ধানের পাঁচালী :গোবিন্দ ধর
ধানের পাঁচালী
গোবিন্দ ধর
স্রোত প্রকাশনা
প্রচ্ছদ :
ক.বি.তা.ক্র.ম
বীজধান
ধানের পাঁচালী
ধানদানা
হৃদয়হাওর জুড়ে গভীর অসুখ
মাটির কবিতা:১
মাটির কবিতা :২
ডাস্টার
একটি জেদি পথ
অবশেষে
বত্রিশ নম্বর বাড়ি
চলো,হাত ধরো
মূর্তি
দেওনদীসমগ্র:২০
মৌলভীবাজার
সন্ধ্যাতারা
লক ডাউন vs হোমোস্যাপিয়েন্স
মা সমগ্রের কবিতা:১০
স্ক্যাণ্ডেল
দেশের বাড়ি
ত্রিপুরেশ্বরী এক্সপ্রেস
ভাষা আমার মাটি হয়ে গেলো
অক্ষরাস্ত্র
গোবিন্দ ধর একা অথবা শূন্য
চাষা
ধানের পাঁচালী
বিন্নিধান
ধানের পাঁচালি
গোবিন্দ ধর
এক.
মা ধান সেদ্ধ করেন উঠোনের কোণে
খড়ের আগুন নিভে ধোঁয়া বেরুচ্ছে
বাঁশের চোঙে ফু দিতে দিতে
মায়ের চোখ রক্তবর্ণ জবা।
দুই.
মায়ের স্বপ্ন সেদ্ধ হয়।
কলার মোচাও।
সকালের পাত পাড়তে পোকমরিচ
জুম থেকে লাফিয়ে চলে আসে
বাবার বাজারের থলে ভরে।
তিন.
আমাদের পূর্ব প্রজন্ম ধান ভানতে
কখনোই শিবের গীত গাইতেন না।
সকলেই ধান চাষা চাষাবাদ পেশা।
চার.
ধানের আগাচার মতো বাবার কয়েকজন
আগাছা বন্ধু ছিলেন।
বন্ধুদের অধিকাংশই ধানের আগাছা।
বিকল্প এখন অব্দি তুমিই মেধা।
পাঁচ.
উঠোনে শুকাতে দেওয়া ধান
গোরুমোষ খেত
আমাদের অতিবৃদ্ধ পিতা উদাসীন।
তিনি দেখেও না দেখার ভাণ করতেন।
বলতেন কত খাবে।
ছয়.
হালচাষে আমিও বাবার মতোই অপটু।
বাবা ও আমি তবুও চাষার পুত।
ধানগাছ পরিচর্যায় কেটে গেলো
গোটা এক ফতুর জীবন।
সাত.
ধানছড়া জমাতে জমাতে আমাদের
এক সের ধান হলে
বিনিময়ে ঠাকুরদাস মুড়ি দিত।
মা মোয়া গড়তেন।
মুখে পুরে সোনালী মায়ায় ধানছড়া খুঁজতাম।
আট.
ধানে দুধ এলে ঘরে ঘরে লক্ষ্মী আসতেন।
চালতাপাতায় সাধ বেঁধে ধান গাছে রাখা হতো।
তারপর অগ্রাণে ঘরে উঠতো গোলাভরা লক্ষ্মীধান।
নয়.
মাড়াই ঝাড়াই সেদ্ধকালে
তুমি নেই।
চাল হয়ে ধান গেলোহাঁড়িতে।
ভাত হয়ে নেমে গেলো অম্ল ভরা উদরে।
দশ.
