কবি ও কথাসাহিত্যিক কমলিকা মজুমদার এবং কবি কথাশ্রমিক গোবিন্দ ধর মুখোমুখি
কমলিকা মজুমদার: কবি ও কথাসাহিত্যিক কমলিকা মজুমদার
এবং
কবি কথাশ্রমিক গোবিন্দ ধর
মুখোমুখি
পেশায় রেলওয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, কিন্তু হৃদয়ের ভিতর ছুটে চলে একটা কবিতার রেলগাড়ি। জন্মেছেন আসামের এক পাহাড়ি শহরতলি লামডিং-এ। গুয়াহাটি নিবাসী এই কবির কলমের ডানা ছুঁয়েছে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ সহ ওপার বাংলার কাব্যজগত। চারটি কবিতা পত্রিকা ‘কুয়াশায় ভেজা টাইমলাইন’, ‘উইদ লাভ, কমলিকা’, ‘যে সিরিজ ও.টি.টি. দেখায় না’, এবং 'আধঘণ্টা মেঘ ছিল' তাঁর কাব্যকথা মেখে কালের গর্ভে নিক্ষেপ করা রয়েছে। এবং রয়েছে ‘Heir, I Am’ নামক একটি ইংরেজি উপন্যাসিকা।
সোশ্যাল মিডিয়া নামক ইন্দ্রজালের থেকে নিজেকে আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। অবসরে কখনো কবি ধরেন তুলি , কখনো বা রংপেন্সিল, অপটু হাতে আঁকেন জীবন। আর ভালোবাসেন বই, রাশি রাশি বই, ও তাঁদের অমোঘ গন্ধ।
গোবিন্দ ধর :১
যার হৃদয়ের ভেতর ছুটে কবিতার রেলগাড়ি সেই প্রেমিক কবির কবিতায় হৃদয় ও বুদ্ধিকৌশল থাকবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।তবুও খুব জানতে ইচ্ছে করে কবিতা কিভাবে ধরা দেয় আপনার নিকট?
কমলিকা মজুমদার:১: কবিতা কতটুকু আমার কাছে ধরা দেয় আমি জানি না, কিন্তু কবিতার কাছে নিজেকে মেলে ধরা যায়, ঠিক যেমন আছি সেভাবে। ধরা যাক একটা স্বপ্ন এই মাত্র ভেঙে গেল, অথবা এইমাত্র একটা স্বপ্ন পূরণ হল। ব্যস, মনে নেমে এল এক ঝাঁক আবেগ। এই আবেগ ধীরে ধীরে সময়ের গোলকধাঁধায় কিন্তু হারিয়ে যাবে। কিন্তু একে যদি একবার নিজের মনের কথা মিশিয়ে লিখে রাখা যায়, সে থেকে যায় তার সেই মুহূর্তর সত্তা নিয়ে। মনের মধ্যে তৈরি হওয়া মুহূর্তগুলোকে একটু কাছে রাখতে আমি কবিতার হাত ধরেছি।
গোবিন্দ ধর :২
হৃদয়ের উষ্ণতা হারিয়ে ফেললে কবিতা পাখির মতো উড়ে যায়। অথবা যখন হৃদয়ের ভেতর থেকে অনুভূতি হারিয়ে গেলেও কবিতা প্রকৃত কবি থেকে হারিয়ে যায়।কথাগুলোর আদৌও যৌক্তিক বিশ্লেষণ আছে?
কমলিকা মজুমদার :২
এই কথাটির দুটো দিক রয়েছে। কবিতার জন্যে হৃদয়ের অনুভূতি অবশ্যই দরকার। এ ছাড়া কবিতা কবিতা হয়ে উঠবে না, সে কিছু শব্দ সম্ভার হাতে নিয়ে সেজে থাকবে। কিন্তু তাই বলে এ কথাও মানতে হবে শুধু অনুভুতি দিয়ে কবি হয় না। তার জন্যেও মেধা, শ্রম ও অনুশীলন দরকার। হয়ত এর জন্যেই কবিতা রহস্যময়, এত তার অমোঘ টান।
গোবিন্দ ধর :৩
কবিতা হৃদয় ও বৌদ্ধিক যৌথ অনুশীলন নয়তো কবিতা কবিতা হয়ে ওঠা অসম্ভব। সে জন্য একজন কবির বা সৃজনশীলকর্তার কি করা প্রয়োজন?
