গোবিন্দ ধরের গদ্য
কবিতা কবির আত্মার শীত
গোবিন্দ ধর
কবিতা তো আত্মক্ষরণেরই ঈশ্বরকণা।আত্মার ভেতর থেকে দহনগুলো লিপি হয়ে কবির কাছে ধরা দেয়।কবিতা দহনলিপি।দহনকালের পান্ডুলিপি কবিতা।কবিতার কাছে কবি উপুড় দোয়াত।সুলেখাভরা কলম।কবিতা কবির আত্মার বিষ।যাপনের ধারাপাত।কবিতাই প্রকৃত যাপন।কবিতা একজন কবির সত্যিকারের জীবনকাল। কবির আলাদা কোন জীবনীর দরকার নেই।এক একটি কবিতাই কবির আত্মকথা।আত্মারক্ষরণ।কবি ক্রমশ সরে সরে এগিয়ে যান জীবনের বিচিত্র সিঁড়ি।কোথাও নামেন সিঁড়ি নিয়ন আলোয়।কোথাও শহরের এলইডির নিচেই কবির আত্মা আরো এক শহর খুঁজে জীবনের পরত দেখার জন্যে।শহর আলোকময়।তার নিচেই অন্য আলো।কবি অন্ধকারেও দেখেন।ছুটে যান ঈশ্বরকণার দিকে।কৃষ্ণগহ্বর থেকে তুলে আনেন সামন্য বেদনা।যা অতি সাধারণ তাতেই লেগে আছে হয়তো কবির আত্মারশীত।
কবিতা আসলেই ঈশ্বরকণা।কবির আত্মার শীত।
০৫:০৬:২০১৮
সকাল:০৬:৪০মি
কুমারঘাট।
0 Comments