সারা জীবন চাষার পুতের গালগল্প
বাবার মৌনতায় প্রশ্রয় সূচক সম্মতি
আজও ধানের মায়াবি দোলন
আমাদের একমাত্র ধান যাপন।
০৪:১২:২০২১
রাত:১১টা৫৮মি
লিচুবাগান, আগরতলা।
বীজধান
চৈতন্য ফকির
বীজধান রাখা খুব সহজ নয় আগাছা বাদ দিয়ে।
একই রকম ধানে অন্যধান মিশলে তাও আগাছা।
বীজধানে আগাছা থাকলে ফসল ভালো হয় না।
গোলা থেকে বীজধানের দূরত্ব রাখতে হয়।
অবাঞ্চিত আগাছা বীজধানে মিশে গেলে
পরের বার ধানের ফলন কমতে কমতে
গোলাশূণ্য আমরাও এক একজন ধানচাষী।
০৯:০২:২০১৮
সময়:২:৪৫মি
কুমারঘাট।
ধানদানা
গোবিন্দ ধর
এক এক করে একলা হয়ে আমি একাকিত্বেই
শেষ অব্দি। শেষ অব্দি আমি একা।
আমার বেদনার চারা বৃক্ষ হয়।
আমার ভালোবাসার ধানগাছ ভাতের আদল না পেয়েই ওরা মৃতধানদানা।
আমি পুনরায় লাগাই চাষ করি ভালোবাসাধান।
ধানদানা রূপপায়।একসময় ভাতের আদল না হয়ে আবার মরাধান।
এরকম চাষবাস করতে করতে আমি কৃষকই রইলাম।
ভালেবাসা কেবল দূরে দূরে সরে চায়।
আবার আবার ভালোবাসি। ভালেবাসী শাশ্বতধান।
২৯:১০:২০২১
রাত:১০টা ৩৫মি
কুমারঘাট।
হৃদয়হাওর জুড়ে গভীর অসুখ
গোবিন্দ ধর
হৃদয়হাওর জুড়ে গভীর অসুখকৃষি লাফিয়ে
ধানচারার মতো আকাশ ছুঁতে চায়।
অসুখের গাছ অনেক বড় হয়ে গেলো অজান্তে।
ডালমূল শাখা তার ছড়িয়েছে মাটি ও আকাশতারায়।
কতটুকু গভীরে গেলে অসুখ ডানা মেলে
পাঠ নেই ডানায় লেগে থাকা মারণঅসুখ রেখেছি যত্নে।
ডানায় ঝাপটে অসুখহরিয়াল উড়ছে আকাশে
তার কামগন্ধ ঘ্রান এসে লাগেনি,সময় ক্রান্তিলগ্নে।
প্রতিদিন শরীরের আড়মোড়া ভেঙে গেলে
তোমাকেই কাছেপিঠে রেখেছি,মুখে চুপ।
হৃদয়হাওর থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে
একটি বিকেল গড়িয়ে পড়ে মরুমায়া রূপ।
চোখের গভীর থেকে ভালোবাসা গলে পড়ে
অসুখ হেসে বলে এসব মিছে অভিনয়।
শরীরে লেগেছে গ্রহণ ভুলের দাপট
আমিই ভূমিষ্ট নতজানু সবিনয়।
২২:০৬:২০২১
সকাল:০৬:৪৭মি
কুমারঘাট।
মাটির কবিতা
গোবিন্দ ধর
মাটির গন্ধ মেখে কতদিন কেটেছে
সে সব মনু জানে
আর রাতাছড়ার ধানিজমি।
#
এখন শহুরে আমি।
ধানগাছ দেখতে যাই অবসর সময়।
#
আর মনুর জল ছোঁয়ে গতদিন দেখিনি।
তবু ছোটবেলা সারাক্ষন ঘুরেফিরে আসে।
আর মাটির গন্ধ বহুদূর থেকে আসে।
#
মাটিশূণ্য আমাদের পা পড়ে লাল গালিচায়।
ডাস্টার
গোবিন্দ ধর
আগাছাগুলো পরিস্কার করে দিতে হয়
যেমনটি ব্ল্যাকবোর্ড থেকে আঁকিবুঁকি
রেখা মুছে দিতে হয় চকচকে রাখতে।
এরকমই কিছু ভুল কিছু স্বপ্ন মুছে দিতে
একটি ডাস্টার জরুরি।
পেছন পেছন আসা বিষপিঁপড়ে
মাঝে মাঝে কামড়ে দিলে পিষে ফেলা জরুরি।
জরুরি ধান খেত থেকে আগাছা উপড়ে ফেলা।
কাটাকাটি করে অঙ্ক করতে নেই
মুছে নিলে ঝাঁ চকচকে একটি ব্ল্যাকবোর্ড
পুনরায় শুরু করতে যথেষ্ট।
দিন শুরুর আগে হোমওয়ার্ক সেরে নিলে
নির্ভুল গন্তব্যে পৌঁছা যায়।এক্ষেত্রে ভুলগুলো
মুছে দিতে একটি ডাস্টার জরুরি।
২৮:০৬:২০২১
রাত:১০:২৪মি
কুমারঘাট।
একটি জেদি পথ
চৈতন্য ফকির
হঠাৎ উত্তম পূর্বে হেলে গেলো
একটি একরোখা জেদি পথ।
বিশল্যকরণী ধানদুব্বা দিয়েও পথ
সরলরেখায় আনতে পারেনি
রাস্তা মেরামতের হেডশ্রমিকও।
