জ্বরের ঘোরে লেখা
চৈতন্য ফকির

বারোদিন জ্বরের বয়স,বয়স বারোদিন জ্বরের।
বন্ধুরা কেউ অ্যালোপাথ কেউ লেমুনেট না হয় 
এই খাও সেই খাও নানান উপদেশ দিচ্ছিলেন।

কারো কথা মানিনি বলবো না।
কিন্তু জ্বরের হেলদোল নেই
ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে জ্বর।
পুরানো বন্দরে এসে জাহাজ নোঙ্গর।

অ্যালোপাথ সহজে খাই না,বিগত তিরিশ বছর।
হোমিওপ্যাথি আমার আস্থায় ১০০%উত্তীর্ণ।
অ্যালোপাথের প্রতি কুইনাইন খেতে খেতে যে বিস্বাদ
কিংবা কৃমির তেতো টেবলেটগুলো না চাইলেও ঢোক গিলে খেতে হতো।
তখন ম্যালেরিয়ায় কুইনাইনেরর বিকল্প মফস্বলে ছিলো না।
তারপর বড় হয়ে হোমিওবিশ্বাস ঘাঢ় হতে হতে ক্ষীর সমান।
তাও ভেঙ্গে গেলো মাটির কলসী ভাঙ্গার মতো।
জ্বর বাড়ে তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে,কেঁপে কেঁপে
শরীর ভূমিকম্প প্রবণ একটি অগ্নিগিরী।

তিরিশ বছর হলো হোমিওবিশ্বাস। তাকে অবিশ্বাসের চাদরে ঢাকতে মনের উপর বারবার টানাপোড়েন শেষে আমিও অ্যালোপাথ নিলাম।
আমি এলোপাথ খেলেও এখনো গভীর সম্পর্কগুলো আমি আর আমার আমির সাথে গেঁথে আছে নির্বিকল্প।

০৩:০৩:২০১৭
রাত:০৮:৩৫মি
দেওপাড়।

0 Comments