চৈতন্য ফকির
বছরের শেষ বিকেলের আলোর মতো
পুরানো সব চাওয়াকে
দেওনদীর জলে বিসর্জন দিলাম।
আলো ডুবে যাওয়া সূর্যের কাছে
কোন প্রত্যাশা নাই।
সব কিছু জলের কাছে তুলে দিলাম
যাও আশা
যাও স্বপ্ন
যাও জলে মিশে যাও।
দেওবাহিত জলের কাছে চাওয়ার
আর কিছু নাই।
স্বপ্নের বীজে এঁকেছি স্বপ্ন হীনতার সূর্য।
৩১:১২:২০১৭
সন্ধ্যা:৫:৪৫মি
দেওপাড়া
[04/01/2020, 8:16 pm] GOBINDA DHAR: টার্নবাজি
চৈতন্য ফকির
সাপও মারবো
লাঠিও ভাঙ্গবো না
দ্বৈতবাদীদের একটা সুবিধা আছে।
সাপও মারবো
লাঠিও ভাঙ্গবো
অর্থাৎ সাপ ও লাঠি
দুটোই শেষ করবো
এমন নীতি যারা মানেন
তাদের অসুবিধেও আছে।
আপনি কোন দলে আমার বুঝতে
অসুবিধে নেই।
আর ভালো কাজেও দল আছে
এটা যেমন ঠিক
তেমনি অযথাই বিতর্ক তুলে দাও
তাতেও কিছুজন দলবল নিয়ে
ঝাঁপিয়ে পড়েন।
খারাপ লাগে যখন দেখা যায় ঐ দলে
ঠিকেদার ঠিকেদারী করছেন।
শ্রমিকরা নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে
শুধু কাজ আর কাজ করছেন
তৃতীয় পক্ষ চোখ টিপছেন
আর আপনি কলকাটি নাড়ছেন
গভীর গোপনে
কিন্তু সব বেরিয়ে আসছে সাপের গর্ত থেকে।
এসব কাউকে খুব বেশিদূর নিয়ে যায় না।
[05/01/2020, 3:55 am] GOBINDA DHAR: রক্তঝরার পাঠ
গোবিন্দ ধর
এক.
আর কোন লেখালেখি নয়
বই নয়
মায়া নয়
জীবন বুঝেছি কচুপাতার জল।
পিতার বুকের ভেতর ঢুকে গেলে ঘুনপোকা
আকাশ সীমিত হয়ে যায়।
সাতরঙা ভোরের সকাল কেমন ফিকে লাগে।
কোন এক বোধের ভেতর মরে গেলো
স্বপ্ন আঁকা পথ।
সকলেই ধ্রুবলণ্ঠন মনে করে পথের ভাষায় হাসে
পথ কেবলই পথ
তার কোন পথ নেই প্রকৃত পাঠ নেই
অপাঠ্য সময়।
সময়ের গড্ডালিকা মানি না
তাও সময়ের নিকট অসহায় পিতা
সন্তানের মুখের ছবিতে সূর্য না দেখলে
ডজার খুবলে নেওয়া হৃদয় থেকে টুপটাপ
রক্তঝরার দিনগুলো সাগরের নুন মনে হয়।
২৫:০৭:২০১৯
সকাল:০৭৩০মি
নিমহান্স,ব্যাঙ্গালুর।
[05/01/2020, 9:29 pm] GOBINDA DHAR: দেওনদীসমগ্র:২০
চৈতন্য ফকির
চোখের ভেতর দুঃখ জলের নদী আছে?
কান্না হয়ে নামতে চায়?
আটকে রাখো।
আটকে রাখো।
মিথ্যে কোন মায়ার ছায়া ভুলেও যদি মাড়িয়ে থেকো।
পা তুলে নাও
পা তুলে নাও
মরুমায়া টুটাল মায়া আসলেই তা জল নয়।
জলের ভেতর কান্না থামাও এক ফুটা আর অশ্রু না
মায়া এক বিরল নারী ধানের দুধের প্রোটিন খেকো।
০৬:০২:২০১৮
রাত:০২:২০মি
কুমারঘাট।
[07/01/2020, 10:55 am] GOBINDA DHAR: প্রত্যয়
চৈতন্য ফকির
চালাকি দ্বারা মহত্তর কোন কিছুই হয় না।
সরলতা কোন দূর্বলতা নয়।
অধিকার দিলে উইথড্র প্রসেসিং
কোন কালেই সরলতা নয়।
জীবন থেকে পাঠ নিতে নিতে
কতটুক নিঃস্ব হলে
প্রকৃত ঐশীদের চেনা যায়।
এরকম ঘোরে ঘোরে জীবন তাহলে
পুতুল নাচের ইতিকথা?