তারপর শ্রমিক আর পথ দু'দিকে ছুটতে ছুটতে
বিষন্নতার গল্প ভুলে মজলিশপুর
খাচ্ছেদাচ্ছে আর সামনে আরো
অনেক অনেক আঁকাবাঁকা পথেই পা ছুটছে
অসতর্ক জেদি খাড়াই পথ।
২৫:১২:২০২১
ভোর:০৭টা৫৫মি
কুমারঘাট।
অবশেষে
চৈতন্য ফকির
অবশেষে লাল জাঙ্গিওয়ালা গেরিলা কবি
আত্মসমর্পণ করেন পুরস্কার মঞ্চের নিকট।
সকল সাম্রাজ্যই মুগল সাম্রাজ্যের মতো পতন অনিবার্য।
অবশেষে একে একে লাল জাঙ্গিয়াওয়ালা কবি
বিপ্লবের কত হম্বিতম্বি দেওয়া রেগামাস্টার
হাফনেতা নেতা শির অবনত করে
লাল থেকে নীল
নীল থেকে খয়েরী মাক্স পরে নেন অবলীলায়।
হাত মুষ্টিবদ্ধ করে কতবার বিপ্লব আনতে
লাল নিশান উড়াতেন ওরা
সব কেমন ফিকে হয়ে যায় বজ্রকন্ঠের নিকট।
সকল পতাকাই একদিন মানুষ নামিয়ে দেবে
মানুষের গান লিখে মানুষই গাইবে গান
মানুষের জন্যে-সেদিন খুব দূরে নয়।
লাল জাঙ্গিয়াওয়ালারা সেদিন থাকবে না আর।
আমাদের ঘরে ঘরে উড়বে জরুরী পতাকা
তার রঙ বুকের রক্তেরঙা চানমনি ধান।
১০:০৬:২০১৯
সকালঃ১০:৩০মি
নতুননগর,আগরতলা।
বত্রিশ নম্বর বাড়ি
গোবিন্দ ধর
বাড়িটিকে প্রণাম জানাই
ধানমন্ডির এই বত্রিশ নম্বর বাড়ি থেকে আওয়াজ উঠেছিলো
স্বাধীনতা আমাদের মুক্তি।
লাখো লাখো মানুষের কন্ঠে সেদিন একই আওয়াজ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
তুমি সে আওয়াজ মানুষের মনের ভেতর মন্ত্রের মতো গেঁথে দিলে।
তুমি বাংলার ঘরে ঘরে মুক্তির বিজয় পতাকা তুলে দিলে।
তুমি মানুষের মনের কপাট খুলে দিয়ে
মুক্তির স্বাদ জাগালে।
তোমার কন্ঠের আওয়াজ বজ্রনিনাদ।
বজ্রনির্ঘোষ।
এই আওয়াজ চিরতরে এই বাড়িতে স্তব্ধ করতে
দ্রিম দ্রিম দ্রিমি দ্রিমি গুলি
আওয়াজ তবুও থামলো না।
রক্তের দাগ এখনো বাড়িটির শরীর থেকে নিঃশেষ হয়নি।
বাংলার মানুষ মুক্তি পেলো।
বাংলাদেশ হলো।
তুমি শুধু স্ব শরীরে নেই।
বাংলার বাতাসে
বাংলার জলে
বাংলার মাটিতে
ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বর বাড়ির ইটে দেওয়ালে শুধু তুমি
একটি আওয়াজ আজ কোটি কোটি আওয়াজ।
১৭:০৬:২০১৯
রাত:০৯:৩০মি
কুমারঘাট।
চলো,হাত ধরো
গোবিন্দ ধর
ভালোবাসলে তুমি অন্ধ হয়ে যাও।
না বাসলে বেদনায় কাতরাও
তোমাকে কুয়াশার মতো জড়িয়ে বলি
চলো ধান ক্ষেতে পালাই।
চলো হাত ধরে আল টপকে যাই।
বেদনাদানা ধানচারা হয়ে বুকের মাটিতে
লাফিয়ে উঠুক :চলো হাত ধরো
জমিন আর চাষার মতো।
২৩/১১/১৬
কুমারঘাট
সময়:রাত:১০:৩৩মি।
মূর্তি
চৈতন্য ফকির
আমি স্ট্যাচু নয় মনে হয় কোন অনার্য মানুষ।
আমি আর দাঁড়াই না কোথাও আলোকিত ময়দানে
অন্ধকারেও না।
দেশে দেশে এখন আমাকেই ভেঙ্গে করা হচ্ছে
মতাদর্শগত সংস্কার।
আমি আর দাঁড়াইনি কোথাও।
মাঠে মাঠে কৃষকের সব ধান ফলন কমছে।
আত্মহত্যা করে করে দেশের কৃষক সংখ্যালঘু এখন।
দেশ তবে গোল্লায় যাক
মজদুর শ্রমিক হাজিরা কামলা সব মরে যাক।
আর কোন স্ট্যাচু নয়
আমিই ঘরে ঘরে নিয়ে আসবো নতুন রান্নাঘর।
জয় কৃষক নয়
জয় বিজ্ঞান নয়
বলো ভারত মাতা কী জয়!
১৮:০৩:২০১৮
সন্ধ্যা:৫:৪৫মি
কৈলাসহর।
দেওনদীসমগ্র:২০
চৈতন্য ফকির
চোখের ভেতর দুঃখ জলের নদী আছে?
