স্রোত প্রকাশনা:আলো-ছায়ার ত্রিশ বছর 

রমজান বিন মোজাম্মেল 


বিশ্ব এক মহাবিপর্যয় কাটিয়ে কিছুটা এগিয়ে এসেছে।  তথাপি অনেক অফিসের প্রবেশদ্বারে এখনো ঝুলে থাকা ' নো মাস্ক নো সার্ভিস' নোটিসটা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় হ্যান্ডস্যানিটাইজার, সোস্যাল ডিসটেস্টিং, লক ডাউন, সুরক্ষার নামে নীল রংয়ের আপাদমস্তক আবরণীসহ মানুষে মানুষে দূরত্ব বজায় রাখার অন্ধকার যুগের কথা; আমরা সেসব দূর্বিষহ দিনের বন্ধন কাটিয়ে আলোর পথে ফিরে এসেছি।  শুরু করেছি স্বাভাবিক জীবন।  তাই তো আমাদের মনের সুপ্ত  তৃষ্ণাগুলো মনপ্রাণকে আনচান করে তোলে, আবার তুমুল বিস্মরণের হাতছানি দেয় ফিরে যেতে  উৎসব ও আনন্দমুখর রঙবেরঙের সেই দিনগুলোর কাছে। 
এই প্রাণ আর আনন্দের আরাধনাই আমার জানামতে যাদের অন্বিষ্ট,  তারা জানে নিরন্তর আনন্দের প্রবাহেই জেগে থাকে প্রাণপঙ্ক,  পাওয়া যায় প্রাণের স্পন্দন।  প্রাণস্পন্দ থেকে আসে অনুপ্রেরণা।  আর অনুপ্রেরণা থেকেই তৈরি হয় সৃষ্টিশীলতা।  এই নিথর সমাজব্যবস্থায় সৃষ্টিশীলতা বিষয়টি যে অতিব জরুরি তা সকলেই অবলীলায় স্বীকার করবেন। 
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সৃষ্টিশীলতা নিয়েই এগিয়ে যায় সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র তথা বহিঃবিশ্ব।  সেই ধারাবাহিকতায় আমরা নিশ্চয় চাই ঘুণে- ধরা এ সমাজ এগিয়ে যাক-- সেটাই তো আমাদের কাম্য।  তাছাড়া পিছিয়ে পড়া এ সমাজে যখন মুষ্টিমেয় মানুষ দু'বেলা দুমুঠো আহার জোটাতেই রীতিমতো হিমসিম খেতে হয়!  তখন নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ানোর সামিল সৃষ্টিশীল কর্মযজ্ঞ তো চিন্তার সীমানাতেই অনুপস্থিত।  তবুও শত প্রতিকূলতার মধ্যেও অগ্রসর কেউ না কেউ নিজের তাগিদেই এগিয়ে আসে সৃষ্টিশীল কর্মযজ্ঞ পরিচালনায়। তেমনি একজন সাহিত্যপ্রেমী গোবিন্দ ধর সাহিত্যের ছোট কাগজ স্রোতস্বিনী সম্পাদনার মাধ্যমে আজ হতে প্রায় তিনদশক পূর্বে 
অপরিপক্ক বয়সে পরিপক্বতায় চালিয়ে যেতে শুরু করেন সংস্কৃতি চর্চা,  জাগিয়ে রাখেন সাহিত্যের চোরাস্রোত।  আর এই চোরাস্রোতে'র ধারাটিকে কখনো সরবে কখনো বা নিরবে পরিচালনা করতে গিয়ে স্রোতস্বিনী থেকে নামের বদল হয়ে লিটলম্যাগের নামকরণ হয়ে যায় 'স্রোত। ' অতঃপর সাহিত্যের ছোট কাগজ স্রোত আরেক শিল্পে পদার্পণের মাধ্যমে 'স্রোত' হয়ে উঠে  প্রকাশনা শিল্পের নাম।  লিটলম্যাগে যোগ হয়  'স্রোত প্রকাশনা' প্রতিষ্ঠানে৷ 