০৭:০১:২০২০
সকাল:০৫:৩০মি
কুমারঘাট।
[08/01/2020, 7:45 am] GOBINDA DHAR: এই সময় আমি ও আমার প্রতিবেশ
চৈতন্য ফকির
যতদিন কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক রাজনৈতিক লাভ ক্ষতির অংকে অবস্থান করবে ততদিন ভারত ভারতবর্ষ হবে না।রাজ্য হবে কেন্দ্র কর্তৃক রাজনৈতিক লাঞ্চনার স্বীকার।
৮:১:২০১৮
সকাল:৭:২৫মি
আগরতলা।
[08/01/2020, 7:47 am] GOBINDA DHAR: বার্বিডল
চৈতন্য ফকির
এই শীতে পাইনি আমলকি বাগান।
বিচ্ছেদ কিছু বিপ্রতীপ সরীসৃপ শরীর।
মন নেই মন নেই সময় ঘোড়ার মত ঘাস খায়
আস্তাবলের মাঠের ভেতর।
ঘাসের ডগায় লেগে থাকা শিশির থেকে
যে মুখ ডিগবাজি খায়
যোগেন্দ্রনগর টু জিবিবাজার
বিশ্ববিদ্যালয় টু বিজয়কুমার
গণরাজ টু মঠচৌমুহনী
মঠচৌমুহনী টু ধলেশ্বর কলোনী
অসংখ্য জার্নিই জীবনের গান?
ঘোড়া তার পথ পাল্টে সময় ডিঙ্গাতে চায়
সময় শীতের দিকে ফেরি করা হাঁস।
লেপমুড়ি জীবন থেকে জীবনানন্দ হারিয়ে গেলে
বনলতা তুমি ঘাস খাওয়া তেপান্তর।
কাঁটাতার পেরিয়েও পাঠাও তোমার ঘাস?
এতটা ঘোড়া নয় যতটা মাঠ
তবুও কি তোমার ঘাসের নিকট তৃণ খুঁজে
যায়নি অশ্বারোহণ শেষে পরিশ্রান্ত কেউ
তথাপি তুমি শুধু মন নেই একখানা বার্বিডল?
৮:১:২০১৮
সকাল:৮:৪৫মি
নতুন নগর,আগরতলা।
[09/01/2020, 6:34 am] GOBINDA DHAR: পরিমাপ
গোবিন্দ ধর
মানুষকে চেনার কোন যন্ত্র নেই।
কাছের জন পর হয়।
দূরের জন নিকট।
সব কিছু মাপা গেলেও
সম্পর্ক মাপা সহজ নয়।
তুমি ভাবছো সব মেপে নিয়েছো
ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা দেখে।
আসলে ভেতরে অনেক লাভা
অস্থির,শুধু কি ফাঁটলেই
বেরিয়ে পড়ে আগ্নেয়গিরি?