কান্না হয়ে নামতে চায়?
আটকে রাখো।
আটকে রাখো।
মিথ্যে কোন মায়ার ছায়া ভুলেও যদি মাড়িয়ে থেকো।
পা তুলে নাও
পা তুলে নাও
মরুমায়া টুটাল মায়া আসলেই তা জল নয়।
জলের ভেতর কান্না থামাও এক ফুটা আর অশ্রু না
মায়া এক বিরল নারী ধানের দুধের প্রোটিন খেকো।
০৬:০২:২০১৮
রাত:০২:২০মি
কুমারঘাট।
সন্ধ্যাতারা
চৈতন্য ফকির
কাছে এসেও কত দূরে তুমি দূরের সন্ধ্যাতারা?
নীরমহলের রাণীর মতো তুমিও বন্দিশালায়?
রাজা শিকারে গেলেই তুমি প্রহরী বেষ্টিত, কুটিরবন্দিনী।রাজবন্দিনী?
অথচ বুকের পললমাটিতে যে ধানচারা দুপাতা দেয়
বেড়ে উঠে লকলক
তুমিও কবিতায় বেড়ে চলা অনন্তআকাশ।
তুমিও আকাশপ্রদীপ।তুমিও আকাশের সুখতারা।
সন্ধ্যায় টিমটিম জ্বলে উঠো আকাশে,সন্ধ্যাতারা।
১৩:০৩:২০১৯
ভোর:০৭০৫মি
কুমারঘাট।
মৌলভীবাজার
চৈতন্য ফকির
বাবার বাবা তাঁর বাবার হাত ধরে শ্রীমঙ্গল রোডে হাঁটতে হাঁটতে সারা শহর দেখতেন বৃটিশ পিরিয়ড।
তখনও নেতাজী রেঙ্গুন যাননি।
গান্ধীজীর টুপিও তখন জনপ্রিয় নয়।
বঙ্গবন্ধুর জয় বাংলা তেমন টেউ হয়ে আসেনি মনুর মুখ অব্দি।
তখনও শ্রীহট্ট সিলেট হয়নি কিংবা নাগরীলিপিও ধ্বংস হয়নি।
সুতরাং বাবাও জানতেন না
ধীরেন দত্তকে সংসদে দাঁড়িয়ে বাংলাভাষার জন্য
আইন পাশ করাতে হবে।
চা গাছের দুপাতায় লেগে থাকা সোনার বাংলা
ধানের সবুজ পাতায় সোনার বাংলা
জলের স্রোতে মাছের সাঁতার সোনার বাংলা।
এমন কী ঘটলো
আমার বাবা তাঁর বাবার হাত ধরে সোনার বাংলা ফেলে
চাতলাপুর বর্ডার ক্রস করে হাঁটতে হাঁটতে
ছিঁড়া মানচিত্র বুকে জড়িয়ে চলে গেলেন রাতাছড়ায়?
পায়ের ছাপ আর ধুলো ঘাম বিন্দু বিন্দু গায়ে শুকালে
সারাদিন আনন্দাশ্রু টুপটাপ পড়বেই তো
প্রিয়ভূমি শ্রীভূমি সিলেটও দুজেলায় ভাগ হয়ে
মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল।পুরো শহর শ্রীমঙ্গল মনে হলেও
বাবার ঘাম
তাঁর বাবার ঘাম
তাঁর বাবার বাবার ঘাম
আমার ঘাম হয়ে ঝরলো এই একই পথের ধুলোয়।
ঘাম আর ধুলো মেখে শীতলপাটির মতো শুয়ে থাকবো
সদর হাসপাতালের পেছনের দুতলায় একরাত।
০১:০৩:২০১৮
রাত:১১:১৫মি
সদর হাসপাতাল
মৌলভীবাজার।
দেওনদীসমগ্র:২০
চৈতন্য ফকির
চোখের ভেতর দুঃখ জলের নদী আছে?
কান্না হয়ে নামতে চায়?