কমলিকা মজুমদার :৩
আমি নিজেকে সেই অর্থে এখনও কবি মনে করি না, তাই কবির কি করা প্রয়োজন আমার পক্ষে বলা কষ্টকর। তবে আমি যা কিছু লেখা লেখির চেষ্টা করেছি এবং এই চলার পথে যে সকল গুণী মানুষের সাথে আলাপ হয়েছে, তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করেছি। সেই পথেই বুঝেছি লিখতে হলে পড়তে হবে, ভাল লেখা, খুব যত্ন সহকারে। আজকাল মানুষ নিজে পড়ে কম, অন্যকে পড়াতে চায় বেশি; সেখানেই যত ঝামেলা।
গোবিন্দ ধর:৪
পাঠের বিকল্প নেই। সে সকল সৃষ্টিশীলরা অবগত।কিন্তু নতুন লিখিয়েরা কেন শুধু লিখেই খুশি।পাঠে এত অনাগ্রহী? বা বলতে গেলে পাঠের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধির জন্য আমাদের কি করা প্রয়োজন?
কমলিকা মজুমদার :৪
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া যুগে লেখা ছাপা সহজ। সহজে নতুন লিখিয়ে মানুষের কাছে পৌছে যায়। নতুন লিখিয়ে কেউ ফেসবুকে দিলেন, আধা ঘন্টায় ৫টে লাইক ২টো কমেন্ট পকেটস্থ। এতে মন খুশি, লিখিয়েও খুশি। তারপর আবার নতুন পোস্ট, নতুন লাইক, নতুন ভাললাগা। এতেই অধিকাংশ আটকে পড়ে। তাই যারা সিরিয়াস লেখা লেখি করতে ইচ্ছুক, এই সহজ লাইকের চক্কর থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে। ভাবতে হবে কেন লিখছি? লেখা থেকে কি চাইছি? অন্যের লেখা না পড়লে জানব কি করে আমি কোথায় দাঁড়িয়ে? কে আমার পূর্বসূরি?
গোবিন্দ ধর :৫
যৌক্তিক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। লিখতে হলে তাহলে পূর্বসূরিকে জানতে হয়।সিরিয়াসলি লিখতে হলে তো অবশ্যই। কিন্তু আমাদের সময়ের নতুন লিখিয়েদের সে নিজস্ব বোধ নেই। কিন্তু কেন নেই বুঝতেও পারছি না।পাশাপাশি কেউ গাইড করলে অধিকাংশ নতুনদের মধ্যে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা থেকে নতুনদের বিচ্যুত হতে হবে।কিন্তু কেন জানি সময় বড্ড অস্থির। কিন্তু কেন?
কমলিকা মজুমদার :৫
প্রতিটি যুগ, প্রতিটা সময়ের ভাল খারাপ মিশে নিজেস্ব কিছু বিশেষত্ব থাকে, এখনেরও রয়েছে। তবে এর মধ্যেও তো কিছু কিছু নতুনরা সুন্দর লিখছেন। তাছাড়া, সকলেই তো কবি নয়।তাই, সকলকে দিয়ে কবিতা হয়ে উঠবে না, এটাই স্বাভাবিক। যে প্রকৃত কবি, তার লেখায় নিজস্ব বোধ সে নিজে থেকেই অর্জন করার লক্ষে হাটবেন, এ কথা সুনিশ্চিত।
গোবিন্দ ধর:৬
সে তো ঠিক। প্রকৃত পক্ষে যারা লিখতে আসবেন তাদের নিজেরাই নিজেকে তৈরী করতে হবে। সুরকার যেমন নিজে রেওয়াজ জারি রাখেন তেমনি লেখালেখি করতে হলেও যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে। বিকল্প নেই। লেখককে লেখক হয়ে উঠতে হলে কি করা প্রয়োজন বলে মনে করো?
কমলিকা মজুমদার :৬
লিখতে হলে সবার আগে যা দরকার তা হল অনুশীলন। প্রতিদিন নিয়মিত লেখা কে, নিজের কবিতা কে সময় দিতে হবে। আর ওই যে সিমেন্ট দিয়ে ঘর তৈরির পর যেমন জল দিয়ে ফেলে রাখে (কিউরিং),ঠিক তেমন লিখেই প্রকাশ না করে ফেলে রাখতে হবে। ঘুরে ঘুরে তার কাছে গিয়ে দেখতে হবে কতটুকু মজবুত হল বাঁধন।
গোবিন্দ ধর:৭
বাহ্ সুন্দর বিশ্লেষণ তো।বাঁধনই আসল বিষয়।সে সম্পর্কে বলো আর সৃজনেই বলো।কিংবা ইট সিমেন্টের গাঁথুনিতেই বলো।মজবুত বাঁধনই আসল বিষয়। আর এরজন্য মূল বিষয় নিজেকে তৈরীর অনুশীলন। সেই পাঠ।যাপন।এবার কিছু অন্য রকম কথাবার্তা হোক।এই যেমন কবে থেকে লেখালেখিতে হাতেখড়ি হলো? কিরকমই বা শুরুর শুরু?