০৮/০১/২০১৭
রাত:১২:০১মি।
[11/01/2020, 10:59 am] GOBINDA DHAR: কাঁটাতার
চৈতন্য ফকির
কিছু স্বপ্ন আমার বাবা ওপারে রেখে গেছেন।
বাবার বাবাও কিছু স্বপ্ন ওপারে দেখতেন।
তাঁর বাবাও কিছু স্বপ্ন বুনতেন ওপারেই।
৫২র ভাষা আন্দোলনের আগে বাবার বাবা
আমাদের সকল স্বপ্নকে পাঁজাকোলা করে
এপারে নিয়ে আসেন।
তখনও কাঁটাতার দুই দেশের সীমানায় বসেনি।
বাবা চাতলা বর্ডার ক্রস করে
তাঁর প্রেমিকাকে ফুল দিতে পারতেন।
আমার কিছু মনের মানুষ ওপারে থাকেন
আমি ফুল নিয়ে কাঁটাতারে আসতেই
পাখির মতো সীমানা ভেদ করতে পারি না।
আমার ফুলগুলো সময় মতো প্রিয়জনের কাছে
দিতে পারি না।
আমার স্বপ্নের মতো ফুলও হেজেমজে যায়।
১১:০১:২০১৮
ভোর:৫:৪০মি
কুমারঘাট।
[12/01/2020, 8:27 am] GOBINDA DHAR: আপনাকে,কানেকানে
#
গোবিন্দ ধর
অনেক বন্ধু আসলে বন্ধু নয় মিত্র নয়
ভাবছো তাহলে শত্রু ,না তা ঠিক নয়
তারা আপনার পতনে বগল বাজায়
উত্থানে নিরুত্তাপ।বুঝবেন আপনি
হয় এগুচ্ছেন নাহয় পিছুচ্ছেন।
যখন হর্ণবাজিয়ে কেউ চলে যাবে
আপনার কাঁধ বরাবর,এইসকল
শব্দ কিন্তু আপনাকে সতর্কই করছে।
সড়ক সপ্তাহের সংকেতগুলো মনে
রাখবেন।আর এগিয়ে যান।লিলিপুট
আপনার ধর্তব্যের বিষয় নয়।
[12/01/2020, 2:14 pm] GOBINDA DHAR: উজ্জ্বয়ন্ত প্রাসাদ
চৈতন্য ফকির
হাঁটতে হাঁটতে ইতিহাস লেগে যায় পায়ে।
প্রাচীরের ইটের ভেতর কথা বলে জনগন।
রাণী দাসদাসী কর্তা ঠাকুরকর্তা সকলের শলা
পাঠ করতে করতে প্রতিটি কোঠরের ভেতর
কান পাতি।শুনি ইতিহাস।রাজার রাজধানী বদল।
শত্রুজয়।পরাজয়।ভাইয়ের হিংসার কাছে ভাই
রাজপাট তুলে দিয়ে কেমন চলে যেতে পারেন
উজ্জ্বয়ন্তের শরীর সে ইতিহাস বলে দেয়।
রাজা কেমন মিশে যান হসম ভোজে
রক্তের দাগ স্রোত হয়ে নামে গোমতীর জলে।
সেই জলও ফুঁসে লাল ঢেউয়ে ঢেউয়ে।
ধীরে ধীরে সকল রাজার পোশাক আমার শরীরে
লেগে আমিই রাজা হই।মনে হয় আমি রাজা।
রাজার সকল সু আমি গ্রহণ করি।রাজার
সকল শুভ সময় নিমিষে আমি দেখি।
আর হাঁটতে হাঁটতে সারা প্রাসাদের গুপ্ত গৃহের
ভেতর কান্না শুনি অসহায় প্রজার।
আমি ফিরে আসি গুপ্ত ঘর থেকে।
রাজার পোশাক খুলে ফেলি। চিৎকার করি
আমি রাজা নয়।আমি রাজা নয়।
আমি একজন মানুষ।আমি মানুষ।
পাঁচশ বছর পরেও ইটে লেগে থাকা
ঘাম থেকে যে ঘ্রাণ নাকে লাগে
আমি সেই মানুষ।আমি ত্রিপুরী।
২:১:২০১৮
রাত:৭:৫৫মি
কুমারঘাট।
[13/01/2020, 10:43 am] GOBINDA DHAR: ভূগোলদিদিমণি
চৈতন্য ফকির
ঠিক যেখান থেকে আপনার অক্ষরেখা বদলে গেলো
ঠিক সেখানেই কর্কটক্রান্তিরেখা মুখদ্রাঘিমার উপর
সূক্ষ্মতম এক বৃত্তাংশ অথচ তার বাইরেই চেনা গোলক।
শীতকালে সাড়ে তেইশ ডিগ্রী হেলে আছেন মকরক্রান্তিতে