আটকে রাখো।
আটকে রাখো।
মিথ্যে কোন মায়ার ছায়া ভুলেও যদি মাড়িয়ে থেকো।
পা তুলে নাও
পা তুলে নাও
মরুমায়া টুটাল মায়া আসলেই তা জল নয়।
জলের ভেতর কান্না থামাও এক ফুটা আর অশ্রু না
মায়া এক বিরল নারী ধানের দুধের প্রোটিন খেকো।
০৬:০২:২০১৮
রাত:০২:২০মি
কুমারঘাট।
লক ডাউন VS হোমোস্যাপিয়েন্স
গোবিন্দ ধর
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও খবরটি কেউ মানতে রাজি নয়।
এভাবেই ডাইনোসরসহ প্রজাতিরা হারিয়ে গেছে
পৃথিবীর চাষাবাদ ছেড়ে অনিচ্ছুক-
হরপ্পার মেসোপোটেমিয়া শহর থেকে।
পূর্ব পুরুষেরা কেরি কেটে কেটে
কেরি কেটে কেটে সভ্যতার হাড়মাস ডিঙিয়ে
জিনগত পরিবর্তন আনে আরো আরোপিত
মানুষ হয়ে জন্ম নেয় অগ্রজ সময়।
কোভিট:১৯ এর থাবায় পড়ে নিজের লাশ নিজেরাই বয়ে বেড়ানো প্রজাতিকৃষক।
দূরত্ব রেখে রেখে একটু দূরেই ডুবে যাওয়া
নিশ্চিত ফসিল হোমোস্যাপিয়েন্স।
পৃথিবীর ধানগাছ চাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
লক ডাউনের এই করোনাকালে কোয়ারান্টাইন থেকো
দূরে দূরে থাকো প্রিয় হোমোসেপিয়েন্স আদম ও ইভ।
৩১:০৩:২০২০
সন্ধ্যা :০৬টা
কুমারঘাট।
মা সমগ্রের কবিতা:১০
গোবিন্দ ধর
আলাদাভাবে আমার মা দিবস নেই।
মেয়ে মানেই একজন সুষমারাণী ধর
আমার মা।
মেয়ে মানেই পুরুষের অনামিকা লস্কর।
একজন বাবার গৈরিকা ধর।
পিতার সরোজিনী নাইডু।
নারী মানেই মা মেয়ে কন্যা জায়া বোন।
ধানের দুধেই আজন্ম লালিত কৃষকের মা।
১১:০৫:২০২০
ভোর:০৬:৩০মি
কুমারঘাট।
স্ক্যান্ডেল
চৈতন্য ফকির
আমার স্ক্যান্ডেল উড়ে বাতাসে
চিকন মিহি ধানের খৈ হয়ে
যেন অমর খৈয়াম নেচে ওঠেন গরম কড়াই শুদ্ধ।
তাতেও আনন্দ আছে কি না জানি না
কেউ কেউ মজারু নেন ভালোবাসায় মোম জ্বেলে।
২৪:০৫:২০২০
রাত:১১:৫৫মি
কুমারঘাট।
অবশেষে
চৈতন্য ফকির
অবশেষে লাল জাঙ্গিওয়ালা গেরিলা কবি
আত্মসমর্পণ করেন পুরস্কার মঞ্চের নিকট।
সকল সাম্রাজ্যই মুগল সাম্রাজ্যের মতো পতন অনিবার্য।
অবশেষে একে একে লাল জাঙ্গিয়াওয়ালা কবি
বিপ্লবের কত হম্বিতম্বি দেওয়া রেগামাস্টার
হাফনেতা নেতা শির অবনত করে
লাল থেকে নীল
নীল থেকে খয়েরী মাক্স পরে নেন অবলীলায়।
হাত মুষ্টিবদ্ধ করে কতবার বিপ্লব আনতে
লাল নিশান উড়াতেন ওরা
সব কেমন ফিকে হয়ে যায় বজ্রকন্ঠের নিকট।
সকল পতাকাই একদিন মানুষ নামিয়ে দেবে
মানুষের গান লিখে মানুষই গাইবে গান
মানুষের জন্যে-সেদিন খুব দূরে নয়।
লাল জাঙ্গিয়াওয়ালারা সেদিন থাকবে না আর।
আমাদের ঘরে ঘরে উড়বে জরুরী পতাকা
তার রঙ বুকের রক্তেরঙা চানমনি ধান।
১০:০৬:২০১৯
সকালঃ১০:৩০মি
নতুননগর,আগরতলা।
দেশের বাড়ি
গোবিন্দ ধর
দেশের বাড়ি বলতে আমাদের পূর্ব পুরুষের
একটি বাড়ি ছিলো।
ছিলো পুকুর ভরা মাছ আর দুধেল গাই।
বারো হাল বলদ।
ঠাকুরদা দেবেন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত
একটি স্কুল মিঞারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়।
পঞ্চাশের বড় রায়টের সময় সব বদলে গেলো
বাবা চলে এলেন ঠাকুরদার হাত ধরে
ছেঁড়া মানচিত্র বগলে নিয়ে।