কমলিকা মজুমদার :৭
সে এক অদ্ভুত গল্প। সাধারণত মানুষ স্কুল বা কলেজ জীবনে লেখা লেখি শুরু করে। তবে আমার ক্ষেত্রে সে শুরু হয়েছিল অনেক পড়ে। ছোটবেলা থেকেই আমি বইয়ের পোকা ছিলাম। পড়াশুনোর চাপেও গল্পের বই কাছছাড়া হয় নি। তারপর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া হল, রেলওয়ে তে চাকরী জীবনের শুরুতে আমার কবিতার হাতেখড়ি হল। হয়ত তখন পড়ার চাপ কমে গেছিল, বন্ধুরাও নিজেদের চাকরী জীবনে ব্যাস্ত, তাই মনে জমে ওঠা কথাদের কবিতার কাছে বলা শুরু করলাম। তবে সে লেখাগুলো এখন বুঝি একেবারেই অ-কবিতার দলে। তবু কাছের মানুষদের পড়ালাম, বলল পড়ে ভাল লাগছে। তার পর সময়ের হাত ধরে ছাপার অক্ষরে বেরিয়ে আসা।
গোবিন্দ ধর :৮
এখন অব্দি যা লিখেছো শুধু কবিতা? নাকি কবিতার পাশাপাশি গল্প উপন্যাস কিংবা প্রবন্ধ?
কমলিকা মজুমদার:৮
বাংলা ভাষায় আমি মূলত কবিতাই লিখেছি। মাঝে মাঝে অনুরোধে লিখেছি কিছু গল্প ও গদ্য। তবে এ ছাড়া ইংলিশ ভাষায় আমার একটি উপন্যাসিকা রয়েছে, ও রয়েছে কিছু গল্প।
গোবিন্দ ধর :৯
ও আচ্ছা।তাহলে ইংরেজি ভাষায় চর্চা করো।আমাদের জন্য উপন্যাসিকা বাংলায় অনুবাদ হোক।আর একটি গদ্য ও গল্প সংকলন হোক স্রোত প্রকাশনা থেকে। অবশ্য তুমি যদি দাও।পাশাপাশি আমি কবিতায়ও আগ্রহী। তোমার সামগ্রিক লেখালেখি নিয়ে তোমার সাবলীলতা সম্পর্কে কিছু বলো
তোমার সামগ্রিক লেখালেখি নিয়ে তোমার সাবলীলতা সম্পর্কে কিছু বলো।
কমলিকা মজুমদার :৯
আমার লেখা সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করতে চাই না। আমার কাজ লেখা, যা মন বলে তাই। পাঠকেরা যদি কোথাও নিজের মনের হাদিস খুঁজে পায়, সেখানেই আমি খুশি।
গোবিন্দ ধর :১০
কেন লিখ?
কমলিকা মজুমদার:১০
মন বলে তাই।
গোবিন্দ ধর:১১
তোমার ছোটবেলার দিনগুলো সম্পর্কে বিস্তৃত জানতে চাই?
কমলিকা মজুমদার :১১
ছোটবেলার গল্প বলা শুরু করলে বই হয়ে যাবে। আসলে আমার ছোটবেলা কেটেছে আসামের একটি আধ শহুরে জায়গা লামডিং-এ। বাবা মা দুজনেই রেল কর্মচারী হওয়ার সুবাদে আমার বড় হয়ে ওঠা কোয়ার্টারে নানা জায়গার নানা মানুষের মধ্যে। তার উপরে আমার মামা বাড়ি ও ছিল লামডিং শহরেই। তাই ছোট থেকেই গল্প করার লোকের অভাব ছিল না একেবারেই। আমার মা শিক্ষিকা ছিলেন, এবং তার চাইতে বড় ব্যাপার বাবা ছিলেন প্রকৃত অর্থে বই পোকা। এবং যথারীতি তাঁদের এই বইপ্রেম কখন যে আমার মাঝে চলে এল আমি জানি না। এক সময় ঘরে পুজোসংখ্যা এলে কাড়াকাড়ি পড়ত। তিনজনের সময় বাঁধা এবং রহস্য উপন্যাস পড়লে যে আগে শেষ করবে সে নিশপিশ করত বলে দেওয়ার জন্যে।
গোবিন্দ ধর:১২
স্কুল জীবন থেকে কলেজ ইউনিভার্সিটি কিংবা গবেষণা বিষয়ক আলোচনা শুনবো।
কমলিকা মজুমদার :১২
আমার স্কুল জীবন কেটেছে লামডিং-এই। প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির থেকে টেন পাস করে দুবছর বিজ্ঞান শাখায় পড়ি লামডিং কলেজে। তার পর জয়েন্ট দিয়ে চলে আসি গুয়াহাটির আসাম অভিযান্ত্রিক মহাবিদ্যালয়ে। এখানেই ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিগ্রী পড়ি , এবং তারপর মাস্টার্স । পড়াশুনোর জগতে আমি কিন্তু বেশ ভালো ছাত্রী হিসেবেই পরিচিত। তাই তেমন একটা রোমাঞ্চকর গল্প নেই এই ভাগে। শুধু একবার ই বাধা পেয়েছি এ জীবনে। ডিগ্রীর শেষ বছর শুরু হওয়ার মুহূর্তে হঠাৎ বাবাকে হারাই। এবং তাই একটা মনে দুঃখ থেকে যায় যে বাবা জানলো না আমার খবর।
গোবিন্দ ধর:১৩
কবিতার নিজস্ব বয়ন নিয়ে শুনতে চাই?