গ্রীষ্মকাল এলে সাড়ে ছেষট্টি ডিগ্রী বিষুবরেখায় গতিপথ।
আপনার আহ্নিকগতি আমাকে শেখায় সূর্যোদয়।
আপনার বার্ষিকগতি আমাকে শেখায় নতুন বছরের গল্প।
আমি সেদিন একটু হেলে ছিলাম জ্যোৎস্নার কার্নিভালে
যেখান থেকে পৃথিবীর জোয়ারভাটা হয়।
১৩:০১:২০১৮
ভোর:৬:৩০মি
নতুননগর,আগরতলা।
শিল্পী:স্বপন নন্দী।
ফটোগ্রাফ :গৌরব ধর।
[14/01/2020, 9:19 am] GOBINDA DHAR: প্রিয়তমা
চৈতন্য ফকির
আঁকতে গিয়ে এঁকেছি আনন্দদোতারা।আর ঝরা ফুলের অশ্রু।বুকে লেগে ছুরিকাহত, কেটে গেলো প্রেম।এখন আমরা দুদিকে মুখ করে ক্রমাগত হাঁটছি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নিজস্ব গোয়ালে।গেলো গেলো মনে করে দোতারাই নেই। আছে শুধু রক্তমাংসের কিছুটা ঘৃণা। থুথু লেপ্টে পড়ে আছে বাসী পুষ্প ও টগর।
মলিনতার নিকট হেরে গেলো সকল পূর্বরাগ।এখন রাগ অনুরাগ সকল রজঃগুণ তমসা আচ্ছন্ন একটুকরো অন্ধকারকে পতাকা ভেবে ঘাম মুছতে গিয়ে বাসী স্বপ্নের ঘ্রাণ নাকে এসে দেশ দেশ যে তীব্র আতর ছিলো তা মনে হয়।
আগুন জ্বলছে। মা পুড়ছে।মানুষ পুড়ছে।প্রিয়তমা অহংকার পুড়ছে।সকল বিশ্বাসে নদী নেই। নাব্যতা নেই। আছে এক গভীর দ্রোহ।
এখান থেকেই পালিয়েগেলো আকাশ রঙের পাখিটি।এখন তুমি নেই পড়ে আছে পুড়ে যাওয়া জ্বলসানো চাঁদ। আলো নেই আলো নেই মলিন মুখের গভীরে এক কৃষ্ণ অন্ধকার থেকে আর কোন জাদুবাস্তবতার গান নেই বুড়োচণ্ডিদাস।
১৪:০১:২০২০
রাত:০৪টা
কুমারঘাট।
[14/01/2020, 9:56 am] GOBINDA DHAR: বঙ্গবন্ধুর দেশ
গোবিন্দ ধর
একটি নামের ভেতর শক্তি আছে
বঙ্গবন্ধু।
একটি দেশের ভেতর বাংলাভাষা
বঙ্গবন্ধু।
একটি দেশের ভেতর সকল মানুষ
স্বপ্ন দেখে।
একটি দেশের ভেতর সকল মানুষ
সজাগ জেগে।
বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
জয়বাংলা জয়বাংলা জয়বাংলা
সবার কণ্ঠে সজীব।
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
জয় বাংলাদেশ।
বাংলা ভাষার বাংলা ভাষার বাংলা ভাষার
বঙ্গবন্ধুর দেশ।
১৪:০১:২০২০
সকাল:০৯টা ৫০মি
রাজেন্দ্রনগর।
[14/01/2020, 11:22 am] GOBINDA DHAR: ধ্রুবক
চৈতন্য ফকির
প্রতিটি সঙ্গমেই ধর্ষণ লেখা থাকে
আর সন্তানের কান্না
গুড়ো দুধের মতো ঝরে যায়।
নিজের ছায়ার নিকট হেরে যায়
আত্মার ক্রন্দন।
এসকল যাপন থেকে পাঠ করি
বৃক্ষের দিনলিপি।
১৪:০১:২০২০
[14/01/2020, 11:35 am] GOBINDA DHAR: মহাশ্বেতা
চৈতন্য ফকির
মানুষের নিকট প্রকৃত মানুষ হতে হতে
একদিন অন্যসুর তুলে চলে গেলে
আর কোন ভুল বর্ণমালা নেই।
তোমাকে আঁকতাম সময়ের আত্মার মতো।
যার সন্তান বলে মৃত্যুর পরেও
মানুষের মতো বাঁচতে চাই।
এই পোড়া দেশ থেকে
কবে আবার লাল সূর্য কিরণ দেবে
কে জানে?