এক পদক্ষেপে যেমন পর্বতারোহণ  সম্ভব হয়না তেমনি স্রোত প্রকাশনের মহীরুহ হয়ে উঠাও একদিনে সম্ভব হয়নি। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় বহু ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ভীড়ে। স্রোত প্রকাশনাকে কবি সম্পাদক এবং প্রকাশক গোবিন্দ ধর, সময়ের হাত ধরে হাটি হাটি পা পা করে ভারতের  ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা হতে প্রায় দু'শ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুমারঘাট নামক এক মফস্বল শহর হতে প্রকাশনার মতো কঠিন এক সৃষ্টিশীল কর্মযজ্ঞের ত্রিশ বছরের পথচলা অতিক্রম করছে । 
বিগত ত্রিশ বছরের পথ চলায় স্রোত প্রকাশনা  দেশ- বিদেশের অগণিত পাঠক- শুভানুধ্যায়ীর ভালোবাসায় যেমন সিক্ত হয়েছে।  তেমনি দেশ- কাল- সময়ের সামাজিক - সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিশ্রুতি রক্ষার মধ্যে দিয়ে সকলের না হলেও অনেকের প্রিয় হয়ে উঠতে এই প্রতিষ্ঠান বারবার পরীক্ষীত হতে হয়েছে কালের কষ্টিপাথরে! 
 
আধুনিক যুগের সমাজ- সভ্যতার সীমাহীন জটিল সমীকরণের মধ্যে স্রোত নিরলস পথচলায় ব্রতী রয়েছে নির্মোহ ভালোবাসার মশাল হাতে। 

তার প্রমাণ মেলে, আলোকিত ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে এগুনোর অভিযাত্রায় নানা সময়ে নানা প্রতিবন্ধকতার দপয়াল টপকে অনুষ্ঠান আয়োজনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা। মানের বিচারে নাইবা গেলাম।   সমকালীন মহান ব্যক্তিদের স্মরণ, বিভিন্ন সাহিত্য  সম্মাননা প্রদান, বই মেলার আয়োজন প্রভৃতি যেন স্রোতের সামাজিক দায়বদ্ধতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তার- ই ধারাবাহিকতায় স্রোত প্রকাশনা পাড় করছে গৌরব উজ্জ্বল ত্রিশ বছর।  এ সময়টা কৈশোরের কোমল আঙিনা থেকে যৌবনের দীপ্ত প্রাঙ্গন উৎড়ানোর সময়। আমি স্রোতের বিগত সময়ের নানাদিক বিবেচনা করে বলতে চেয়েছি আলো- ছায়ার ত্রিশ বছর।  কারণ স্রোতের ত্রিশ বছরের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রহণের কাল। ভাটার সময়।  যেন আঁধারিতে কেটেছে কয়েকটি বছর। পক্ষান্তরে মরুভূমিতে প্রাণস্পন্দিত কোন অমুক সুসাহিত্যিকের করস্পর্শে প্রবাহমান নদীর স্রোতের মতো আলোর প্রদীপ জ্বলেছে রাষ্ট্র সরকারে মনোনীত হয়েছে স্রোত প্রকাশনায় প্রকাশিত গ্রন্থ....................... 
এখানে কেবল গ্রহণ কাল আর আলো'র সময় লিখলাম।  স্রোতের দীর্ঘ গ্রহণ কালের বিস্তারিত উল্লেখ করলাম না বিজ্ঞজন ঠিক বুঝতে পারেন।  বর্তমান সমাজব্যবস্থায় সৃষ্টিশীলতায় কতোটা প্রতিবন্ধকতা পেড়িয়ে টিকে থাকতে হয়! এ জন্যেই আমি  বলেছি স্রোত প্রকাশনা'র  আলো-আঁধারির ত্রিশ বছর। 
আশার কথা ভাটার সময়েও স্রোতের কার্যক্রম মন্থর হয়েছে কিন্তু একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। দেশ এবং দেশের বাহিরে বইমেলায় অংশগ্রহণ,  দেশের স্বাধীনতা দিবস, ভাষা শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান  আয়েজন ,  পহেলা বৈশাখ বাঙালির নববর্ষের আয়োজন,  বৃক্ষরোপন,  বিনামূল্যে বই বিতরণ,  রক্তদান কর্মসূচি সহ স্রোত পরিবারের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠান এবং আড়ম্বরে নিয়মিত  'স্রোত পুরস্কার', গুণীজন সংবর্ধনা প্রধান সহ  নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজ বিনির্মানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। 