সেই বাড়িতে এখন ক্ষেত, ধানি জমিন।
কিছুটা মনু গিলে খেয়েছে।
দেশের বাড়ি বলতে আমার নিকট
গোটা বাংলাদেশ সঙ্কীর্ণ গৃহচিহৃ নয়।
১১-০৭-২০২০
বেলা:৪টা ২৫ মি
কুমারঘাট
ত্রিপুরেশ্বরী এক্সপ্রেস
গোবিন্দ ধর
রাজধানী নির্ভর প্রেমগুলো
বিউগল বাজিয়ে
অন্য রাজধানীর দিকে ছুটছে ।
যখন পৌঁছবে আর ফিরবে না
ধানগাছ শহর।
১২/০৮/১৬
আগরতলা*সকাল
:৫:২০মি।
ভাষা আমার মাটি হয়ে গেলো
গোবিন্দ ধর
মাটির ভাষা জানি না বলে,ভাষা
আমার মাটি হয়ে যায়।
ধান আর আগাছার মতো একই জমিন জুড়ে
লিখতাম বেঁচে থাকার সালোকসংশ্লেষ।
পরস্পর বিপ্রতীপ কলম ও সাদা পাতার টান
খাতার পর খাতায় শুধই আঁচড় কেটেছি।
লিখেছি অভিমান। লিখেছি রাগ অনুরাগ
মাটির ভাষা জানি না বলে সব অহংকার
মাটি হয়ে গেলো।ভাষা আমার মাটি হয়ে গেলো।
এখনও মান হয় অভিমান হয়।রাগ হয় বিরাগও।
লিখি সাদা পাতায় একান্ত অভিমান।
ভাষা আমার অভিমানে গুলে গুলে যায়।
ভাষা আমার মাটি হয়ে যায়। শরীর ভরে
আগাছার মতো বেঁচে থাকে রক্তাক্ত জখম।
০২:০৭:২০২১
রাত:১১:৩০মি
কুমারঘাট।
অক্ষরাস্ত্র
চৈতন্য ফকির
এক.
নিজের বলতে কিছু নেই কিচ্ছু নেই।
না বন্ধুক নেই।
বন্ধু নেই।
দা কিরিচ কিচ্ছু নেই।
একজন বন্ধু হয়,পরক্ষণেই বম।
একজন মনের ভেতর কোমল হাত বাড়িয়ে
শেষ অব্দি মেধার মেদ ঝরিয়ে
তিনিও চলে যান।
দুই.
অবশেষে ট্রেন আসে।
সত্তর বছর পর।
দুজন সাংসদের জন্য দুবার দাঁড়াবার
সময় নেই।সময় মাত্র দুমিনিট।
সত্তর বছর পর
রাজধানী এলো সময় মাত্র দুমিনিট।
তিন.
বারবার কেউ না কেউ কেড়ে নেয়।
সব অস্ত্র ছেড়ে নিস্ব
আমাদের কিচ্ছু নেই।
ফেনিয়ে ফেনিয়ে গল্প বলতে পারি না।
সহজ করে বললেও
লোকে বলে কঠিন বলি
পেঁচিয়ে বলি।
সব কিছু হারিয়ে
বুকের ভেতর রেখেছি
সামন্য চাষ,বাবার লাগানো ধান গাছ।
ধানগাছ থেকে বের হয়
এক একটি অক্ষরাস্ত্র।
চার.
অস্ত্রোপচার করে বিশল্যকরণী লতার রস
লাগিয়ে উপশম হয়?
না হয় না।ক্ষত থেকে ক্ষতিকর রস শুষে
একদিন কলম লিখবো ভণ্ডদের
ভণ্ডামিচরিতমানস।
পাঁচ.
এসো অক্ষরধানের সবুজ লিখি
মস্করার ইতিবৃত্ত, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত
বইম্যানের ফাজলামো ছেলেখেলার নেতিবাচক টুংটাং।
সেই সকল সমিতির অন্ধকারে গলাটিপে দেওয়া বেইমানদের মুখের আদল থেকে সরে যাবেই
আলোকিত শ্লেট।
১৫/১০/২০১৭
সকাল :০৫:৩০মি
কুমারঘাট।
গোবিন্দ ধর একা অথব শূন্য
গোবিন্দ ধর
এক.
ধানের দুধে লেখা থাকে হাওয়াকল গান
ইরিবাতাস।
চাষীর মনের মাটিভেজা মোহনধান
লকলকে গেয়ে উঠে ভাবীকাল।
রকমারী মুখোশের পদাবলী কীর্তন থেকে
ভাবতরঙ্গ সমূহ সংকীর্তন শেষে
রচিত বাঁশধানচাল।
দুই.
সারা সময়ের পদাবলী রচিত আদেশ
ধর্ষিত সময় শেষে জলতল থেকে
উত্থিত আছড়ার ইতিহাস রচিত হবে
সমমনস্ক কিছু ধানের কান্নার কৌশল।
তিন.
বীজতলা থেকে সমূহসংগীত বাজে
হাওয়া মোরগফুলের সুভাষ ছড়ায় মনুউপত্যকায়।
চার.
উপদ্রুত বসন্তদিন নেচে ওঠে
জঙ্গলের ফাঁক গলে উঁকি দেয়
পূর্ণিমাচাঁদ।
ধানের পাতায় লেগে থাকা শীতশিশির টুপটাপ পতনের শব্দে লেখে প্রজন্মের উঠোন।
পাঁচ.
