চৈতন্য পুরাণ 

কিছুই করতে পারছি না কিছুই না।
রাষ্ট্রের ভেকসিন নীতি থেকে গণবন্টন।
আইনে থেকেও আইনের ফাঁক ফোঁকর।
অবহেলা ভালোবাসা প্রেম বিবাহ থেকে
সমাজ সামাজিকতা কিছুই ভালো লাগছে না।

সব কিছুতেই ফাঁক ফাঁকি ঠগ ও ঠগবাজদের দখল
এই ব্যবস্থার ভেতর আমিই অভিমন্যু। 

ধর্মেরজাল বিছিয়ে রক্তে মিশেছে হিংসা হিংস্রতা। 
ঠিক বেরিয়ে আসতে পারছি না
মায়াপুর থেকে।

সন্তান স্ত্রী প্রেম প্রেমিকা ভালোবাসা সবই কেমন 
গড্ডালিকায় নিমজ্জিত। 

মনের অসুখ বেড়ে গেলে পরিবারই আরোগ্যালয়
সেই শিক্ষা বাবা দিতেন মা বলতেন।
অসুখ বেড়েছে হাসপাতালও অসুস্থ, আরোগ্য নেই। 

কিছুই করতে পারছি না কিছুই না 
না বেরুতে পারছি না গড়তে পারছি-বিদ্যালয়
সারাক্ষণ পাঠ নিতে নিতে কিছুই শিখিনি।

মরুমায়ায় হাঁটতে হাঁটতে দীর্ঘ পথ হাঁটছি
এখন না পারছি পেছনে যাবো না সামনে
মুখথুবড়ে পড়ে আছি নিজ হাতে গড়া
একটি নষ্টনীড়ে।

না কিছুই পারছি না 
না পালাতে পারছি না সেরে উঠছে শরীর মন
দূরারোগ্য ব্যাধিক্রান্ত কর্কটক্রান্তিরেখা।

লালন করেছি টগবগেওম
লালন করেছি মিছে মায়া
লালন করেছি রক্তবীজ বিশল্যকরণী ভেবে
করবীবন্ধনে জুড়েছি দেওকাল-সকল সাহসের ওংকার 
ইয়াশ এসে উল্টেপাল্টে তচনচ করেছে গোছানো বাগান
সবুজ বীজধান। 

কালখণ্ডে রেখে যাওয়া মরুমায়া ধুতরাফুল
আমিই খেয়েছি নীল আমিই উড়িয়েছি বিষন্ন পাতাকা
একটি ভোট একদিন আমারই গালে এসে 
জুতিয়ে দেবে নীরব অহংকার। 

পাশে রাখি সন্তান পাশে রাখি সংকট পাশে রাখি বিশল্যকরণী 
সকল আরোগ্যালয় সকল মন্দির মসজিদ থেকে
ক্রমাগত ভেসে যায় ছাই ছাইদানি-ফুল ভেবে
ওম দেওয়া ওংকার করবীর নীল নিয়ে
দরজায় দাঁড়িয়ে আছে বেড়ালের নখ।

০৫:০৬:২০২১
সকাল:০৯:৩০মি
কুমারঘাট।