কথাবিশ্ব :চৈতন্য ফকির
কথাবিশ্ব
চৈতন্য ফকির
একটি সম্পর্ক নষ্ট হলে আরেকটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক ক্রমাগত নদীর ভাঙনের মতোই একুল ভাঙ্গে ওকুল গড়ে।সম্পর্কের এই ভাঙন নিয়ে কোন কথা নেই। যখন খুশি ভাঙ্গুক। যখন খুশি জুড়ুক। লাগুক।তাতে কারো কিছু বলার নেই।এক সম্পর্ক থেকে না বেরিয়ে আরো জড়িয়ে গেলেই বলার থাকে মনে হয়।বিশেষ করে একশ্রেণির উচ্চাভিলাষী মানুষ প্রতিনিয়ত সম্পর্ককে কলাপাতার মতো দুমড়ে মুচড়ে দুমড়ানোয় পটু।তাদের জীবনের সেরাটা উপহার দিলেও সকল ভালোবাসা উজাড় করে দিলেও তারা এক সম্পর্কে যুক্ত থাকেন না।পৃথিবীর সেরা ভালোবাসা উপহার দিলেও ঐ উচ্চাভিলাষী মানুষ প্রতিনিয়ত সম্পর্ক ভেঙ্গে বেরিয়ে পড়েন।তারা কখনো কখনো পূর্ব সম্পর্কে যুক্ত থেকেও আরো অধিক সুখভোগের নেশায় প্রতিনিয়ত সেই মানুষটি একঘোরের পিছে অবিরাম দৌড়োয়।একাধিক সম্পর্কে জড়ায়।পাশাপাশি গৃহসুখও চায়।কিংবা গৃহ থাকলো শুধু সমাজকে দেখানোর কৌশল হিসেবে।বাকী তিনি দৈহিক সুখের জন্য পরিবার সন্তানকে হেলা তুচ্ছতাচ্ছিল্য অবহেলা অসম্মান সবই করে যান। তার দৌড় অনন্ত, অনন্তকাল চলছে।সুখ একটি বাতাসপাখি।সুখ একটি পাখিউড়াল।সুখ এক অসীমান্তিক উড়াল।সুখের পায়রা তাও চিরদিন অধরাই থাকে। য়ে দৌড়ে সেও পায় না।পরস্পর চুম্বকীয় আকর্ষনে এই যে পরস্পর পরস্পরকে আঁকড়ে বাঁচতে চাওয়া তাও আবারও বিচ্ছেদপাখি উড়ে যায় সুখপাখির মতোই। মনের এই অতিচেতনাময় ভাবসাম্রাজ্যের ভাবখানা কখনো এমন যেন তিনিই স্বর্গসুখের সব সুখভোগ করছেন কিছুসময়ের ব্যবধানে এই তিনিই নরকভোগের যন্ত্রণায় কাতরান।উচ্চাভিলাসীপাখিটির চৈতন্যলোকের কোথাও নিজস্ব সুখআল্লাদ ছাড়া পৃথিবীর কোন কাজেই আসেন না।তিনি ভাবখানা করে রাখেন এমন যেন তিনিই জগৎসংসারের ত্রাতা। তিনিই সুখ সম্রাজ্ঞী সুখ সম্রাট সুর সম্রাট আলাউদ্দিন। সুর সম্রাজ্ঞী।
কালখণ্ড এমনই সচেতন তা লিখে লিখে রাখেন। ঠিক সময় এলে সময়পাখিরকিচিরমিচির ডাক আসে।সবাই জানে।তখন আর লুকিয়ে রাখা যায় না মুদ্রা রাক্ষসের সনাতনী চলচিত্র।
১৮:০৬:২০২১
সকাল:০৭:২০মি
কুমারঘাট।
0 Comments