হাজার সূর্য আঁকতে আঁকতে
নিজেই সূর্য হয়ে জ্বলতে জ্বলতে
হঠাৎ নিভে গেলে
গভীর অন্ধকার আলিঙ্গন করে
মানুষের মজ্জায়।
তুমি এই সব মজ্জায় সুড়সুড়ি দিতে দিতে
একদিন ঈষৎ ঢলে গেলে পশ্চিমে।
১৪:০১:২০২০
সকাল:১০:৪০ মি
রাজেন্দ্রনগর।
[14/01/2020, 3:41 pm] GOBINDA DHAR: গীতশ্রী
চৈতন্য ফকির
গানে গানে কত কথা
কত ব্যথা
জীবনের বর্ণমালাগুলো
একদিন আর কিরণবালার আলো জ্বালবে না।
তখনও জ্বলে ওঠো আকাশ ভেদ করে
মাঝ আকাশে জ্বলজ্বল তারা।
১৪:১:২০২০
সকালঃ১১টা
রাজেন্দ্র নগর।
[17/01/2020, 10:55 am] GOBINDA DHAR: দেশ সিরিজ-এক
গোবিন্দ ধর
বারবার ফিরে যাই বারবার ফিরে যাই
বেশ এনজয় করছো এই কাকুতিমিনতি।
বেশ তো এনজয় করো।
নদীগর্ভে ভেঙে পড়া নৌকোর পতন কার ভালো লাগে বলো?
তাও বারবার ফিরে ফিরে যাই দেশজননীর নিকট।
তার আদর ও আমন্ত্রণ আমাকে নাগরিক করে
ভোটদানের সুযোগ করে দিয়েছিলো।
এরকম এক বৈধ্য অধিকার পাঠ করতে করতে
শনিছড়া থেকে খেরেংজুড়ি টিপটিপ বৃষ্টিদিন
এবং খুব সহসা চলে যাবে
মিশন রোডের রাবার পাতার মর্মরধ্বনি?
বুকের কোথাও নদীজলে ঢেউ দেবো না বাঁশপাতা মাছ?
দেশ দেশ হাবুডুবু এই আমি ডিটেনশন বালক।
১৭:০১:২০২০
সময়:১০:৫০মি
রাজেন্দ্রনগর।
[17/01/2020, 10:57 am] GOBINDA DHAR: ডহরলাগা ঘুরের গল্প
চৈতন্য ফকির
দেওনদীর ডহর থেকে একদিন সমস্ত পাণীয়
ক্লাক্সীর মায়াবী পাহাড় চড়ে মেঘের দেশে যায়।
তারপর টুপটাপ অবিরত পড়ে কিচকবৃষ্টি।
জাম্পুই থেকে এই হাতছানি প্রতিনিয়ত পাই
মিজো মেয়ের টোলপড়া কমলালেবুর মতো আমন্ত্রণ
হৃদয়ের ক্ষরণ থেকে নীল নীল এই অনাসৃষ্টি।
তারপর ঐ যে বালক আইবুড়ো ছেলেটির মাতলামি
দেওনদীর কাছে এসে হাঁটুভাঙা দয়ের মতো বাঁক নিয়ে
মনুতে মিশে যায় সকল উৎরাতে না পারা ক্ষোভ।
কলাপাতায় লিখে দিতে চায় গিনিস রেকর্ড!