কিছুদিন পূর্বে সহধর্মিণী হ্যাপী আফরোজ সহ আমি ত্রিপুরা'র কৈলাসহর বন্ধুবর ছড়াকার, সম্পাদক অমল কান্তি চন্দ'র আমন্ত্রণে বন্ধু কবি অপাংশু দেবনাথ এবং কবি সঞ্জীব দে'র টানে অমল কান্তি চন্দ'র বাড়িতে যাই।  সেই সময়ে বেড়ানোর সময়টাতে বিভিন্ন জায়গায়  লেখক স্বজনদের আলাপচারিতায় স্রোত তথা গোবিন্দ ধর উঠে এসেছে বেশ নিঃসঙ্কোচিত কিছু কথা তথাপি  আমার দৃষ্টিতে তা ছিল সত্যি প্রশংসনীয়।
 পরেরবার আগরতলা গিয়ে জানতে পেরেছি সেই  কথাগুলোকেই অনেকে  বাঁকা চোখে দেখছে। আমি তাতেও আশ্চর্য হয়নি-এ কারণেই যে, আমি যেমন আমার মতো দেখবো।  আরেকজন তো অবশ্যই তার মতোই দেখবে।  আর এটাই হচ্ছে সঠিক নির্ণয়।  তাদের আলোচনাতে শ্রদ্ধা রেখে আমি শুধু এ কথাই বলবো,  কাজ করলেই ত্রুটি হবে,  কাজ না করলে নয়।  এটাই মূলতঃ  সকল শুভ কর্মযজ্ঞের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আমরা এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে কখনো  জ্ঞানভিত্তির ওপর নারাজ মনে অহেতুক অস্বাভাবিক না করে । যদি ভাবি যে কাজ-ইতো করছে। ভুল না হয় কিছু হয়েছে। আলোচনায় সংশোধন করবো।  এভাবে ভাবলেই ভবিষ্যৎ- এ আমরা পৌঁছতে পারি সৃষ্টিশীলতার উৎকর্ষে। আর যদি প্রকৃত সাহিত্য সংস্কৃতি তথা দেশ প্রেমিক মনমানসিকতার মননশীল চর্চার ব্রতে থাকলে। কারো ভুলগুলো নিজের ভুল মনে হলেই আসবে অনাগত ভবিষ্যতের স্বপ্নীল দুনিয়ায় প্রচলিত মতবিশ্বাসের ঊর্ধ্বে এক একটি বাস্তবিক অর্জন।  যা হবে আমাদের সমাজ বিনির্মানে আলোকিত কার্যকরী পদক্ষেপ।  
তাছাড়া ব্যক্তিগতভাবে স্রোতের কর্ণধার কবি গোবিন্দ ধর-এর সঙ্গে আমার পরিচয়ের  যুগ পূর্তী হয়নি ঠিক।  তাছাড়া আমি বয়সের নিক্তিতে সম্পর্ক একে- অন্যকে জানাজানি বা বুঝাবুঝি যাই বলা হোক না কেন!  মানিনা। 


গোবিন্দ ধর'কে তার কর্মদিপ্তের মুগ্ধতায় হৃদয়ের   বন্ধু করেছি। হিসেবে হৃদয়ে স্থান দিয়েছি এ কারণে যে,  
আমার বন্ধুত্বের স্বল্প সময়ে আমি তাকে যতোটুকু বুঝেছি তা বল্লে,  সে একজন স্বপ্নবান তরুণের উপস্থিতি।  সময়- অসময়ে যেমন  স্বপ্ন বুনতে পারে তেমনি স্বপ্ন দেখাতেও সমপারদর্শী। 
হুটহাট ধরাশায়ী হওয়ার মতোও একেকটি কাজের সিদ্ধান্ত একা-একা ঘরে  বা বিছানায় শুয়ে-বসে নিয়ে নিতে পারেন।  এবং পরবর্তীতে তার সিদ্ধান্তে সম্মতি দিলেও দিনশেষে তাদের কারোকাছে  বিদ্বেষমূলক আচরণ হজম করে সে-সব ক্ষেত্রে  লড়াইটা তাকে একাই করতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল হলেও কখনো ব্যর্থতার গ্লানিও জোটে তার প্রাপ্তির ঝুলিতে। এখানেই শেষ নয়,  যারা এমন কাজে গোবিন্দ ধর এর সাথে সংপৃক্ত বা দীর্ঘদিনের পরিচিত তাদের কাছ থেকে প্রমাণ সমেত  জানা।  এমন সব সুদূরপ্রসারী কাজের বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গোবিন্দ ধর খোয়াইছে বিভিন্ন সম্পদ। ব্যয় করেছেন জীবনের মহামূল্যবান অগাধ সময়। আমি তাই এই মানুষটার ভুলের চুরিঙ্গাটি একটা বাতিল ফোনের ভাইরাস সংক্রমণ জেনে ছুড়ে ফেলতেই  উন্মোচিত হয়।  এমন স্বপ্নবানের সংখ্যা বিরল৷ তখন এই স্বপ্নবান কাজপাগল কবি, সম্পাদক, সংগঠক প্রকাশক অতিমানুষটিকে শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছে হয়। 

