চিন্তাবিশ্ব

চৈতন্য পুরাণ 

জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।

-এ পি জে আব্দুল কালাম

একটু ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী বাঙালি হবেন না পাঞ্জাবি হবেন তা মুখ্য বিষয় বলে বিশ্বাস করি না।বাঙালি প্রধানমন্ত্রী বিষয়টির গভীরে উস্কানি আছে হিন্দু বাঙালি না মুসলিম বাঙালি। সেই ঘুরে ফিরে জাতপাত নিয়ে অবিভক্ত ভারতের দ্বিজাতিতত্ত্বের ভাগ পাকিস্তান ভারত।তারপর ৭১ এ এসে ভাষাগত রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম।
আবারও কি আমরা একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রী বাঙালি না মুসলিম পাঞ্জাবি না গুজরাটি কিংবা অসমিয়া না বিহারি কে হবেন প্রধানমন্ত্রী তার জন্য লড়াই করবো নাকি প্রধানমন্ত্রী যিনিই হোন একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের যেকোনোজন এতে আমাদের সংকট নয় বিষয়টিকে উপলব্ধিতে এনে রাষ্ট্র কাটামোকে আরো সহজ সুন্দর জনকল্যাণমুখী করা দরকার মনে হয় ভাবনার বিষয় বুঝতে পারবো? 
সংকট লুকিয়ে আছে প্রত্যেক জনগণের অন্ন বস্ত্র বাসস্থান স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ইক্যুয়েলি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন যিনি তিনিই হবেন রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের এরকম একটি আইন থাকা দরকার।ভোটে জেতা সাংসদ বিধায়ক পঞ্চায়েত প্রতিনিধি পাঁচ বছর পর তাঁদের দায়িত্বশীল পদকে অলংকৃত যারা করেছেন তাদের পুরস্কৃত করবে।আর যাঁদের বিরুদ্ধে প্রকৃত রাষ্ট্র বিরোধী গনতান্ত্রিক অবস্থার বিপক্ষে যুক্তিগ্রাহ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে তাঁদেরকে দেওয়া হোক জরিমানা রাষ্ট্রের আইনের আওতায় এনে হোক বিচার।একটি দেশে বসবাসের জন্য জননিরাপত্তা ব্যাহত হলে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল সুপ্রিম কোর্ট আরো জোরালো ভূমিকা নিতে হবে।তবেই রাষ্ট্রের জনগণের নিকট প্রধানমন্ত্রীপদের গুরুত্বের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে প্রকৃত রাজনৈতিক দলকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনে রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক মডেল রাষ্ট্র রূপে দেখা সহজতর হবে।অন্যতায় প্রধানমন্ত্রী বাঙালি না মুসলিম পাঞ্জাবি না গুজরাটি কিংবা অসমিয়া না বিহারি কে হবেন প্রধানমন্ত্রী এই রাজনৈতিক জিগির উঠতেই থাকবে কিন্তু প্রকৃত সমস্যা সেই তিমিরেই থাকবে।

বিদ্র:প্রকৃতপক্ষে একটি সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রের জনগণের নিকট প্রকৃত জনকল্যাণ পৌঁছে দিতে হলে।না হয় ভোট আসবে।ভোট যাবে।জনগণকে সেই তিমিরেই থাকতে হবে।আইন হোক সহজ সরল।জটিলতার আবর্তন করতে থাকলে অন্ধকার ও আলোর খেলায় ভারতীয় জনগণের আইনেরশাসন জীবিত অবস্থায় পাওয়া শুধু দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছু থাজবে না।

০২:০৫:২০২১
সকাল:০৭:১৫মি
কুমারঘাট।