সে জানে না দেও-মনু ততটা দরিদ্র নয়
যতটা পাণীয় চাই গিলে খাবে এই প্রবাহিত স্রোত।
বালক জানে না রাজধরের আত্মহত্যার সংকল্পলেখা
রাজমালায় রচনা হয় এরকমই ঘুরের ইতিহাস।
নিজের আত্মহত্যা লিখে যেতে ডহর থেকে জল তুলে
এসো পান করো ডহরের জলোচ্ছ্বাস,গাধাজন্ম সার্থক হবে।
১৭:০২:২০২০
সময়:১০:১৫মি
রাজেন্দ্রনগর।
[17/01/2020, 1:39 pm] GOBINDA DHAR: দেশ সিরিজ-২
গোবিন্দ ধর
প্লীজ চুপ থাকুন কেউ কথা বলো না।
এখন লিটল ম্যাগাজিন নিয়ে কথা বললে
আকথা কুকথা কটুকথা টকঝাল নোনতা
আচারের মতো কথা বিলিয়ে দেওয়া হয়।
প্লীজ কথা বলবেন না কেউ না
এখন বন্ধুরা বন্ধুক নিয়ে ঘুরেন।
চুপ থাকেন মুখে কুলুপ এঁটে।
মিথ্যার ফানুস উড়িয়ে সকল নাগরিকের
নাগরিক অধিকার কেড়ে নিতে
কেউ কেউ পেট পাতলামি করে।
আর দূরে একটু আড়ালে মুখ টিপে হাসে
আমার একপাতের বন্ধুরা।
দেশপ্রেমিক বন্ধুরা।
দেশ তাদের পৈত্রিক বসতবাড়ি।
বাকিরা না নাগরিক
না ভোটার এবং অবশ্যই দেশদ্রোহী!
১৭:০১:২০২০
সনয়:১২টা
রাজেন্দ্রনগর।
[18/01/2020, 1:07 am] GOBINDA DHAR: বিষকেতু নাথ
চৈতন্য ফকির
বিষকেতু নাথের বাড়ির নারায়ণ মন্দিরে
জন্ম নিয়েও ধর্মে মতিগতি নেই।
বাবার কোন আক্ষেপ ছিলো না।
মায়ের ছিলো না ধর্ম বিষয়ক এক্সট্রা টেনশন।
পাড়াময় এ বিষয়ে কোন ভ্রুক্ষেপও ছিলো না।
এখন দেশের অলিগলিতে শনিমন্দির।
রাস্তার মোড়ে মোড়ে হঠাৎ কেমন গজিয়ে যায়
শ্যামা মা কিংবা লোকনাথ বাবার মন্দির।
আমার বাবা কোন দিন মন্ত্রটন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন না।
মাকেও তেমন গীতা বেদ পড়তে দেখিনি।
বাবার বই পাঠের সখ ছিলো।মা বাবার পড়া শেষ হলে
গোগ্রাসে গিলতেন বাবার পাঠবাসী বই।
বাবার ভেতরে অসংখ্য বই ছিলো।
অবিভক্ত উত্তর জেলার ধর্মনগর পদ্মপুর অফিসটিলায়
বাবার পুরোনো বই পুঁথি পাণ্ডুলিপি বাঁধাইয়ের একটি দোকান ছিলো
বড়দা শ্রী নিত্যানন্দ ধরের নামেই তারও নাম
নিত্যানন্দ বাইন্ডিং হাউস।
বই সিলি করতে করতে আমাদেরকে রিপু দেওয়ার সময়
বাবা কখনো পাননি।মা জুড়াতালির সংসারে
একমাত্র পাঠশালা পাশ দিদিমণি হয়ে
আমাদের ভাইবোনদের বইয়ের মতো সিলি দিয়ে
মা যত্ন করে গড়েপিঠে তুললেও
দুমুখো সময়ের কাছে সকল পাঠদান নস্যি।
শুধু বিষকেতু নাথের কাঁঠাল গাছ আমাকে শিক্ষা দিলো
কাঁঠালপাতা ছাগলের খাদ্য হলেও মানুষের সেব্য
একমাত্র কাঁচাকাঁঠাল বিচি ও পাকা হলুদ কোষ।
বাকী আস্ত মুজিসহ তৃণভোজীর উত্তম আহার।
১৮:০১:২০২০
রাত:১২:৫৯মি
কুমারঘাট।
[19/01/2020, 7:07 am] GOBINDA DHAR: দেশ ছিলো ভারতবর্ষ
গোবিন্দ ধর
এক,.
এক দেশ ভাগ হয়ে
হলো শেষ
এক দেশ ভাগশেষ
ধর্মবেশ।?
দুই.