আমি জানি কোন জাতি তার নিজস্ব ভাষা সৌন্দর্য চিরস্থায়ী রক্ষা এবং ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্রত পালন করেন সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চাকারীরা। আর সাহিত্য সংস্কৃতিকে সম্মানের সঙ্গে ইতিহাস ঐতিহ্য প্রকাশ এবং  সংরক্ষণের অগ্রণী ভূমিকা রাখে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান।  
তিলতিল আলোক সিঞ্চনে আজ স্রোত প্রকাশনা যে পর্যায়ে অসীন হয়েছে তার জন্য ত্রিশ বছর যথেষ্ট সময়।  আর এই সময়ে প্রকাশনা জগতে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন আয়েজন ত্রিপুরা ও বাংলাদেশে এই প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ পরিচিতি।  
আমার ভালোবাসার ভাবনাটি হচ্ছে  স্রোতের যাত্রা শুরুর  সময়টাতে যেমন সেই ত্রিশ বছর আগে যে সকল নবীন লেখকগণ মুখরিত করে রাখতো স্রোতের কার্যালয়, হয়তো আজ তাদের অনেকের সন্তান  এবং সন্তানের সন্তান অর্থাৎ তাদের  নাতি- নাতনির হাত ধরে আসছে স্রোতে কেউ কবিতা লিখে করছে প্রকাশ করছে, কেউ  আবৃত্তি, আবার কেউ গাইছে গান।  এই ভাবনাটা ব্যপক ভালোবাসার বিষয়। সকলের প্রেরণার বিষয়।  হয়তো  স্রোতের এই নবীন প্রতিভাবানরাই বড় হয়ে একদিন স্রোতের হাল ধরবে ।  বাবা- মায়েরা বাড়াবে সহযোগিতার উদার হাত - এরকম আশা করি।  
'বোকা বুড়ো পাহাড় সরিয়েছিলেন' শিরোনামে একটি গল্পের কথা আমাদের অনেকেরই জানা। পাহাড় কাটা কষ্টে ব্যথিত হয়ে একদিন যেমন ভগবান - জনতা সাহায্যের হাত নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন,  তেমনি স্রোতের নিবেদনেও একদিন সমাজ বিনির্মানে অগ্রসর একটি বিশাল অংশ এগিয়ে আসবে।  এমন স্বপ্ন দেখি।  স্বপ্নহীন মানুষ তো পশুর সমান।  আমরা কেউ পশু হতে আগ্রহী নই। হতে চাই স্বপ্নবান মানুষ।  এই স্বপ্নবান মানুষেরা করতে পারে নতুন নতুন সৃষ্টি।  সৃষ্টিশীল মানুষের জীবন কখনো একঘেয়ে কাটে না।  উদ্যমী এই মানুষ হতে পারে চেঞ্জ - মেকার, পরিবর্তন সাধনকারী। এরাই তো সামাজিক পূঁজি।  এ পুঁজির সার্থক ব্যবহার হলে আমরা করতে পারবো জয়, করতে পারবো সাহিত্য সংস্কৃতির শেকড়ে পুষ্টি জোগানোর কাজ। 
সামাজিক নানা অসঙ্গতি ও শৃঙ্খলাহীনতার মধ্যে পরমহংসের দীক্ষায় স্রোত প্রকাশনা অমৃতের সন্ধানে ব্যাপৃত সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়। 
ভালো-মন্দ বিচারে সিদ্ধান্তহীনতার অস্থিরতা,  আলো- ছায়ার পৃথককরণে স্বার্থের দোলাচল সুনিপুণ কুশলতায় পাশ কাটিয়ে ভালোবাসার দুর্দমনীয় আকর্ষণে সৃজনশীল লেখকদের করছে স্রোত প্রকাশনা।  ঐতিহ্য থেকে উৎসারিত চৈতন্য স্রোত প্রকাশনা আগামীদিনের শক্তি - অমিত এই শক্তি আগামীর একটি সুস্থ সুন্দর সমাজ গঠনে এই প্রতিষ্ঠানকে আরও নতুন নতুন উদ্যােগে এগিয়ে নেবে দেশ- কাল ও প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে অন্তহীন সম্ভাবনার উচ্ছ্বাসে।  এমনটাই আমার বিশ্বাস।  কবিগুরু বলেছিলেন,  মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ। শত কষ্টেও স্রোত বিশ্বাস হারায়নি।  এই বিশ্বাসেই  স্রোতের সম্বল হয়ে থাকুক।  আমি সেই বিশ্বাসের জোরেই মানুষেরে করি নমস্কার,  বারবার।

0 Comments