কমলিকা মজুমদার:১৩
আশা করছি, এটা আমার কাবিতা্র বয়ন সম্পর্কে বলছেন। সেটা আসে কয়েকটা জায়গা থেকে
প্রথমত, ভাষার ভাঙাচোরা জীবন। আমি চারটে ভাষার মধ্যে থাকি; বাংলা, অসমিয়া, ইংরেজি, হিন্দি। এরা কেউ শুদ্ধভাবে আসে না কবিতায়। সেই ফাঁকটাই আমার বুননের জায়গা। দ্বিতীয়ত, বাস্তব মানুষের শরীর। আমার কবিতায় মানুষ আদর্শ হয়ে আসে না। আসে ক্লান্ত হয়ে, ভুল করে, প্রেমে হারিয়ে, মায়ের সঙ্গে চুপ করে বসে থাকে।এবং তৃতীয়ত, ইতিহাসের দাগ। দেশভাগ আমার কাছে অধ্যায়ের নাম নয়, উত্তরাধিকার। সে দাগ কবিতায় সরাসরি আসে না, কিন্তু সুতোয় লেগে থাকে।
আর সবচেয়ে জরুরি যে কথা আমি কবিতা লিখি না, কবিতারা আমাকে লেখায়। একটা শব্দ বসালে দেখি, ওটা পাশের শব্দটার শ্বাস আটকে দিচ্ছে কি না। দিলে খুলে ফেলি।
গোবিন্দ ধর :১৪
এই যে শ্বাস আটকে যায় কি না তা একজন কবির নিকট ধরা পড়ে কখন?
কমলিকা মজুমদার:১৪
কোথাও পড়েছিলাম এক ডাকাত কচু কাটতে কাটতে গলা কাটা শিখেছিল। খুব বাজে উদাহরণ হলেও এই ব্যাপার টা তাই, লিখতে হবে, ছাপার জন্যে নয়, নিজের জন্যে। এবং অবশ্যই ভালো লেখা পড়তে হবে।
গোবিন্দ ধর :১৫
ঠিক।প্রচুর লেখতে হবে। প্রচুর পড়তে হবে। এই মন্ত্রই প্রকৃতপক্ষে লেখালেখির প্রথম এবং শেষ মন্ত্র। ছন্দ একটি কবিতাকে কীরকম দাঁড় করায়?
কমলিকা মজুমদার:১৫
ছন্দ হল কবিতার শিরদাঁড়া, যা ভর করে কাবিতাটি দাঁড়ায়। নাহলে তো তা মুক্ত গদ্য বা ব্যাক্তিগত গদ্য। ধরুন গান শুনছেন, তাল কেটে গেল, কেমন লাগবে শুনতে? কবিতার ক্ষেত্রে ছন্দ সেই রস টি কেই ধরে রাখে। অনেকে বলতেই পারেন যে অনেক বড় কবি ছন্দ ভেঙ্গে লিখেছেন, তা কি কবিতা নয়? কিন্তু এটা ভুলে ছন্দ গেলে চলবে না যে তাঁরা ছন্দ শিখে বুঝে এই ছন্দ ভাঙ্গার খেলায় নেমেছেন। যে কোন খেলায় আগে নিয়ম জানতে হবে, পটু হতে হবে, তার পর তুমি নিয়ম ভাঙ্গতে পারো। এখানেও তাই।
গোবিন্দ ধর :১৬
নিয়ম ভাঙতে হলে নিয়ম জানতে হবে এটা তো স্বাভাবিক। আসলে সব বিষয়েই নিয়ম খুব প্রয়োজন। যেখানে নিয়ম ভাঙে সেখানেই তাল কাটে।সে কবিতা গল্প সংসার প্রেম সর্বত্রই।ছন্দ আমাদের জীবনের সব জায়গায়ই।তারপরেও গদ্য কবিতায় কী ছন্দ নেই?
কমলিকা মজুমদার :১৬
যদি কবিতা হয় ছন্দ থাকবেই। গদ্য কবিতার ও থাকে তবে তা তার চিরাচরিত রূপে ধরা দেয় না
0 Comments