নাছাড়া চিঠি
মাননীয়
দায়িত্বশীল আধিকারিক
সাহিত্য একাডেমি
বিষয়:গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে ত্রিপুরার সকল কবি সাহিত্যিকদের আমন্ত্রণ কেন পান না।সবিনয়ে জানার আগ্রহ।
মাননীয়
মহোদয়
সবিনয় নিবেদন,স্রোত দুবার সাহিত্য একাডেমির স্পনশর প্রোগ্রাম আগরতলায় করলো।আন্তর্জাতিক লিটল ম্যাগাজিন উৎসব:১৬ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় কথাসাহিত্য উৎসব:১৭।অথচ সাহিত্য একাডেমি প্রোগ্রাম করলে এ রাজ্যের কবি সাহিত্যিকেরা সম্মানজনক আমন্ত্রণও পান না!আমাদের রাজ্যেও আধিকারিক চন্দ্রকান্ত মুড়া সিং একজন কবি সাহিত্য একাডেমির দায়িত্ব সামলান বর্তমানে তিনি।সাহিত্য একাডেমি কত গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামেও আমন্ত্রণ পেয়ে গিয়ে দেখেছি সাকুল্যে হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক। কম সংখ্যক দর্শক দিয়েই কী এই সব গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামগুলো করার নির্দেশ? জানা নেই।হয় তো।
অনুগ্রহ করে এসব বিষয় জানালে আমাদের রাজ্যে অনুষ্ঠিত সাহিত্য একাডেমির প্রোগ্রামগুলোর সফলতা ও মানবৃদ্ধি পায়।
কবি সাহিত্যিকেরাও অবগত থাকেন।
একটি দায়িত্বশীল সংস্থার সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলোতে রাজ্য বহিরাজ্যের আমন্ত্রিত কবি-সাহিত্যিকেরা দর্শক আসন ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখলে নিশ্চয়ই আমাদের ত্রিপুরার সুনাম বহিরাজ্যে বাড়ছে না।
মাননীয় কবি সাহিত্যিকরাও হয়তো আমাদের রাজ্যের সাহিত্যচর্চা নিয়ে হাসিঠাট্টা করেন। সুতরাং মহোদয় বিষয়টি কোন দৃষ্টিতে দেখা হয় যদি আমরাও অবগত হই মন্দ হয় না।গোচরে থাকলে ভালোই লাগবে।
তখন আমাদের রাজ্যের কবি সাহিত্যিকরা আমন্ত্রণ না পেয়েও আর উষ্মা প্রকাশ করবেন না।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ
গোবিন্দ ধর
স্রোত
সম্পাদক
১৭:০৬:২০১৯
0 Comments