বিরহরচিত ঘাস ধানের আগাচা হলেও
ধানেরই আগাছা।
সহসা বাছাই জরুরী।
জরুরী পতাকা বহনে সুসময়ে বন্যাস্রোত ঢুকে পড়ে জল।
জল সব জল জল নয় জীবাণুর সংক্রমণ থেকে ক্রমশ টপকে সঠিক আলপথে এগুতেই হয় সরুআল।
ছয়.
মোহনসংগীত ছিলো বাপুরামের সাপের মেজিক।
মেজিকঝাঁপির ভেতর ঠিকানা ছিলে না
মিছেমিছি কেটেছে সময়।
কালখণ্ড পেরিয়ে আসা চার হাজারধানপাতা গেয়ে ওঠে
বিব্রতরুচী।
সাত.
পথের মাঝে কিছু দূর হেঁটে গেলে
মাঠের তেপান্তরে অবোধ্য পাটশাক
সবুজ বিলানো ভুলে
যদি কখনো নড়ে ওঠে শীর্ষবিন্দু
ধর্ষনের অজানা ইতিহাস সেখানে অপেক্ষা করছে।
খনার জিব্হা মাটি ভেদ করে
রচিত লণ্ঠনের আলোয়
আর কখন দিক ভুল করে
পুনরায় পাটখেতে যায় না।
আট.
ঘরে ঘরে জেগে যাক মেয়েরা খনা
জিব্হার নৃত্য থেমে গেলে
রচিত ইতিহাস রচনা শেষে
তুমিই বাঁশমতি বোন
যার ঘ্রাণ বাতাসে ছড়ায়
জেগে থাকে যে জীবনের মোহনবাঁশীহাতে।
নয়.
সামনেই আনোয়াছড়া তারজলে পা ডুবিয়ে
একটি মেয়ে গেয়েছিলো
জীবনের ধারাপাত
কলকল বাহিত জলের সাথে বাঁশমতি ধানের ঘ্রাণ সে
নিত নিশ্বাস ভরে।
তাতেই আনন্দিত আনোয়ারা।
মিছেমিছি কেটেছে তার যমুনাবেলা।
সমপরিমাণ আতরের কাছে গিয়ে বসে বসে
মেয়েটি বাঘের ঘ্রাণ পেয়ে
দিলো দৌড়
পিছে পিছে মোড়ল।
দশ.
সামান্য সংগঠিত সংগীত তাও কত জিগির!
কত আস্ফালন!
পতাকার ফৎফৎ,ঝঙ্কার,হুঙ্কার!
এগারো.
সকল ষড়যন্ত্রে বিভক্তিকে ভুলে যায় ধান
আগাছা মাড়িয়ে লাফায় যুবতীবয়স।
সম্মিলিত শুভকামনা ভেবে হাঁটতে হাঁটতে ভুলপথে পাড়ি দেওয়া পা
হঠাৎ থমকে দিলো
ষড়যন্ত্র সময়।
বারো.
বয়স্ক ধান গবেষণা করে মিতালি পাতে নলখাগড়ার সাথে
তখনই বেজে ওঠে পতনের শব্দ।
সমস্ত পতন শেষে হয় রচিত হয় নতুন পতাকা
নয়তো ঝড়েই নষ্ট হয় ধানেরফুল।
তেরো.
ধানখেত সবুজ হেলেদোলে হালিচারা।
হয়তো সকাল জেনো পাখিদের কাকলী।
চৌদ্দ.
মাঠ যদি পুনরায় ভরে ওঠে কৃষকের শূন্য টুকরিতে ক্রমশ জমে যাবে ধান।
গোলা ভরা থেকে কৃষকের নবান্ন।
সন্ধ্যা মেয়েটি সংগীত গেয়ে উঠবে।
চারিদিকে আলোকিত উত্থান
পতাকার হাওয়াদোলন।
ষোলো.
জীবনের ধারাপাত থেকে ধানজন্ম সার্থক হলে
প্রতিজন মুখমণ্ডল মানচিত্রে
লেখে রাখে ইতিহাস।
পতন থেকে আছড়াধান ক্রমাগত যুদ্ধ লেখে উত্থানের পাথরে।
সতেরো.
কত আর কেটে নেবে জিহ্বা বরাহমিহিরের সামান্য সংগঠন!
খনাধান কলমের বুক চাপড়ে লিখে দেবে
আগমনী সময়ের সাথে গন্ধভাত।
ঊনিশ.
রচিত ভূতক্রীয়া শেষে রচিত খণ্ডিত বিচার!
যতবার কৃষকের লাঙ্গল কেড়ে নিতে চায়
পুনরায় মাথা তুলে আগাছা মাড়িয়ে
জলের তোড়ের ভেতর থেকে
জেগে উঠে কৃষিকন্যাখনা।
বিশ.