এক দেশ ছিলো
কত দেশ হলো
ভারত কোথায়
ভারতবর্ষ বলো?
তিন.
দেশ হবে স্বাধীন
রবে না পরাধীন
এই ছিলো আদর্শ
সাম্যের অধীন।
চার
তিনটি দেশ
তিনটি স্বদেশ
এক সাথে নেই
একটি স্বদেশ।
পাঁচ.
ধর্ম নিয়ে
তিনটি দেশ
এগিয়ে যাবে
ভাসছে বেশ!
ছয়.
বোনরা তখন
যুদ্ধে ছিলো।
বুর্খা পরে এখন
তারা মুখটি ঢাকলো!
সাত.
দেশকে বলতাম ভারতমা
বোনকে বোন আমরা
সে দেশেরই মা বোনেরা
মর্গে বাসী মরা!
১৯:০১:২০১৯
বেলা:০৮:২০মি
আমবাসা।
[19/01/2020, 7:08 am] GOBINDA DHAR: আপনাকে,কানেকানে
#
গোবিন্দ ধর
অনেক বন্ধু আসলে বন্ধু নয় মিত্র নয়
ভাবছো তাহলে শত্রু ,না তা ঠিক নয়
তারা আপনার পতনে বগল বাজায়
উত্থানে নিরুত্তাপ।বুঝবেন আপনি
হয় এগুচ্ছেন নাহয় পিছুচ্ছেন।
যখন হর্ণবাজিয়ে কেউ চলে যাবে
আপনার কাঁধ বরাবর,এইসকল
শব্দ কিন্তু আপনাকে সতর্কই করছে।
সড়ক সপ্তাহের সংকেতগুলো মনে
রাখবেন।আর এগিয়ে যান।লিলিপুট
আপনার ধর্তব্যের বিষয় নয়।
[19/01/2020, 10:56 am] GOBINDA DHAR: নদীর পলি
গোবিন্দ ধর
নদীর পলির নিকট সমর্পন করি জীবনকৃষি
চিরহরিৎ এই বনভূমি সবুজায়ন নয় জেনেও
একদিন ঢুকে পড়ে কৃষক।
কৃষকের গান গেয়ে উঠে লাঙলের ফলা।
তাও জেনে রাখা ভালো
জীবন কোন হেজেমজে যাওয়া বাউন্ডেলে বালকের তর্জনীর নিকট বেঁধে রাখা নয়।
জীবনের সকল স্রোত নিঃশব্দে শেষ হয়ে গেলে
আমরা নদীর পলির সমান।
১৯:০১:২০২০
সকলা:১০
কুমারঘাট।
[19/01/2020, 8:39 pm] GOBINDA DHAR: ভূগোলদিদিমণি
চৈতন্য ফকির
ঠিক যেখান থেকে আপনার অক্ষরেখা বদলে গেলো
ঠিক সেখানেই কর্কটক্রান্তিরেখা মুখদ্রাঘিমার উপর
সূক্ষ্মতম এক বৃত্তাংশ অথচ তার বাইরেই চেনা গোলক।
শীতকালে সাড়ে তেইশ ডিগ্রী হেলে আছেন মকরক্রান্তিতে
গ্রীষ্মকাল এলে সাড়ে ছেষট্টি ডিগ্রী বিষুবরেখায় গতিপথ।
আপনার আহ্নিকগতি আমাকে শেখায় সূর্যোদয়।
আপনার বার্ষিকগতি আমাকে শেখায় নতুন বছরের গল্প।
আমি সেদিন একটু হেলে ছিলাম জ্যোৎস্নার কার্নিভালে
যেখান থেকে পৃথিবীর জোয়ারভাটা হয়।
১৩:০১:২০১৮
ভোর:৬:৩০মি
নতুননগর,আগরতলা।
শিল্পী:স্বপন নন্দী।
ফটোগ্রাফ :গৌরব ধর।
[19/01/2020, 11:51 pm] GOBINDA DHAR: গোবিন্দ গোবিন্দ
গোবিন্দ ধর
গোবিন্দ গোবিন্দ বলে নিজেকে দেখো।
গোবিন্দ গোবিন্দ বলে অন্যকে দেখো।
গোবিন্দ গোবি
0 Comments