সায়দাছড়া:সায়দা থেকে কলকল প্রবাহিত গোবিন্দ ধর
সায়দাছড়া:সায়দা থেকে কলকল প্রবাহিত
গোবিন্দ ধর
সায়দা নামক স্থান থেকে সায়দাছড়া কলকল প্রবাহিত হয়ে মনুতে মিশে গেছে। দুপাড়ের জঙ্গল সমতল পাহাড়ি এবড়োখেবড়ো পথ ডিঙিয়ে সায়দাছড়া ফটিকরায়ের বিস্তীর্ণ পথ পরিক্রমা করে কৈলাসহর ধুমাছড়া রাস্তার শিমূলতলীতে এসে পাকাব্রীজ ক্রস করে সামনে মনু ও দেও মোহনার কাছাকাছি অঞ্চলের মনুর লালডহরে বিলীন হয়ে গেছে সায়দাছড়া।
রাতাছড়ার পশ্চিমের কালাপাহাড় থেকে তার উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল থেকে রাজকান্দি গঙ্গানগর জয়গন্তী গোকুলনগর রাজনগরের পাশ বরাবর ভৈরবথলী হয়ে লালডহর দীর্ঘ জার্নি সায়দাছড়ার।
পাহাড় টিলা রাভার বাগান সংলগ্ন রাস্তায় দুপাড়ের মানুষজনকে কৃষিকাজের সুবিধা ও পূর্বে খাবার জলের মতো সুবিধা দিত সায়দাছড়া।
শিমুলতলীতে এক সময় কাঠের ব্রীজ ছিলো।রাতাছড়া কাঞ্চনবাড়ি এমড়াপাশা লালজুরী ডেমডুমসহ ঝুরিছড়া মরাছড়া অঞ্চলের লোকজন এই ব্রীজ পেরিয়ে ফটিকরায় কুমারঘাট মহকুমা শহর কৈলাসহর প্রথম প্রথম পায়ে হেঁটে পৌঁছতেন।পরবর্তী সময় একমাত্র মহেন্দ্র জীবই ভরসা ছিলো।
শিমূলতলী অঞ্চলে কাঠেরব্রীজের প্রায় ভগ্নদশায় সে কি লাঞ্চনা মানুষের। গাড়িও তখন আমাদের ছোটবেলা একটি মাত্র ছিলো।সকালে রাতাছড়া থেকে স্টার্ড হতো।রাতে ফিরতো।একবার গাড়ি কেউ ধরতে না পারলে তখন সেই লোকটি ঐদিন আর গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন না।
মানুষের জন্য এই ব্রীজ খুবই প্রয়োজন ছিলো।এখন পাকাসেতু।অনেকটা যাতায়াতের সুবিধা সুলভ।কিন্তু প্রকৃতির ভারসাম্য সে আগের মতো নেই।ভৈরবতলী অঐ্চল সেকালে ডাকাতদের উপদ্রপ ছিলো।ছামনু থালছড়া গোবিন্দবাড়ি থেকে লোকজন অবিভক্ত উত্তর ত্রিপুরার ফটিকরায় বাজারে দুতিন দিন পায়ে হেঁটে আসতেন।বাজার সেরে ফেরার সময় ডাকাত দলের কবলে পড়তেন বাজার ফেরত লোকজন।এখানে বড় হাফের নিকট ডাকাতের আস্তানা ছিলো।ডাকাত সড়দার ছিলেন ভৈরভ সাধক বলে জনশ্রুতি আছে। তিনি সাধনা করতেন বলে ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের নাম হয় ভৈরবতলি।
বৃষ্টি হচ্ছে না। সে পরিমাণ বৃষ্টিপাত নেই।
২১:০৩:২০২৪
0 Comments