বিন্নির বুক থেকে সুঘ্রাণ ছড়িয়ে
অচিরেই অর্জন সম্ভব
কেড়ে নেওয়া ভালোবাসা।
সমূহপতন থেকে সৃজিত হয় উত্থানের চৌকাঠ।
সিঁড়িগুলো টপকে উঠো বেদনারচিত পিছল পথ টপকে গেলে
পুনরায় ভালোবাসামেয়েটির মতো
আদর করবে বিলিকাটা সকাল।
০৯:১০:২০২০
রাত:০১টা৪০ মি
কুমারঘাট।
মাটির কবিতা -২
চৈতন্য ফকির
প্রতিদিনই মনে হয় মাটির নিকট হাঁটু পেতে দেবো।
লিখবো মাটির ভাষায় লাঙলের কথা।
ধান চারার জন্মদিন।
লিখবো চাষার বুকের স্বপ্ন। চা বাগানের মেয়ে
রাইধনী উরাং কেমন খিলখিল হাসতে হাসতে, পাতা তুলে।
কেমন করে হাসতে হাসতে শ্রমিক শিল্পীর হাতে
ভাঙে ইট।গড়ে উঠে ইমারত।
মাটির কবিতা হয়ে উঠে না।মাটি হয়ে যায় সব কবিতা।
হাসির গভীরে লুকানো ক্ষত পড়তে পারি না,পারি না সময়ের যন্ত্রণা পড়তেও।
তাও মাটির নিকট বসি বারবার। নতজানু থাকি।
মাটির বুকেই লাগিয়ে দিই চা পাতার সবুজ,স্বপ্ন।
মাটির নিকট ঋণ রেখে একদিন শেষমেশ, এসো
প্রজন্মকে পথ বাৎলে দেবো।
১৬:০৩:২০২১
রাত:০৮টা
কুমারঘাট।
মাটির কবিতা
গোবিন্দ ধর
মাটির গন্ধ মেখে কতদিন কেটেছে
সে সব মনু জানে
আর রাতাছড়ার ধানিজমি।
#
এখন শহুরে আমি।
ধানগাছ দেখতে যাই অবসর সময়।
#
আর মনুর জল ছোঁয়ে গতদিন দেখিনি।
তবু ছোটবেলা সারাক্ষন ঘুরেফিরে আসে।
আর মাটির গন্ধ বহুদূর থেকে আসে।
#
মাটিশূণ্য আমাদের পা পড়ে লাল গালিচায়।
[02/10, 8:53 pm] Gobinda Dhar: চাষা
চৈতন্য ফকির
চাষাবাসে দক্ষ নই
প্রান্তিকচাষা আমি
কবিতার শরীর চাষী।
চাষবাস দরকার হলে
তুমি আবাদ হতে পারো
আমার প্রিয় মায়াধান।
১৪:০২:২০১৭
দেওপাড়
রাত:৩:২০মি
ধানের পাঁচালী
গোবিন্দ ধর
মুজিব ইরম-কে মনে রেখে
ধানের দিনের কত কথা কলিজায় আনে চিনচিনে ব্যথা। চৈতন্য ফকির বলে,এসো কন্যা ধানছড়া গলে।ভালোবাসার বাসাবাড়ি, দেবো তোমায় আড়াআড়ি। এসো কন্যা ধানের মতো,যত্ন করে রেখো ততো।পাকা ধানের সোনালী আভায় মিলন হবে সেই পূর্ণিমায়।পৌষের এই হিমেল শীতে চেয়ে কাটাই ধামাইল গীতে।পীরিতি শিখিয়ে দিও চোখের আলোয় ডেকো নিও।আমি অধম চৈতন্য ফকির ধানের ছড়ায় ঝরছি শিশির।
১৫:১১:২০২২
কুমারঘাট রেল স্টেশন
সকাল:৬টা২৮মিনিট।
বিন্নিধান || গোবিন্দ ধর
বেড়ে ওঠে সংকট,তাকে কেমোথেরাপি করি।
সংকট কমে না।লাফিয়ে বাড়ে।
যত্নআত্তি করার দরকার নেই তবুও বাড়ে।
অথচ আগাছা সাফাই করতে করতে মাঠের ধান
আর প্রকৃত বাড়ে না।
আগাছা গিলে খায় ধানগাছ।
আবার রূপন করি নতুন করে বিন্নিধান।
আবার আগাছায় খেয়ে নেয়।
এরকম অসংখ্য কৃষিকাজ নষ্ট করে আগাছা।
তথাপি আবার আবার রূপন করি ধানগাছ স্বপ্ন।
০৩ জানুয়ারি ২০২৩
রাত:০৬টা১৭ মি
কুমারঘাট।
0 Comments